Description
বিচিত্র জীবন লেখকের। বেড়ে ওঠা ভারতের ব্যাঙ্গালুরু শহরে। পড়াশোনা, গবেষণার কাজ করেছেন ব্যাঙ্গালুরু ও সিঙ্গাপুরে। কৈশোরের অনেকটা সময় কেটেছে বোর্ডিং স্কুল আর বাড়ির লম্বা পথ একা পাড়ি দিয়ে। সেই থেকে শুরু ভ্রমণের নেশা। যেকোনো লোকালয়, যেকোনো জনপদে সেখানকার জীবনের অংশ হয়ে যেতে পারেন অনায়াসে। যাযাবর জীবন তাই বেছে নিতে হয়নি, আপনা হতেই জীবনের সাথে মিশে গিয়েছে। উচ্চশিক্ষা অর্জনের পর কাজ করেছেন বিশ্বের বহুজাতিক কোম্পানির সাথে। তবে ভ্রমণের নেশায় চাকরি ছেড়ে ভ্রমণার্থীর তকমা লাগিয়েছেন গায়ে। লেখালেখি করছেন সাত বছর ধরে। ভ্রমণ কাহিনি ও কবিতা প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন।
ভ্রমণ-বিষয়ক প্রকাশিত গ্রন্থ : ‘মওলানা জালালউদ্দিন রুমির খোঁজে তুরস্কে’, ‘লখনউনামা’, ‘পাহাড় সরোবরের কাযাখস্তান’, ‘তানযানিয়ার হৃদয় হতে’ ও ‘ফিরোজা রঙের দেশ’।
কাব্যগ্রন্থ : ‘কাউকে নয়’।




































দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…




There are no reviews yet.