Description
পীযূষ কান্তি বড়ুয়া পেশায় চিকিৎসক। পিতা : সুরেশ চন্দ্র বড়ুয়া, মাতা : পাখি রানি বড়ুয়া।
জন্মস্থান : গ্রাম : চরণদ্বীপ, ডাকঘর : চরণদ্বীপ, উপজেলা/থানা : বোয়ালখালী জেলা : চট্টগ্রাম। বর্তমান নিবাস ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর। জন্মসাল ১৯৭৩, তারিখ : ১০ অক্টোবর। লেখালেখির সূচনা : ১৯৮২ সালে ছড়া লেখার মাধ্যমে। প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : তোমার নিবীতে অন্য কেউ, প্রকাশক : শৈলী প্রকাশন, অমর একুশে গ্রন্থমেলা( ২০০৫) ।অন্যান্য গ্রন্থ :
১০০ কবিতা, চৈতন্য প্রকাশনী, ২০২১; তোমার নিবীতে অন্য কেউ- শৈলী প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি, ২০০৫; শোকের অর্ঘ্যে বঙ্গবন্ধু – ছায়াবাণী প্রকাশনী, ২০১৭; প্রণয় কাব্য -প্রতিভা প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি ২০১৮; জনকের অমৃত জীবন-সুন্দরম্ প্রকাশনী,মার্চ ২০২০; ব-দ্বীপ হতে বাংলাদেশ- শৈলী প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি, ২০১৮; প্রজ্ঞা-প্রসূন- প্রবন্ধ সংকলন, কারুবাক প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি ২০১৮; সৃজনশস্যে বঙ্গবন্ধু – প্রবন্ধ সংকলন, য়ারোয়া প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি ২০২২; সায়নালোকে এক জীবনের সন্ধ্যায় -উপন্যাস, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স- ফেব্রুয়ারি ২০১৩; ঘুমের মধ্যে লীলা আসে-উপন্যাস, দৃষ্টি প্রকাশনী,২০১৮; কল্পকুসুম-গল্পগ্রন্থ, কারুবাক প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি ২০১৮; মুক্তিবীর- শিশুতোষ গল্পপুস্তিকা, য়ারোয়া প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি ২০১৮, লুই পা’র কলম- কিশোর গল্পগ্রন্থ, প্রসিদ্ধ পাবলিশার্স, ফেব্রুয়ারি ২০২০; ভূতুড়ে পাখা- কিশোর গল্পগ্রন্থ, প্রসিদ্ধ পাবলিশার্স, ফেব্রুয়ারি ২০২০; তারা মাসী চাঁদ মামা – শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ, কারুবাক প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি ২০১৯; শেকড়ের টানে ছড়া অভিযানে- ছড়াগ্রন্থ, মূর্ধণ্য পাবলিকেশন্স, ফেব্রুয়ারি ২০১৮; ইলিশের বাড়ি- ইলিশ ছড়াগ্রন্থ- প্রকৃতি প্রকাশন, মার্চ ২০১৭; বিতর্ক বিধান(সনাতনী বিতর্ক পুস্তিকা)- টিআইবি, ২০১৪; বিতর্ক বীক্ষণ – বিতর্ক বিষয়ক পুস্তিকা – চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশন, ২০১৫।
সম্মাননা / পদক/ পুরস্কার
ক. গীতিকবি হিসেবে বাংলা গীত রচনার পুরস্কার : ২০০৯ সালে আয়োজিত দ্য ডেইলি স্টার-স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ‘সেলিব্রেটিং লাইফ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী; খ. চাঁদপুর জেলা ব্র্যান্ডিং প্রকাশনার গ্রন্থিত ছড়াকার; গ. জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মানা ২০২১; ঘ. চতুরঙ্গ ইলিশ উৎসব সম্মাননা ২০১৫; ঙ. নাগরিক বার্তা সম্মাননা ২০১৯; চ. ছায়াবাণী কৃতি সাহিত্যিক সম্মাননা; ছ. পাঠক সংবাদ লেখক সম্মাননা; জ. বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য সম্মাননা ২০১৮।













































আহসান সাহেব অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে এক দুপুরে আক্ষরিক অর্থে ভাঙতে শুরু করেন। তার শরীর থেকে খসে খসে পড়তে থাকে অসংখ্য ইটের টুকরো। তিনি কেন ভাঙছেন? অথবা বজরা খালের বাঁশের সাঁকোর ওপর কেন সন্ধ্যাবেলায় উঠে বসে থাকে ফজল আলীর কনিষ্ঠ সন্তান? জলে কোঁচ ফেলার শব্দ শুনে কেন অজ্ঞাত দুঃখে তার কান্না পায়?

There are no reviews yet.