Additional information
| Weight | 0.328 kg |
|---|---|
| Publish Year | 2019 |
| Published Year |
$ 3.09 $ 4.12
প্রথম সাড়া জাগানো গল্পগ্রন্থ অবিনাশী আয়োজন প্রকাশের মধ্য দিয়ে বাঙলা ছোটগল্পে নিজের প্রতিষ্ঠা ও সম্ভাবনা পোক্ত করেছেন মঞ্জু সরকার। অগস্ত্যযাত্রা লেখকের দ্বাদশ গল্পগ্রন্থ। কর্মজীবনে অবসর গ্রহণের পর শেষরক্ষার জন্য জন্মভূমির গ্রামে ফিরে যান নায়ক। উন্নয়নের গতিতে সেখানেও মানবিকতার অবক্ষয় এবং প্রকৃতি-পরিবেশের ভয়াবহ বিপর্যয়। পরিবর্তিত গ্রামসমাজের পটভূমিতে রচিত গল্পগুলি প্রাণস্পর্শী হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বুণন-দক্ষতায়। ফেসবুক নির্ভর এই প্রজন্মের শিকড়চ্যূত জীবনের ছায়া পড়েছে শিকড়ের রস ও সন্দেহ জাগানো ভালবাসা গল্পে। এ গ্রন্থের বড় আকর্ষণ সৌদি আরবের পটভূমিতে রচিত পাঁচটি গল্প। উদ্বাস্তু প্রবাসজীবনের অন্তরঙ্গ জীবনগাথা লেখকের গল্পভূবনের সীমা এবং স্বাদ বাড়িয়ে এনেছে নতুন মাত্রা। ক্ষমতার সঙ্গে থাকা ও বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আত্মীয়-স্বজন গল্প দুটিতেও মূর্ত হয়ে উঠেছে ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বাস্তবতা।
| Weight | 0.328 kg |
|---|---|
| Publish Year | 2019 |
| Published Year |
মাহতাব হোসেনের জন্ম ১৯৮৮ সালের ৮ জানুয়ারি। দিনাজপুর জেলার রেলওয়ে শহর পার্বতীপুরে। বর্তমানে দৈনিক কালের কণ্ঠে সাব এডিটর হিসেবে কর্মরত। শৈশবে ছড়া লিখে সাহিত্যের পথে পা বাড়ান। তনিমার সুইসাইড নোট তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
তনিমার সুইসাইড নোট
বিলাল হোসেন। জন্ম ১লা জানুয়ারি ১৯৭৪। মাদারিপুর জেলার রাজারচর কাজীকান্দি গ্রামে। প্রথম প্রকাশিত বই বিরুপা’র শুঁড়িবাড়ি, সেরা ১০০ অণুগল্প। গল্প সংকলনÑ পঞ্চাশ। অণুগল্পের বিষয়-বৈচিত্র্যের অনুসন্ধান। ‘কালজয়ী পঙক্তিমালা’ নামক অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক।
মহাপ্রভু ও অন্যান্য অণুগল্প
জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৪ই এপ্রিল। টাঙ্গাইলের মীরের বেতুকা গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। করটিয়ার সা’দত কলেজ ও স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেছেন। সহকারী সম্পাদক ছিলেন সাপ্তাহিক বিচিত্রা ও দৈনিক সংবাদ Ñএ। ১৯৭৮-৮০ সালে ছিলেন গণচীনের রেডিও পেইচিং এর ভাষা বিশেষজ্ঞ। ১৯৯৪-২০০৪ সালে ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, গবেষণা, শিশুতোষসহ গ্রন্থের সংখ্যা ৭০ এর বেশি।
গল্প সংগ্রহ
সোলায়মান সুমন। জন্ম ১মে ১৯৭৯, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। তরুণ বয়সে লেখালেখি শুরু। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস। পেশায় শিক্ষক। ত্রৈমাসিক অনুপ্রাণন এর সম্পাদনা পরিষদের সদস্য।
ভগ্ন সময়ের কোলাজ
শাশ্বত নিপ্পন। জন্ম: মেহেরপুর, মে ১৮, ১৯৭০। পেশা: শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা। এবং সংস্কৃতিকর্মী ও নাট্যকর্মী। তার আরো দুটি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছেÑ অনতিক্রম (২০১৩), পুনরুত্থান (২০১৪)।
অশনির ছন্দ
সুলতানা শাহরিয়া পিউ, জন্ম ২ অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সংগীত চর্চা করেন। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। শিক্ষকতা করেন। তার প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থ- মেঘের সাথে কথা (কাব্যগ্রন্থ), ইংরেজী কাব্যগ্রন্থ ‘ট্রান্সকুইল সেরেনেইড এর অনুবাদ ‘নিমগ্র জলধারা’। বাংলা গীতিকবিতার অনুবাদ ‘অচিন’ দঁহশহড়হি’.
এ্যালবাম- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলপ্রাপ্ত ংড়হম ড়ভভবৎরহমং থেকে আবৃত্তি ‘ভয়েজ টু দ্যা ইটারনাল হোম’ পঞ্চকবির গানের সমবেত কণ্ঠে ‘পঞ্চপ্রভা’।
মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প
১৯৬২ সালের ৫ ডিসেম্বর, ময়মনসিংহে কবি আশুতোষ পাল ও শিউলি পালের সংসারে জন্ম।
লেখাপড়া- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিবিজ্ঞানে স্নাতক এবং সুইডেন থেকে পরিবেশ বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা।
পেশা- এনজিও কর্মী দিয়ে শুরু এবং বর্তমানে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।
প্রকাশিত অন্যান্য বই- রাতপঞ্জি (২০০৩),পুননির্বাচিত আমি- ২০১১।
Asochorachor
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে লেখকের নাম হাসান মাহবুব। তিনি নাড়–গোপাল দত্ত অথবা ইসমাইল আহমেদ নন। তিনি রবীন্দ্রনাথ বা আগাথা ক্রিস্টি নন। তিনি দূর আকাশের নীল নক্ষত্র, ধোঁয়া ওঠা কফির মগ, বাজারে মেয়েটির অপরিচ্ছন্ন অন্তর্বাস, ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল বাঁশি অথবা লোম কাটার মওসুমের ভেড়ার দীর্ঘশ্বাসও নন। তিনি লেখেন। তবে ‘তিনি’ই লেখেন কি-না এই নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ লেখার মতো পরিশ্রমের কাজে বছরের পর বছর এত শ্রম দিয়েছেন, দুটো বইও বের করেছেন (প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত এবং আনন্দভ্রম) তার সাথে এসব ঠিক যায় না। এত সব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি হাসান মাহবুব হবার চেষ্টা করছেন এবং তারই ফলশ্রুতিতে আরো একটি বই প্রকাশ করে ফেললেন। তিনি সকলের দোয়া প্রার্থী!
নরকের রাজপুত্র
আমি কী আর জন্মেছিলাম মানুষ হিশেবে?
জন্মেছিল আবু তাহের, এই লোকটা কে?
মুখ চিনি না তবু মুখের আদল ধরে হাঁটি
শরীর খুলে বাইরে এসে ছায়ায় পরিপাটি।
আমি হয়তো ছায়ার মানুষ, শরীর আরেকজন
তার শরীরেই আড়াল হয়ে বাঁচার আয়োজন।
কার সে জীবন আমার কাঁধে, আমি-ই যে হায় কার
একই সাথে খাচ্ছি-দাচ্ছি ঘুমোচ্ছি আবার।
আমার যে, সে কোথায় থাকে? কোথায় বাড়িঘর?
তার সাথে কী বদলেছে এই আমার টিনের ঘর?
গোধূলির জাদুকর
১০০ অণুগল্প
ফজিলা ইসলাম ফৌজি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ১৯৭২ সালের ৮ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতৃনিবাস মেহেরপুর জেলার কোলা গ্রামের বাবু পাড়ায়। পিতার নাম মোঃ হাফিজ উদ্দিন মাতার নাম মোছাঃ রাকিবা বেগম।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হিসাববিজ্ঞান বিভাগ (অনার্স মাষ্টার্স) শেষ করে ১৯৯৯ সালে রাজশাহীর ইসলামিয়া কলেজে শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিবর্তন করে বর্তমানে তিনি মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজে হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক হিসাবে নিয়োজিত আছেন।
মানচিত্রে রক্তক্ষরণ
মঞ্জু সরকার, বাংলাদেশের অন্যতম কথা সাহিত্যিক। জন্ম ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩, রংপুর। ছোটগল্প উপন্যাস ও শিশু-কিশোর গ্রন্থ মিলিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থ অর্ধশতাধিক। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছেÑ মৃত্যুবাণ, উচ্ছেদ উচ্ছেদ খেলা, যৌথ একাকিত্ব, তমস, নগ্ন আগন্তুক, ছোট্ট এক বীরপুরুষ ইত্যাদি। বাংলা একাডেমি, ফিলিপস, ব্যাংক সাহিত্যসহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন।
রূপান্তরের গল্পগাথা
বাউল শিরোমণি লালন শাহ্
১৯৪৭ সালে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় ভারতকে দ্বিখণ্ডিত করার মধ্য দিয়ে। অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও সত্য যে ব্রিটিশরাজ ভারতকে হিন্দু সংখ্যা-প্রধান ও মুসলমান সংখ্যা-প্রধান হিসেবে দুটি দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে যায়। এ-সময় বাংলার কিছু নেতা বাংলাকেও ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করতে সচেষ্ট হয়। ১৯০৫ সালে যে সব দল ও নেতা ব্রিটিশ কর্তৃক বাংলা বিভাগের বিরোধিতা করেন, তারাই ভারতের স্বাধীনতার প্রাক্কালে বাংলা বিভাগে সচেষ্ট হয়। কেননা তাঁদের বিশ্লেষণ ছিল এমন যে, বাংলা প্রদেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও সংখ্যাধিক্যের জন্য মুসলমানরাই বাংলাকে শাসন করবে। যে-কারণে তাদের নেতৃবৃন্দ বাংলার একাংশ, মূলত পশ্চিমবঙ্গকে হিন্দু ধর্ম-প্রধান ভারতের অঙ্গীভূত করতে চায়। ১৯৪৬ সাল থেকেই শুরু হয় উত্তেজনা।
১৯৪৬ সালে কলকাতায় হয় মহাদাঙ্গা, যা ইতিহাসে ‘দ্য গ্রেট কিলিং’ নামে অভিহিত হয়েছে। কলকাতা দাঙ্গাই বাংলাভাগের মাইলফলক হয়ে দাঁড়ায়। হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই মনে করতে থাকে ভাংলা ভাগেই রয়েছে সমাধান।
ব্রিটিশরাজও রাজি হয়ে যায়। পশ্চিমবঙ্গ ভারতে এবং পূর্ব-বাংলা হয় পাকিস্তানের প্রদেশ। উভয় বাংলা থেকেই মানুষের দেশান্তর চলতে থাকে; যা ’৪৬ সালে শুরু হয়ে ষাটের দশক পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। একটি প্রদেশ যখন ভাগ হয় এবং দুই অংশ দুই দেশের অংশ হয়ে যায়, মানুষ তখন উভয় প্রদেশের মানুষ এক অংশ ত্যাগ করে অপর অংশে গমণ করে; তখন তাদের পরিচয় হয় ‘শরণার্থী’। এক দেশের মানুষ অন্য দেশে শরণার্থী হিসেবে বসবাস জন্য আবাসন, কর্মসংস্থান, লেখাপড়া, মোট কথা জীবনের সর্বক্ষেত্রে নেমে আসে চূড়ান্ত অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা।
বাংলা ভাগ নিয়ে ‘৪৬ এর ১৫ই আগস্ট থেকে ’৪৭ এর পুরো আগস্ট জুড়ে ঘটতে থাকে একটার পর একটা ঘটনা। হিন্দু-মুসলমান প্রায় সমান হওয়ার কারণে সেখানে গণভোট হলো। গণভোটে সিলেটবাসী পাকিস্তানে যোগদানের ইচ্ছা পোষণ করলেও মুসলিমপ্রধান করিমগঞ্জ মহকুমায় ১৪ই আগস্ট থেকে পাকিস্তানী পতাকা উড়লেও ৭দিন পরে মহকুমাটি কেন, কিভাবে ভারতের অন্তভর্ভূক্ত হলো? মুসলিমপ্রধান মুর্শিদাবাদ ও মালদা কেন, কিভাবে ভারতের অন্তর্ভূক্ত হলো?
উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আবুল ফয়েজ, যার বাড়ি বহরমপুর তথা মুর্শিদাবাদ। ১৯৪৬ সালের আগস্টে সে পড়াশোনা করত কলকাতা মেডিকেলের প্রথম বর্ষে। তরুন ফয়েজ দাঙ্গার সম্ভাবনা আঁচ করতে পারেনি। দাঙ্গা হতে যাচ্ছে সে বুঝতে পারে ১৫ই আগস্ট যখন কলকাতা শহরে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সে কোনোক্রমে আশ্রয় নেয় মুসলিম ছাত্রাবাস- বেকার হোস্টেলে। দাঙ্গা থামলে বহরমপুরে গিয়ে জানতে পারে জলঙ্গিতে তাদের আদি পৈত্রিক নিবাস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, তার বাবার জমি দখল হয়ে গিয়েছে। বহরমপুরেও তার জীবনাশংকা দেখা দিলে রাজশাহীতে চাচার বাসায় চলে আসে। তিন মাস পরে কলকাতায় ফিরে জানতে পারে দীর্ঘদিন অনুপস্থিতির কারণে তাকে ক্লাস করার সুযোগ দেয়া হবে না। বহরমপুরেও বসবাস কঠিন হয়ে উঠলে রাজশাহীতে গিয়ে দুই বছর মেয়াদী গ্রাজুয়েশানে ভর্তি হয়। লেখাপড়া শেষে চাকরি নেয় কুষ্টিয়াতে। দুই বোনকে পর্যায়ক্রমে এদেশ নিয়ে আসে। তার মা আসতে চাইলেও সরকারি চাকুরে বাবা আসতে চায় না; উপরন্তু তার বাবা হারানো জমি উদ্ধারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এরই মধ্যে পদ্মার পানিপ্রবাহের মতো জীবনপ্রবাহও বইতে থাকে- ঘটতে একের পর এক ঘটনা। বাংলা বিভাগের সাথে সাথে ফয়েজের পরিবারও দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়ে। ইতিহাসের প্রেক্ষিতে উপন্যাস লেখার কষ্টকর দিক হচ্ছে উপন্যাসের চরিত্রসমূহকে ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্তকরণ। ‘সীমান্তের দুই পারে’ সেই কাজটিই সম্পন্ন হয়েছে দক্ষতার সাথে। রাজনৈতিক ঘটনাক্রম ফয়েজের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনকে কিভাবে পর্যুদস্ত করে তুলল তার নির্মম অথচ নির্মোহ বয়ান লেখক উপন্যাসে তুলে ধরেছেন। পরিশেষে ফয়েজের পরিবার মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার হয়।
Sheemanter Dui Paree by Md. Rezaul Karim
বিলাল হোসেন। জন্ম ১লা জানুয়ারি ১৯৭৪। মাদারিপুর জেলার রাজারচর কাজীকান্দি গ্রামে। প্রথম প্রকাশিত বই বিরুপা’র শুঁড়িবাড়ি, সেরা ১০০ অণুগল্প। গল্প সংকলনÑ পঞ্চাশ। অণুগল্পের বিষয়-বৈচিত্র্যের অনুসন্ধান। ‘কালজয়ী পঙক্তিমালা’ নামক অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক।
মহাপ্রভু ও অন্যান্য অণুগল্প
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.





There are no reviews yet.