Description

শফিক নহোর, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বুকে ধারণ ও লালন করা এ প্রজন্মের আধুনিক এবং সমসাময়িক তরুণ গল্পকার । তিনি ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দের ১১ নভেম্বর স্রোতস্বিনী পদ্মাতীরের পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো. আব্দুল মাজেদ শেখ, মাতা হামেদা খাতুন। তিনি ভাই ও বোনদের মধ্যে সবার ছোটো।
পারিবারিকভাবে সুমি খাতুনের সাথে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই কন্যা সন্তান; শেখ সাহেরা ইসলাম লামহা ও শেখ আরবী জান্নাত। বর্তমানে নাসির গ্লাসওয়্যার অ্যান্ড টিউব ইন্ডা. লি.-এ আইটি বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শফিক নহোর এ সময়ের জনপ্রিয় একজন গল্পকার হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম তার লেখার মুখ্য বিষয়। বিভিন্ন সময় লেখকের লেখা গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে। বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইন সৃজনশীল ওয়েবম্যাগগুলোতে নিয়মিত লিখছেন।
এছাড়া তিনি টিভি নাটক ও গান লিখছেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া তিনি ‘আমাদের সুজানগর’ ওয়েব ম্যাগাজিনে নিয়মিত লিখছেন।
প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ- ১. মায়াকুসুম, ২. বিষফুল, ৩. কসুর
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ- ১. মিনুফুলের ঘ্রাণ
~ প্রকাশক

































মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।














There are no reviews yet.