Description
লেখক পরিচিতি-
জন্ম চাঁদপুর জেলায়। শৈশব কৈশোর থেকে বেড়ে ওঠা মেঘনা ডাকাতিয়া নদীর বিশালতায়। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে কলেজ পর্যন্ত চাঁদপুরে ছিল সরব পদচারণা। ছাত্র অবস্থা থেকেই প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক ও সংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মকান্ডে ছিলো সক্রিয় অংশগ্রহণ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন। কলেজ জীবন থেকে লেখার অভ্যাস থাকলেও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতায় খুব কাছ থেকে সাধারণ মানুষের জীবনকে দেখার সুযোগ হয়। লেখকের গল্প ও প্রবন্ধে সে অভিজ্ঞতার ছাপ স্পষ্ট। নব্বই এর দশক থেকে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত পত্রিকায় লিখছেন। ‘নন্দিত জীবনের সন্ধানে’ লেখকের প্রথম প্রবন্ধগন্থ, যেখানে প্রধান্য পেয়েছে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী ও বাংলাদেশের আদিবাসী। ‘অন্যজীবন’ গল্প গ্রন্থেও বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে নারী পুরুষের মনো-সামাজিক ও সমাজের নানা বিষয় উঠে এসেছে।
মনিরা আক্তার
















কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।







There are no reviews yet.