Description
ভূমিকা :
শিল্পসৃষ্টির নিমগ্নতায় অধিকাংশ স্রষ্টার একটা প্রস্তুতিপর্ব থাকে। প্রকৃতির এই নিয়ম মেনে সে প্রস্তুতির অধ্যায়ে স্রষ্টা বরাবর তার সৃষ্টির অবয়বের আকা-আকৃতি বুঝতে চেষ্টা করেন। সে অবয়ব প্রতিভাত হলে স্রষ্টা তখন সেখানেই নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে ফেরেন এবং খোঁজা ঠিক কতটা সঠিক হলো তখন তা প্রকাশের অদম্য ইচ্ছা থেকে শৈল্পিক সুষমায় প্রকাশিত হয় কাব্যভাবনা। যা গ্রন্থিত হলেই হয়ে ওঠে একটি কাব্যগ্রন্থ। সেই ধারাতেই প্রকাশিত হলো ‘কবি কোনো চরিত্রে নাই’।















দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…






There are no reviews yet.