Description
হয়নাকো দেখা… দার্শনিক উক্তির মতো শোনায়। মানুষের নানান চাওয়ার অন্যতম ‘মুক্তি’। কিন্তু মুক্তি কোথায়। এই সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন ও উত্তরানুসন্ধান প্রক্রিয়া মানুষকে করে তুলেছে ধ্যানি ও আত্মমগ্ন। এইসব প্রশ্নসমূহ খুড়ে চলেছে প্রকৃত জীবনবোধের দার্শনিকতা ও জ্ঞানের সৃষ্টিশীল সুড়ঙ্গপথ। এভাবেই শহীদ ইকবালের উপন্যাস ‘হয়নাকো দেখা’ গুঢ় গভীর জীবন বোধকে উস্কে দিতে চায়। অনন্য ব্যতিক্রমী ভাষাভঙ্গির অনিন্দ্য সৃষ্টির নন্দন, উদাহরণ উপন্যাস ‘হয়নাকো দেখা’।




















বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।










মৃত্যু কি বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে পিতা আর সন্তানের মাঝে?

There are no reviews yet.