Description
কুমার দীপ
১৯৭৮ সালের ২৬শে মার্চ, স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে এক ঝড়-জলের রাতে বাব-মায়ের অষ্টম সন্তান হিসেবে ভ‚মিষ্ঠ হন দীপ। পৈতৃক নিবাস: সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া গ্রাম। মাতুলালয়: একই মহকুমার কাচিহারা গ্রাম। পড়ালেখা: ভুরুলিয়া নাগবাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় [পূর্বনাম জে এন হাইস্কুল] থেকে এসএসসি, শ্যামনগর সরকারি মহসিন ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। উচ্চতর গবেষণা শুরু করলেও শেষ করা হয়ে ওঠেনি ।
পেশা : শিক্ষকতা।
নেশা: উপযুক্ত বইপড়া, গান শোনা এবং লেখালিখি। প্রকৃতির সান্নিধ্য- বড়ই প্রিয় তাঁর। ইতিহাসচেতনা, সংস্কৃতিবোধ, নান্দনিকতা, মুক্তবুদ্ধি এবং মানবতার প্রতি সুগভীর অনুরাগই কুমার দীপের লেখালিখির পাথেয়।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
কাব্য : কোথাও কোনো মানুষ নেই; ঘৃণার পিরিচে মুখ; রটে যাচ্ছে আঁধার; মাতাল রাতের চাঁদ; কালান্ধ নূপুরের ধ্বনি; অন্ধকার সিরিজ।
গল্প : ভালোবাসার উল্টোরথে; যে পাখি ফিরতে পারে না নীড়ে।
প্রবন্ধ : নান্দনিক শামসুর রাহমান; আধুনিক বাংলা সাহিত্য : পাঠ ও প্রতিকৃতি; অনন্য শামসুর রাহমান ( কলকাতা); বাংলা কবিতায় ঐতিহ্য ও অন্যান্য অনুষঙ্গ; কথাশিল্পের আঙিনায়; অরূপ মাধুরী।
শিশুতোষ গল্প : পিয়ালের শিয়াল পোষার শখ; বুকের ভেতর বাংলাদেশ।
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার/সম্মাননা: গীতিকবিতার জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক-ডেইলি স্টার কর্তৃক পেয়েছেন ‘সেলিব্রেটিং লাইফ এ্যাওয়ার্ড’ ২০১৫ ও ২০১৬। বাগেরহাট জেলা প্রশাসন কর্তৃক ‘জাতীয় পর্যায়ের কবি-সাহিত্যিকদের সাহিত্য সম্মাননা-২০২২। অনুপ্রাণন লেখক সম্মাননা-২০২২।
—
ই-মেইল : kudeep2050@gmail.com




























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।




There are no reviews yet.