Description

কবি ফারহানা খানম একজন সৃষ্টিশীল মানুষ। প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি তার আকর্ষণ প্রবল। আবার পারিপার্শ্বিক ঘটনা তাকে প্রবলভাবে নাড়া দেয়। কবির জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকা শহরেই। বর্তমানে বসবাসও ঢাকায়। ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পেশা শিক্ষকতা। কবিতা লেখেন ছোটোবেলা থেকেই, তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সুযোগ করে দিয়েছে তার কাব্যিক অবস্থানকে বিস্তৃত করতে। তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘ইছামতি’কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৬ সালের অমর একুশে বইমেলায় অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ’‘তৃষ্ণার্ত বালুতট’। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে তার কবিতার ব্যাপ্তি সবার নজর কাড়ে। কবিতার পাশাপাশি তিনি গল্পও লিখে চলেছেন। তার গল্প জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়।


























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।




There are no reviews yet.