Description
আমার ধারণা আমি কবি। কিন্তু আমার লেখা গল্পগুলি আমার কবিতার হাত ধরে পাশাপাশি হেঁটেছে লেখালেখির শুরুর দিন থেকেই। এখনো তারা পরস্পরের সঙ্গী।
কবিতায় যে ভাবনাগুলিকে আমি আটাতে পারিনি তাদের বিস্তৃতির জন্য, সেগুলিই গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে আমার গল্পে। অর্থাৎ ফর্মকে গুরুত্ব না দিয়ে ভাবনাটাকেই কোলেপিঠে মানুষ করেছি। অবশ্য তাতে ফর্মও যে আক্রান্ত হয়নি, এমনটা না।
আমার গল্পগুলি লেখার সঙ্গে যেহেতু আমি জড়িত, তাই ওদের বেশ ভালো করেই চিনি। প্রত্যেকটা গল্পকেই আমার আলাদা আলাদা প্রাণী বলে মনে হয়। ওরা যেন মাইক্রোস্কোপের নলের নিচে কিলবিল করছে পেট্রিডিসে রাখা একদল ব্যাকটেরিয়ার মতো। মাঝেমাঝে মনে হয় আমি ওদের লিখিনি বরং জন্মানোর সাধ নিয়ে ওরাই আমাকে ব্যবহার করেছে। ফলে আমি আমার গল্পগুলির আজ্ঞা পালনকারী ঈশ্বর মাত্র।
এই অনৈশ্বরিক খঞ্জতা আমাকে বিব্রত করে না। বরং যে নিজে নিজে হয়ে উঠতে চায়, তার পাশে থাকার গর্ব টের পাই মনের গভীরে।
-অমিতাভ পাল



















মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।

There are no reviews yet.