Description

হিশাম মো: নাজের-এর জন্ম নওগাঁয়। বেড়ে ওঠা, বাল্যবন্ধুজগৎ, স্কুল (মিতালী বিদ্যাপীঠ), কলেজ (উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়) ঢাকায়। তারপরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। সেখান থেকেই লেখালেখির শুরু। হিশাম লেখালেখি চর্চা করেছেন বাংলা ইংরেজি দুই ভাষাতেই। ছাত্রাবস্থায় উভয় ভাষাতেই দেশ-বিদেশের জার্নালে, ম্যাগাজিনে, এন্থলোজিতে প্রকাশিত হয়েছে তার প্রবন্ধ, গবেষণামূলক লেখা, গল্প, কবিতা ও অনুবাদ। পড়াশোনা শেষে তিন যোগ দেন রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। হিশামের আগ্রহের জায়গা হলো দর্শন, আধ্যাত্মবাদ, শিক্ষা দর্শন, সাহিত্য ও রাজনৈতিক তত্ত্ব ও সমালোচনা, এবং তার প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা।
হিশাম মো: নাজের বাংলাদেশের ইংরেজি পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত কলাম লেখেন। কবিতা অঙ্গনে হিশাম দেশের চেয়ে বাহিরে বেশি পরিচিত তার ইংরেজি কবিতার জন্য। তার কবিতা এ. পি. জে আবদুল কালাম, গুলজার, রাস্কিন বন্ড, ইরশাদ কামিল প্রমুখের সাথে একই এন্থলোজিতে প্রকাশিত হয়েছে। তার পছন্দ: কবিতা আবৃত্তি, স্কেচ, ফটোগ্রাফি, স্ত্রীকে স্কুটারে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো, মায়ের সাথে সন্ধ্যায় সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মুড়কি আর চা পান করা, আর সমমনাদের সাথে আড্ডা।




























‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’













There are no reviews yet.