Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.41 $ 1.88
এতো মানুষ অথচ বনের বৃক্ষ ধরেই একদিন খুব কেঁদেছিলাম
মানুষ হয়ে গাছের কাছেই বলেছিলাম আরেকজন মানুষের দেওয়া
আমার অযাচিত নষ্ট হওয়া অফুরান কষ্টের কথা
বোবা বৃক্ষ চোখের থৈ-থৈ জল বুকের অন্ধগলির দ্বন্দ্ব আঁধার
সেদিন মুছে দিতে পারেনি তবুও প্রায় ছুটে যেতাম বৃক্ষের কাছে
সমস্ত মনস্তাপ ক্রুশবিদ্ধ স্বপ্নিল রামধনু তথা সুখে অসুখে
সেই বৃক্ষই ছিলো আমার একান্ত আপন সহচর;
জীবনভর কতশত-বার ফিসফিস শব্দে বুকে জাবের বলেছি মনের কথা
স্থির কোন পরিত্রাণ পাইনি, কিন্তু কোনদিন বলেনি
আর কখনো এসো না আমি বনের বৃক্ষমাত্র মানুষজাতের ভাষা বুঝি না
চোখের সামনে আমার সহচর বৃক্ষটি তিলে তিলে মরে যাচ্ছে দেখে
আজ আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে অনেক কাঁদলাম;
তুমি অকাল প্রয়াত হতে পার না কিন্তু হতে যাচ্ছ আমারই কারণে
আমার ব্যথার ভার তোমাকেও ব্যথাতুর করেছে মনে প্রাণে
তুমি বনের বৃক্ষ হয়েও আমাকে ধারণ করেছ বুকে
অথচ মানুষ হয়ে মানুষের ভাষা বোঝে না অনেক মানুষ আছে এ সংসারে।
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
আত্মমুগ্ধ শিকল
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
খ্রিস্টের জন্মের প্রায় হাজার বছর আগে লোকালয় গড়ে ওঠে উযবেকিস্তানে। মধ্য এশিয়ায় উযবেকিস্তান প্রথম জনপদ যেখানে তুর্ক জনগোষ্ঠী বসবাস করতে শুরু করে এবং সেচের মাধ্যমে চাষাবাদ করা শুরু করে। এক সময় আলেক্সান্ডার দা গ্রেট এই জনপদ নিজের অধীনে করে নিয়েছিলেন।
খ্রিস্টের জন্মের কয়েকশো বছর আগে চীন থেকে বণিকরা আরব ও ইউরোপে সিল্ক, মসলা, দামি পাথর, চা ইত্যাদি বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে মধ্য এশিয়ার পথ ধরে যাত্রা শুরু করেন। সেই থেকে সিল্ক রোড বা রেশম পথ মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নেয়। দেড় হাজার বছরের বেশি সময় রেশম পথ ধরে বণিকরা নিয়মিত যাতায়াত করেছিলেন।
আল বুখারি, আল তিরমিজি, ইবনে সিনা, আল বিরুনি, সম্রাট বাবরের মতো বিখ্যাত ব্যক্তি উযবেকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেছেন। ইবনে বতুতা, মার্কো পোলো, ওমর খৈয়ামের পায়ের ধুলা পড়ে এই ভূমি ধন্য হয়েছে।
মায়োলিকা শিল্প, ইকাত কাপড়, তামা ও কাঠ শিল্প বিমূর্ত থেকে মূর্ত হয়েছে শিল্পীদের হাতে।
চেঙ্গিস খান থেকে আমির তিমুর বা আরও পরের আমিরগণ শুধু যোদ্ধাই ছিলেন না, সুশাসক ও শিল্প-সাহিত্যের বোদ্ধাও ছিলেন।
উযবেকিস্তানে লেখকের ভ্রমণ সেই শিল্প-সাহিত্য ও রেশম পথের বাঁকে বাঁকে চলে গিয়েছে। এক জনপদ থেকে অন্য জনপদে শুধু রেশম পথের দিশাই নেই, সাথে আছে প্রাচীন স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের গল্প।
Firoza Ronger Desh - Fatima Jahan
বলে রাখা ভালো, শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি নিতান্তই আপেক্ষিক এবং কোনো ব্যক্তি তার নিজস্ব বৃত্তপরিধির আলোয় যাকে শ্রেষ্ঠ বলছেন, অন্য ব্যক্তির কাছে তা হয়তো খুবই সাধারণ। এমনকি যিনি বাছাই করেছেন, তিনিও পরে তার বাছাইকৃত শ্রেষ্ঠ কবিতা নিয়ে সংশয়ে থাকেন। তাহলে কেন এই ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’র সংকলন? তিরিশের দশক থেকে ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’র সংকলন প্রকাশ করা একটি ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের বাংলা ভাষাভাষী কবিদের কাছে। বুদ্ধদেব বসু, বিষ্ণু দে, জীবনানন্দ দাশ এবং পরে আরো অনেকেই এবং আমার দশকের ( নব্বইয়ের ) অনেক কবিই এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন, ভবিষ্যতের কবিরাও তা করবেন বলে আমার বিশ্বাস।
অনেকের মতো আমিও মনে করি, Time is the best critic. কবিতার বাঁচা-মরা নিয়ে কোনো কবিরই উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই। কবিতা লেখা একটি পবিত্র সাধনা এবং একইসাথে রক্তাক্ত সংগ্রামও বটে। সেই সাধনা ও সংগ্রামের পথে, নিরন্তর এই যাত্রায়, ক্লান্ত রক্তাক্ত আমি সিসিফাসের মতোই লেগে আছি অসীম ধৈর্যে। কতটুকু কী করতে পেরেছি, আমি নিজেও জানি না। ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’র পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে গিয়ে দেখলাম- এ বড়ো দুরূহ কাজ। কাকে বাদ দিয়ে কাকে রাখি, যাকে আমি কম গুরুত্বের কবিতা ভাবছি, পরক্ষণে সেই কবিতাটিই অন্যরকম গুরুত্ব নিয়ে সমুখে এসে দাঁড়াচ্ছে। তবুও কিছুটা নির্মম হয়েই বাদ দিতে হয়েছে অনেক কবিতা। এই নির্বাচন যেহেতু লেখকের নিজের, তাই কবুল করতে হচ্ছে যে, আমি এখানে অনেকটাই দ্বিধান্বিত থেকেছি এবং এ-ও সত্যি যে, যে-সব কবিতা বাদ পড়ে গেছে সে-গুলোর শিল্পমূল্য হয়তো অনেক নির্বাচিতের চেয়ে কম ছিল না। তবু এই সত্যকে মেনে নিতে হচ্ছে। এই নির্বাচনই মৌলিক।
কবিতা মূলত একাকিত্বের সংসার। এই সংসারে কবিই একমাত্র সদস্য যে তার আনন্দ-বেদনার উপান্তে দাঁড়িয়ে জীবন ও জগৎকে যে ভাবে দেখেন, পাঠক হয়তো সেভাবে দেখবেন না। পাঠক তাঁর নিজের মতো করে কবির এই সংসারের আলো-অন্ধকারে ঢুকে পড়েন, তাঁর নিজের মতো করে দ্যাখেন এর রূপ-লাবণ্য, ভাবেন এ জগতের বিস্ময় ও ব্যাপকতা। কবিতা নামের এইসব শব্দ-সংসারের অদূরে দাঁড়িয়ে আমার প্রায়শ মনে হয়- একি কোনো অর্থহীন নীরবতার সরব তৃষ্ণা, নাকি শব্দের বিবিধ লীলা!
Nature abhors superlative- এ কথা মনে রেখে, আমার এই হিমসন্ধ্যার গানগুলো দুহাত দিয়ে উড়িয়ে দিলাম প্রকৃতির গোপন অরণ্যে- এগুলো আর আমার রইল না। প্রকৃতির এই সামান্য উপহার প্রকৃতির কাছেই ফিরিয়ে দিলাম। প্রকৃতিই শ্রেষ্ঠ; জগতে শ্রেষ্ঠ বলে আর কোনোকিছু নেই। এখন আমি নির্ভার। এখন ঘুমিয়ে পড়ার আগে নিঃশঙ্ক চিত্তে গিয়ে দাঁড়াবো সেই পাকুড়গাছ তলে, যেখানে কৃষ্ণপক্ষের ক্ষয়িষ্ণু চাঁদের আলোয় একদা ঈশ্বর আমার অনাথ মস্তকে হাত রেখেছিলেন।
আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি নিয়ে, শুধু কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে, অনুপ্রাণন প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু ম. ইউসুফ ভাই গ্রন্থটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। তাঁকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কামরুল ইসলাম
৪/১ ফ্রেন্ডস ক্যাসেল, পশ্চিম তেরখাদিয়া
রাজশাহী
Shreshtho Kabita by Kamrul Islam
ঘরের খোঁজে নিখোঁজ বাড়ি
বারংবার মিনতি করার পরও
ওখানটাতে কেনো ছুঁও
খুব ব্যথা পাই তোমার ¯পর্শ লাগলে
কলিজা সমেত হৃদয়ের আগাগোড়া
টনটন করে, চিলকে চিলকে ওঠে
নাড়ি নক্ষত্র আকাশ বাতাস
পূর্ব প্রতীচী বসতির দেহাত;
আগলে রাখা আকুতির দ্বীপাঞ্চলে
শিউরে ওঠে সমুদ্রের নোনাজল
লেপটে যায় চোখের কাজল
ভাষার ব্যঞ্জনায় সব অর্থ ফুটিয়ে তোলা যায় না
অকাতর অশ্রুজলে যার মন ভিজে না
তার আবার কিসের নদী কিসের সাগর
বাষ্পাচ্ছাদিত শ্রাবণের ঝোড়ো বাতাসে
স্বর্ণাভ ঠোঁট রেখে উষ্ণতা কমানোর নামই কি শান্তি
হেঁটে যাওয়ায় যে আবেগ অনুভূতি কাজ করে
উড়ে যাওয়াতে কি তা করে?
দোহাই তুমি আর ছুঁইয়ো না ঐখানে
আমি এখন ঘরের খুঁজে ঘর বেচে
ঘর খুঁজি তার কাছে, যে দুই কূলেই ঘর রচে।
ঘরের খোঁজে নিখোঁজ বাড়ি
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.






There are no reviews yet.