Description

জন্ম ১৯৫৯ সালের ২০শে জানুয়ারী, তদানিন্তন যশোর জেলার মাগুরা মহকুমার (বর্তমান মাগুরা জেলা) মহম্মদপুর থানার ডুমুরশিয়া গ্রামে। পেশায় প্রকৌশলী, সম্প্রতি অবসর যাপন করছেন। ছাত্রজীবনে আশির দশকে কবিতা লিখতেন তিনি, আশির দশকে লিখিত সেইসব কবিতা নিয়ে প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ফিরে আসি প্রতিদিন ২০১৫ সালে প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্যাঙ্গনে নতুন করে প্রবেশ এবং তারই ধারাবাহিকতায় তিনি লিখে চলেছেন। দ্বিতীয় কবিতার বই কবিতার কাছে যাবো ২০১৬ সালে প্রকাশিত। দন্তস্য নামে একটা পত্রিকা সম্পাদনা করেন, তাছাড়া যৌথ সম্পাদনার কাব্যগ্রন্থ বৈশাখে রচিত পঙক্তি (২০১৬)। ২০১৮ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ দুই জীবনের গল্প প্রকাশিত হয়। ২০১৯ সালের অক্টোবরে কলকাতা থেকে দুজন কবির সাথে কোমল তিন স্বর নামে একটা যৌথকাব্য প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়েছে কাব্যগ্রন্থ “উৎসব” “সানজানা, শুধু তোমার জন্যে” ও “বুক তাঁর বাংলাদেশ”।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহঃ
ফিরে আসি প্রতিদিন (২০১৫), কাব্যগ্রন্থ; কবিতার কাছে যাবো (মানুষজন প্রকাশনী, ২০১৬), কাব্যগ্রন্থ; দুই জীবনের গল্প (সাম্প্রতিক প্রকাশনী, ২০১৮); গল্পগ্রন্থ, কোমল তিন স্বর (ইসক্রা, ২০১৯); যৌথকাব্যগ্রন্থ, কলকাতা থেকে প্রকাশিত, উৎসব (কলম প্রকাশনী, ২০২০); সানজানা, শুধু তোমার জন্যে (কলম প্রকাশনী, ২০২০); বুক তাঁর বাংলাদেশ (জংশন প্রকাশনী, ২০২০) প্রকাশিত।
সম্পাদনা: বৈশাখে রচিত পঙ্ক্তি (২০১৬)।
সম্পাদক: সাহিত্য পত্রিকা- দন্ত্যস।
Email: mhrhafiz311@gmail.com

















পিয়াইনে রাত্রি নেমে এলে মারিয়া আসে, কিন্তু মেনজপ কেন মারিয়াকে ছুঁতে পারে না? শুধু যাত্রাশিল্পী হওয়ায় ফিরোজা সুন্দরীর সাথে সুখুর মিলন হয় না। তবু ফিরোজা রঙেই কেন সুখু আটকে থাকে? কেন হঠাৎ মেলা বন্ধ হয়ে যায়? অনেক চেষ্টার পর যখন পারুলী বহুদিন আগে লুকিয়ে রাখা আতপ চাল খুঁজে পায়। আলুর দম মাংসের মতো খেতে যেন হয় ভেবে দারুচিনি চেয়ে আনে। পুতুল চেটেপুটে খেতে খেতে আরও ঝোল চায়, তখন পারুলীর সব উল্টে কেন আসতে চায়! একটা টোনা মাছের ভাজি কেন ঝিল্লিকে বস্তি থেকে বঙ্গোপসাগরের বালুকায় টেনে নিয়ে যায়! হরহরের বউয়ের বাচ্চা কেন ধূপের গন্ধে কাঁদে! এক টুকরা মাছ কেন বিধবার লুকিয়ে খেতে হবে! উঠান জুড়ে পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়েটির পরনে হিরামনের মতোই বেনারশী। অথচ সেই শাড়িটি পরিমলের বোনা নয়! আষাঢ়ের পয়লা বৃষ্টিতে আনন্দীর অমন কান্না পায় কেন? পয়ত্রিশ বছর পর মহব্বত ফাতিমাকে কি বলতে চায়? শিউলিফোটা রাতে শ্রী দাস লেনে ভুবন চিনু কী নিয়ে এত কথা বলে? জীবনানন্দ চলে যাওয়ার আগেই কেন দুখী ছাই নিয়ে গলিতে আসে না! গাজায় রক্তমাখা শিশুরা ঈদে কী করল, কী করল না- তা নিয়ে রাইসু কেন কাঁদে? চারদিকে এত খিদে, এত কান্না- তার মধ্যেও ঈশ্বরের ভাতঘুম কেন ভাঙে না! এমন সব অমীমাংসিত জিজ্ঞাসা নিয়ে গল্পকার জয়শ্রী সরকার লিখেছেন ‘ঈশ^রকে বল দুখী ডাকছে’।





There are no reviews yet.