Description

আলী ইব্রাহিম গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার দক্ষিণ হাসিলকান্দি গ্রামে ১৯৮২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। স্কুলজীবন থেকে লেখালেখি শুরু। ২০০৪ সালে প্রথম আলোর সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতায় পদার্পণ। ২০০৮ সালে গাইবান্ধা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘মাধুকর’ পত্রিকায় বার্তা সম্পাদক পদে যোগদান এবং ওই বছরেই অব্যাহতি নিয়ে সাঘাটায় প্রথম কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ‘রুটস্ আইসিটি’ প্রতিষ্ঠা। ২০১৭ সালে বগুড়ার দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় সহসম্পাদক হিসেবে আবার সাংবাদিকতা শুরু। বর্তমানে এই পত্রিকায় জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক পদে কর্মরত।
ছায়ানীড় নাট্য সংস্থা পুনর্গঠনের উদ্যোক্তা। প্রগতি সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা : প্রগতি, বর্ণমিছিল, আলোর মিছিল, বিক্ষুব্ধবর্ণ, তিস্তামুখ, প্রিয়জন। সম্পাদিত কবিতাপত্র : জলপাই। সম্পাদিত গ্রন্থ : বৈশাখের পদাবলি, অপেক্ষারত কাব্যের প্রতীক্ষা, এ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি: গৌরবোজ্জ্বল কর্মজীবনের প্রতিচিত্র।
সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘উদয়ন সাহিত্য সম্মাননা স্মারক (২০২৩), দৈনিক করতোয়া স্মারক পুরস্কার (২০২১), রাইট৩ নাগরিক সাংবাদিকতা পুরস্কার (২০১১) অর্জন।



















মানবজনম যেনো গল্পের মোড়কে আবদ্ধ। প্রতিটি জীবনে কিছু গল্প থাকে। কিছু গল্প প্রকাশ করা যায়, আবার কিছু গল্প হৃদয়ের গহীনে অপ্রকাশিত হয়ে জমা থাকে। যা বলা যায় না। জীবনপাঠে এই অধ্যায়ের বলা বা না বলা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘সে শুধু আড়ালে থাকে’। প্রতিটি গল্প জীবনের সাথে মিলে যাবে। মনে হবে এতো আমার জীবনের গল্প, আমার হৃদয়ের আড়ালে থাকা অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। গল্পগুলো অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। প্রিয়জনকে পাবার অপেক্ষা, না পাবার বেদনা, বিচ্ছেদের সারসংক্ষেপ, বেঁচে থাকার আকুতি, জীবনপাঠে বাস্তবতার মুখোমুখি, আবেগ আর অনুভূতির সংমিশ্রন, নিঃসঙ্গতার সাথে বনিবনা, সুখের বেড়াজাল, বেদনায় কাতরতা অসংখ্য বিষয়বস্তুকে নিয়ে সাজানো হয়েছে গল্পগুলো। বারোটি গল্প, ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।








There are no reviews yet.