Description
এমরান হাসান। জন্ম ১৩ নভেম্বর,সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল,যশোর। বেড়ে ওঠা পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইলে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর।
প্রকাশিত গ্রন্থ: হাওয়াঘরের মৃত্যুমুদ্রা ( ২০২১)
e-mail :emranhimel07@gmail








$ 2.12 $ 2.82
বর্তমান বাংলাদেশে কবিতার ছদ্মবেশে যারা নির্মাণ করে যাচ্ছেন চিন্তা আর বিমূর্ত বোধের সুনিপুণ ভাস্কর্য, এমরান হাসান তাদের একজন। শিল্পিত বোধ-যাপনের ভেতর দিয়ে এমরান হাসান সৃষ্টি করেন এক অনার্য ঘরানার সাহসী ওঙ্কার। তার চিন্তানির্মাণকৌশল আপোষহীন, প্রথাবিরোধী। নিজস্ব ভাবনাগুলোকে অতিক্রম করে নতুন সত্যের জন্ম দেয় তার নির্মিত চিন্তা। জাগতিক মোহ, তৃষ্ণা আর প্রেমময় তন্দ্রাচ্ছন্নতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাঁর কবিতা। অনশ্বর বোধের সুনিবিড় তৈলচিত্রের গভীর আহ্বান ও রূপকচৈতন্যের বিমূর্ত আলোর মননশীলতা সময়ের পাঠচিন্তাকে পৌঁছে দেয় সুপ্রাচীন এক স্বচ্ছ সরোবরে।
এমরান হাসান। জন্ম ১৩ নভেম্বর,সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল,যশোর। বেড়ে ওঠা পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইলে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর।
প্রকাশিত গ্রন্থ: হাওয়াঘরের মৃত্যুমুদ্রা ( ২০২১)
e-mail :emranhimel07@gmail
| Weight | 0.233 kg |
|---|---|
| Published Year | |
| অনুপ্রাণন তরুণ পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী | ২০২৪ |
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
কিছু কিছু সম্পর্ক থাকে, যার কোনো নাম হয় না; নামকরণও করা যায় না। এই নামহীন সম্পর্কগুলো আয়নায় লাগা জলের দাগের মতো লেগে থাকে। জল দিয়ে সেই দাগ মুছতে গেলে লেগে যায় আরো জলের দাগ। প্রতিবিম্বের গায়ে সেইসব জন্মদাগের মতো চিহ্ন রেখে যায়—সম্পর্ক এমনও হয়।
গ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক নয়। কারো সঙ্গেই কোনো ঐক্য নেই। তবে এ অনৈক্যের মাঝেও এক আন্ত আছে বৈকি! ওরা সকলেই শিরোনামহীন-সম্পর্কে আবদ্ধ।
নামহীন মৃত্যুর শিরোনাম
বাসে উঠার মুখে নার্গিসের চোখ চকচক করে উঠল। একজন ভদ্র লোকের একহাজার টাকার একটা নোট পকেট থেকে পড়ে গেছে। সে বলতে যাচ্ছিল- ‘আঙ্কেল আপনার টাকা’ সে তা করল না, যেন কারোর কিছুই পড়েনি এমন ভঙ্গিতে বাসে উঠে পড়ল। লিলি তার কাছে চারশো টাকা পায়। অনেকদিন থেকে কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করে যাচ্ছে। কৃপণ বান্ধবীদের কাছ থেকে টাকা ধার করার মহাবিপদ, কারণে-অকারণে যার তার সামনে চেয়ে বসে। দোকানদার ফালুর কাছে একশ চল্লিশ টাকা বাকি। গত সপ্তাহে একহালি ডিম আর টুকটাক কিছু জিনিস কিনেছে। সেই টাকাটাও শোধ করা হয়নি। আজ সবার শোধ দেবার পরও বাকি থাকবে চারশো ষাট টাকা। দশটা টাকা মসজিদের দান বাক্সে দিয়ে রাখবে। পাপের পাশাপাশি কিছু পূণ্য রাখা ভাল। যদিও টাকাটা অন্যের, অন্যের টাকা দান করলে পাপ মোচন হয় না। তারপরও ‘দান’ জিনিসটা তো ভাল, হোক সেটা পরের টাকায় অথবা নিজের টাকায়। – নার্গিসকাহন।
কবরের মতো একটি ঘর। পার্থক্য কেবল কবরে দরজা-জানালা থাকে না, এই ঘরেও নেই। শুধু দম আনা-নেওয়ার জন্য মাথা বের করে দেওয়া হয়েছে। মোবাইল মানিকের এ রকমই নিয়ম। শাস্তি স্বরূপ আসামিকে গলা পর্যন্ত মাটিচাপা দিয়ে কাছিমের মতো মাথা বের করে রাখা। সম্রাট কী অপরাধ করেছে, জানে না। রমজান মাস। সেহরি খেয়ে ঘুমিয়েছিল। সকাল-সকাল মোবাইল মানিকের সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে জোর করে তুলে এনেছে মোবাইল মানিকের ডেরায়। – কাছে থেকে যাই।
‘বুঝলাম, আমরা মেয়েরা দুর্বল, কারণ আমরা নিজেদের ভালোবাসাকে দুর্বল ভাবি, কারোর হৃদয়ে মায়াবনের পাখি হয়ে থাকি। পরিবারকে কষ্ট দিই, সারাজীবন নিজে কষ্ট করি।’ ‘যেই মেয়েটি মায়ের কানের দুল বিক্রি করে তার পছন্দের মানুষের ভবিষ্যত গড়িয়ে দিতে পারে, এই মেয়েটি কেন অসুখী হবে? তোমাদের দুজনের কাউকেই আমি কষ্ট পেতে দেব না।’ – তোমাকে ছোঁব বলে।
অল্পভাষী মানুষটি জীবনে প্রথম মনে হয় একটি ভালো কাজ করল। পুলিশের কাছে নিজের মায়ের মৃত্যুর ঘটনা বলল- মায়ের কথামতো তৃতীয়বার বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় মা আত্মহত্যা করেছে। – অন্যবেলা।
Matikata Maya by Jewel Ashraf
শরতের মেঘ
শরতের মেঘ যেন
বড় আলাভোলা
কালিঝুলি নেই মনে
বেশ দিলখোলা!
নিষ্পাপ শিশু হয়ে
ছোটাছুটি করে
আকাশের ঘরে
দিন কিবা রাতে
সহজতা, মুগ্ধতা
ভরে দুই হাতে!
মনে নেই এক তিল
জিলাপির প্যাঁচ
বজ্রেরা অকারণ
করে না তো ঝনঝন
কোনো খ্যাঁচ খ্যাঁচ!
মায়া দিয়ে আকাশটা
ঢেকেঢুকে রাখে
রোদবালা তার বুকে দুধেভাতে থাকে!
সকলেই তাকে নিয়ে
দিনভর মেতে
মধুচোখে চেয়ে রয়
পথে যেতে যেতে…
আমি তাই হতে চাই
শরতের মেঘ
যার বুকে থোকা থোকা
সরল আবেগ!
রাঙা ছড়ার রঙধনু
রহস্য ও বৈচিত্র্যের মহাদেশ আফ্রিকা! দীর্ঘ এক পথ চলে গেছে দেশ হতে দেশান্তরে! সেই রহস্যে মোড়া ভূখণ্ডের প্রতিটি অঞ্চলের প্রাচীন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভৌগলিক বৈচিত্র্য যে কোন ভ্রমণকারী ও ভবঘুরের আগ্রহের স্থান।
“পূর্বআফ্রিকার তিনকাহন” একজন বাংলাদেশী নারী ভ্রমণকারীর পূর্ব আফ্রিকার তিন দেশ – কেনিয়া, উগান্ডা ও রুয়ান্ডা’র ভ্রমণ আখ্যান। লেখক পথ চলতে চলতে প্রাচীন ইতিহাসের মুখোমুখি হয়েছেন, দেখেছেন নানা জনপদ, জানবার চেস্টা করেছেন তাদের সংস্কৃতি, বুঝতে চেয়েছেন নানাবিধ ভাষার রহস্য। সেই সব আবেগ, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি, স্বীকারোক্তি ও কৈফিয়তের হিসেবনিকেশ নিয়েই আবর্তিত “পূর্বআফ্রিকার তিনকাহন” ।
Purbaafricar Tinkahon by Eliza Binte Elahi
কবিতা মানুষের চেতনকে জাগায়, প্রতিবাদকে উসকে দেয় এবং সত্যকে তুলে ধরার সাহস জোগায়। একজন কবি তার কলম দিয়ে যেমন শিল্প সৃষ্টি করেন, তেমনি একটি সমাজের মানসিকতাকেও বদলাতে পারেন।
কবি কবিতার মাধ্যমে সমাজের অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য, শোষণ, দুর্নীতি, বা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং মানুষকে জাগ্রত করার আহ্বান জানান। শক্তিমান কবিতা কেবল সাহিত্য নয়, বরং এটি আন্দোলনের হাতিয়ার। এই বইয়েতে স্থান পাওয়া কবিতাগুলো শুধু শিল্পসুষমায় পরিপূর্ণ নয়, বরং একটি দৃঢ় বার্তা বহন করে—সমাজকে বদলানোর, মানুষকে সচেতন করার এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর।
আকিব শিকদার
Akkhare Anka Kanthosor - Akib Shikder
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.

















There are no reviews yet.