Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.41 $ 1.88
গতকাল রাতে মাতাল জোছনা পড়েছিলো জলে
হৃদয়পুরে বসেছিলো নিতম্বের বেসাতি
আর কিছু জোনাকি ঢেলে দিলো আলো-
আমি শুধু পৃথিবী দেখেছিলাম ভাঙা আয়নায়।
অথচ তুমি আজ শুয়ে আছো-
পুকুরের পাড়ে, জোছনা তোমাকে ছোঁয় না
বসন্তসখা উড়ে যায় নীল দিগন্ত ছুঁয়ে
কতো কীটপতঙ্গ বাসা বাঁধে তোমার হিয়ায়।
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
লেখক পরিচিতি :
শঙ্করী দাস। জন্ম: ৮ই মে, ১৯৫৮ সনে নিজ জেলা জামালপুরে। কবি প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোÑ গল্প: ‘প্রতিবিম্ব ও অন্যান্য গল্প’ ‘জলমাটির গল্প’ ও ‘রাহুর চন্দ্রগ্রাস’। কবিতাÑ ‘ঘাসবোনা গ্রাম তাঁতবোনা গ্রাম’। স্মৃতিচারণমূলকÑ ‘গণমানুষের স্মৃতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ’। গল্পের জন্যে পেয়েছেন পাক্ষিক ঐকতান (বর্ধমান) পত্রিকা পদক। শিশু কবি রকি সাহিত্য পুরস্কার ও নক্ষত্র সাহিত্য পুরস্কার।
বিহান বেলার ঈশ্বর
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
আত্মমুগ্ধ শিকল
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
নুডুল বারে নির্ধারিত টেবিলে বসে আমার এইসব স্মৃতিকাতরতা মনে পড়ে। মিশুর সাথে খেতে খেতে গল্প করি। শৈশব-কৈশোর এক আকাশসমান আনন্দের পসরা নিয়ে আমার হাত ধরেছিল। বলা শুরু করলে তা-ই সহজে ফুরায় না।
কত কিছু মনে পড়ে! সেই হাইকোর্ট, রাজশাহী পেরিয়ে সিঙ্গাপুর, লন্ডন। এখন বসে আছি মিশুর সাথে ইপসুইচ। জীবন আমাকে সাইলেন্ট স্ট্রিটের নীরবতা যেমন শিখিয়েছে, হোপ স্ট্রিটের আশাবরী ফুলের গন্ধসুবাসে তেমনই হাসিমুখে পথ থেকে প্রান্তরে নিয়ে গেছে আলস্যে।
জীবন কত-না রহস্য নিয়ে আসে সময়ে সময়ে। তার কতটুকুই-বা ‘রুল টানা খাতা’য় ধরা যায়।
Roll Tana Khata by Sheik Rana
বাংলা ছোটোগল্পে কল্লোল (১৯২৩) যুগ আমাদের পাঠাভ্যাসকে বদলে দেয়। নতুন কিছু তো অবশ্যই। যেমন পরিবর্তন হয়েছে গল্পের ন্যারেটিভ তেমনই বিষয়-ভাবনা। পাঠকের রুচির অনুকূল ছিল কি না সেসব গল্প- তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এ-পর্যায়ে সে গল্পগুলোই এখন আমাদের প্রাণ-সংকেত; ওই গল্পগুলোর দিকে তাকিয়েই আধুনিক বাংলা গল্পের বৈচিত্র্যময় টেক্সট নির্মিত হচ্ছে। কী ছিল ওইসব গল্পে? গল্প তো মানুষেরই। রবীন্দ্রনাথের গল্পও তো মানুষেরই গল্প; তারপরও যখন কল্লোলীয় গল্প পাঠকের কাছে এলো, তখন পাঠক একটি স্বতন্ত্র রুচির চর্চা করতে সক্ষম হয়। এর অনেক পরে হাসান আজিজুল হক লিখলেন ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ (১৯৬৭)’। এখান থেকে বাংলা গল্প আরো সুদৃঢ় হয়ে ওঠে। যাকে বলা যায় সবল অস্তিত্ব নিয়ে বাংলা ছোটোগল্পের পরম্পরা নির্মিত হয়। কে বা কারা ছিলেন এগিয়ে সে প্রশ্নও অবান্তর। কিন্তু গল্পের অগ্রযাত্রায় প্রতিনিয়ত যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন ভাবনা; বৈশ্বিকবোধ তাড়িত বিজ্ঞানমনস্ক সামজচিন্তা। সত্তর, আশি, নব্বই অতিক্রম করে যখন শূন্য কিংবা এক, দুই-য়ে বাংলা গল্প দাঁড়ালো, তখন গল্পও উত্তরাধুনিক চেতনায়, অনেক বেশি সাংকেতিক; আবার কখনো অনেক বেশি বিষয়ানুগ। বিষয় হিসেবে সামাজিক কদর্য, রীরংসা, নারীর প্রতি নিগ্রহ গল্পের আধার হয়ে উঠতে থাকে।
নাহার আলম শেষোক্ত ধারার একজন। তার গল্পসমূহে সময়ের চিত্রায়ণ করতে গিয়ে বস্তুত সমাজবাস্তবতাকে টাচ করতে চেয়েছেন। সময়ের সঙ্গী হওয়া বস্তুত কঠিন; কিছুটা চ্যালেঞ্জেরও। প্রথমত- সামাজিক সীমাবদ্ধতা। দ্বিতীয়ত হলো- প্রকাশ ক্ষমতার শিল্পিত সংকোচ। সম্ভবত নাহার আলম-এর ক্ষেত্রে এ-দুয়ের কোনোটিই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। শিরোনামের একটি মার্কেটট্রেন্ড থাকে। এ-ধারণা থেকে নাহার আলম মুক্ত। এর মৌল কারণ হয়তো বাজারাক্রান্ত হওয়ার স্থুল বাসনা তার নেই।
শ্বাপদ সুন্দর, ধনদাসের রজনিচর, প্রসথেটিক মাস্ক, প্রত্যাখান বা প্রত্যাবর্তন, যোগচিহ্ন ইত্যাদি শিরোনামের গল্পগুলোতে যাচিত সময়ের লড়াই আছে। বেঁচে থাকার লড়াই, আবার আত্মপ্রতীতির লড়াইও। স্বোপার্জিত অর্জনের খেরোখাতায় বস্তুত কোনো বিলাসের গল্প থাকে না; থাকে টিকে থাকার নন্দিত পরমতা। তার কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা থাকে না। কিন্তু অবশ্যই সমাজবাস্তবতার চলচ্চিত্রায়ণে এর মূল্য অধিক। একজন সিনথিয়ার সফল জননী হয়ে ওঠা, নিবিড়ের বিশ্বাস ও চেতনার সঙ্গে তথাকথিত রাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব, শবনমের সমুদ্রসম কষ্ট, অরিণ এবং নীলান্তির জীবনে ঘটে যাওয়া দুঃসহ স্মৃতি সবই তো আমাদের সমাজে বিস্তীর্ণমান দূষিত সম্পর্কায়নের কুফল। এসব কিছুকে যখন লেখক একটি মলাটে অন্তর্ভুক্ত করেন, তখন সেখানে অজস্র পাঠকের অন্তর্জিজ্ঞাসার বাতায়নটা খুলে যায়। পাঠক ওই বিন্দুতে থামতে চান; এবং বলেন এমনই হয়তো চেয়েছি। এ-ধারার গল্পকথায় নাহার আলম পাঠককে মুগ্ধ করার হয়তো প্রত্যয় নেননি- কিন্তু পাঠকের কাছে পৌঁছুতে চেয়েছেন। এখানে তার স্বাতন্ত্র্য অনেকেরই চোখে পড়বে।
আবার কিছু গল্পে উপভাষার প্রয়োগেও তার সিদ্ধহস্ততা কোনো কোনো পাঠককে আগ্রহী করে তুলবে। পাঠকমাত্রই নতুনের সন্ধান চান; তবে সে নতুন, পুরোনোর ভেতর থেকে উত্থিত হলে তার প্রতি মানুষের আকর্ষণ থাকে ভিন্নরকম। এবং বলা বাহুল্য ওই পুরোনোর ভেতর থেকে নতুনের উদ্ভাসন মূলত উত্তরাধুনিক চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ। পোস্ট-মডার্ন পাঠক তার গল্প থেকে সে স্বাদও নিতে পারবে বলে মনে হয়েছে। গল্প পাঠান্তে অনেকের হয়তো মনে হতে পারে, গল্পটা আমারই; গল্পের সিনথিয়া, অরিণ, নিবিড় কিংবা শবনম মূলত আমিই।…
Subornopurane Ekhon Neguro Andhokar by Naher Alam
প্যারালাল ইউনিভার্স বা সমান্তরাল বিশ্ব মানে এই অসীম মহাশূন্যে অসংখ্য মহাবিশ্ব রয়েছে যার মধ্যে একাধিক পৃথিবীও রয়েছে যা একটির অন্যটির প্রতিরূপ। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘‘প্যারালাল ওয়ার্ল্ড’’ বা ‘‘মিরর ওয়ার্ল্ড’’। এই মিরর ওয়ার্ল্ড দেখতে আমাদের পৃথিবীরই মতো; এবোরে যেন টুইন ওয়ার্ল্ড বা যমজ বিশ্ব। প্যারালাল ইউনিভার্স সম্পর্কে সর্ব প্রথম ধারণা দেন বিজ্ঞানী ডাবলিনে এরভিন শ্রোডিঙার। এরপর অন্য বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে এই তত্ত্বকে যাচাই-বাছাই ও তাত্ত্বিক গবেষণা করে বলেন, এই বহু মহাবিশ্বে আমাদের পৃথিবীর মতো অনেক পৃথিবী রয়েছে যা আমাদের পৃথিবীরই মিরর ইমেজ বা মিরর ওয়ার্ল্ড। আমরা যেমন পৃথিবীতে বিভিন্ন কাজ-কর্ম করছি তারাও আমাদের সমন্তরালে বিভিন্ন কাজ-কর্ম করছে- যারা দেখতে আমাদেরই মতো হুবহু একই চেহারার।
এই বইয়ে প্যারালাল ওয়ার্ল্ডের গল্প ছাড়া রয়েছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, রূপকথা থেকে সায়েন্সফিকশন ইত্যাদি ভিন্নস্বাদের কয়েকটি সায়েন্সফিকশন। আশাকরি গল্পগুলো ছোট-বড় সব বয়সী পাঠকের কাছে ভালো লাগবে।
Journey to the Parallel World by Ashraf Pintu
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.







There are no reviews yet.