Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.41 $ 1.88
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
নাহিয়ান ফাহিম। জন্ম: ২৩শে মার্চ, ১৯৮৪। ময়মনসিংহ জেলা। ঢাকাতে বেড়ে ওঠা। মূলতঃ পাঠক, ফলতঃ লেখক। সাহিত্য পত্রিকা ‘জলমাঝি’র সম্পাদক। মার্কেংটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভিনদুপুরের নোটবই’।
মধ্যবিত্ত কবিতা
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
কী যে ভালো লাগছে
মরোমরো আর দূষণজর্জর
সমুদ্র আবার প্রাণ ফিরে পাচ্ছে
সাগরতলে জাগছে বিপুল সাড়া
মীনভুবনে ফিরলো ফের
স্থলবাসীর মুখ দেখবার তাড়া
ও সাগর
তুমি আমার বাঁচার ভাঁড়ার
সুরগর্জন মেঘমল্লার
নির্জনতম ধ্বনিবিশ্বে পরম ঊর্মিমালা
ও তরঙ্গ শোনিত-স্রোতধারা
ফিরে পাচ্ছি প্রেমঢেউ
ফিরে পাচ্ছি হৃদতরঙ্গ
ফিরছে ছন্দোমালা
ও সাগর
তুমিই আমার জন্মাবধি
জননী ও শ্বাসঘর
কী যে ভালো লাগছে
মৃত্যুপুরীতে সুন্দরতম
নতুন মানব জাগছে।
বুদ্ধ তীরবিদ্ধ - Buddho Tirbiddho
কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
Bibhranto Jadukor - Hiranya Harun
১৩ টা নিরীক্ষাধর্মী গল্প নিয়ে প্রোপাগান্ডা বইটা রাষ্ট্রনৈতিক চিহ্নের নানান উপসর্গের মধ্যে দমিত গল্পের বিস্ফুরণ। ক্ষমতা, সিংহাসন বা কর্তৃত্ববাদ থেকে জন্ম নেওয়া সামাজিক স্বৈরতান্ত্রিক আধিপত্যের কাঠামোয় ধাবমান মানুষের আকাঙ্ক্ষার উচ্চারণ।
বাংলা গল্পের ধারায় এই বইয়ের উপস্থিতি পৃথক পদধ্বনির ঈঙ্গিত।
প্রোপাগান্ডা - Propaganda
সদালাপী, সুদর্শন, হাসিখুশি ডাক্তার আমাকে খুবই স্বাভাবিক ভঙ্গিতে, গল্পচ্ছলে জানিয়ে গেলেন, ‘আই অ্যাম অ্যা পেশেন্ট অব একিউট প্রো-মাইলোসাইটিক লিউকেমিয়া!’ সহজ-সরল ভাষায় যাকে বলে ব্লাড ক্যানসার!
আমার কী ভীত হওয়া উচিত? নাকি আতঙ্কিত হওয়া উচিত? আমি কি বিষন্ন হব? নাকি বেদনার্ত হব? আমার এই মুহুর্তে ঠিক কেমন লাগা উচিত? কী আশ্চর্য! আমার কিছুই মনে হচ্ছে না। বরং একরাশ নির্লিপ্ততা যেন আমাকে ঘিরে ফেলল। সেই সময় আমি চলৎশক্তিহীন হয়ে সম্পূর্ণ পরনির্ভরশীল মানুষ। মনে মনে ভাবার শক্তিও যে মানুষ কখনো কখনো হারায় কে জানত!
আমি যদি মারা যাই, তাতে এই পৃথিবীর তেমন কিছুই এসে যাবে না। আমি পুরো ব্যাপারটা হিসাব করতে চাইলাম। যেমন : আমার বরের বয়স কম, আমার মৃত্যুর পর সে কিছু দিন মন খারাপ করে ঘুরবে, তারপর আরেকটা বিয়ে করবে, সোজা-সাপটা হিসাব। আমার মায়ের আরেকজন কন্যা আছে। দুজন ছিল, একজন থাকবে। বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন কয়েকদিন কাঁদবে। তারপর ভুলেও যাবে, যে যার মতো কাজে মন দেবে। কখনো আমার কথা মনে হলে হয়তো ভাববে, আহা মেয়েটা এত অল্প আয়ু নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিল, মরে গেল! আমার মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত হবে যে,সে হলো আমার ছেলে জারিফ। ওর বয়স যে মাত্র বিশ মাস। মানে এক বছর আট মাস। ও তো এখনও এই পৃথিবীর কিছুই বোঝে না। ও তো জানবেই না ওর জন্য মা কতো কষ্ট করেছে এক সময়। কত ভালোবাসার ধন ছিল সে তার মায়ের। এমনকি ও যখন বড় হবে, ওর মায়ের কোন স্মৃতি ওর মনে থাকবে না।
আমার ঘুম আসে না একদমই। দিনের পর দিন না ঘুম আসা কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা অন্যরা ভাবতেও পারবে না। মনে হতো আমার সাথে মৃত্যুর দূরত্ব কেবল একটা পাতলা নাইলন সুতোর। সুতোটার উপর আমি দাঁড়িয়ে আছি। হাঁটতে গেলেই সোজা মৃত্যু কূপ। একটু নড়ব তো সোজা নিচে মৃত্যুদূত অপেক্ষায়।
কামরুন নাহার
piyakm19@gmail
Banchar Ki Je Ananda by Kamrun Nahar
জন্ম ১৯৮৬, মেহেরপুর। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। পেশায় সাংবাদিক। ‘অরনি ছোটগল্প’ পুরস্কার ২০১২ ও ‘বৈশাখি টেলিভিশন তোমার গল্পে সবার ঈদ’ পুরস্কার ২০১৩ পেয়েছেন। দ্বিধা, আদিম বুদবুদ অথবা কাঁচামাটির বিগ্রহ সহ আরো প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে।
বিশ্বগল্পের বহুমাত্রিক পাঠ
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.











There are no reviews yet.