Description
আবুল কালাম আজাদের শৈশব কেটেছে গ্রামে। ঢাকার অদূরে মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানাধীন কৌড়ী গ্রামে। পল্লী প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য তার মধ্যে সাহিত্যের বীজ বুনে দেয়। শৈশব থেকেই গল্প, কবিতা, উপন্যাস পাঠে আগ্রহী ওয়ে ওঠেন। লেখালেখির শুরুও তখন থেকেই। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে বাবার চাকরি সূত্রে ঢাকায় উঠে আসা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তার গল্প প্রকাশ হতে থাকে। দেশের প্রায় সব জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিকে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে।
তিনি শিশু-কিশোরদের জন্য লেখার পাশাপাশি বড়দের জন্যও লেখেন। চারবার ইউনিসেফ বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ‘মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্তি। ২০০৮, ২০০৯, ২০১০ ও ২০১২ সালে। দৈনিক কালের কন্ঠের সাহিত্য সাময়িকী শিলালিপি আয়োজিত হাসির গল্প প্রতিযোগীতা ২০১১ বিজয়ী। বাবুই পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতা ২০১৮ বিজয়ী।
ইউনিসেফ বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত মীনা কার্টুনের গল্প লেখা, এবং রুম টু রিড আয়োজিত নন-ফ্যান্টাসি গল্প লেখার কর্মশালায় অংশ গ্রহণ। মার্চ (২-১৫)/২০১৯ সংখ্যায় কোলকাতার ‘দেশ’ পত্রিকায় ‘বিরহী’ নামে একটি গল্প প্রকাশ। এবং ওপার বাংলার নমস্য নাট্যব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রোবর্তীর নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় গল্পটি নাটক তৈরী। থিয়েটার প্রাঙ্গণের ৬ষ্ঠ বর্ষ পদাপর্ণ উপলক্ষে আয়োজিত “গল্প আপনার, নির্মাণ আমাদের/২০২১” প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে তার ‘আশা ভঙ্গের চিহ্ন তার মুখে’ গল্পটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়।
গল্পগ্রন্থ: নক্ষত্রের পানে-২০১২। গল্পগ্রন্থ: ভেলু মামার কঙ্কাল পাঠ-২০১৪। গল্পগ্রন্থ: মনের মত বন্ধু-২০১৬। গল্পগ্রন্থ: বল্টু মামা ও একটি শালিক পাখি -২০১৬। সায়েন্স ফিকশান ও ভৌতিক গল্প: সেকেন্ড মিশন সাকসেসফুল-২০১৭। কিশোর উপন্যাস: পরশু মাহাবুব ভাইয়ের বিয়ে-২০১৮। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় কিশোর উপন্যাস: সোনাডাঙা স্কুলে মুক্তিযুদ্ধ-২০১৮। সায়েন্স ফিকশন কিশোর উপন্যাস: নভেম্বর রেইন-২০১৯। কিশোর উপন্যাস: জোছনা রাতে জাগে আমার প্রাণ-২০২০। শিশুতোষ গল্পগন্থ: বিলুর প্রথম স্কুল-২০২৩। রম্য গল্পগ্রন্থ: ঘুমই সফলতার চাবিকাঠি-২০২৩। কিশোর উপন্যাস: বল্টুমামার উপহার-২০২৪।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি চাকুরিতে নিয়োজিত আছেন।
লেখালেখির পাশাপাশি তিনি আবৃত্তি ও ছবি আঁকার চর্চা অব্যাহত রেখেছেন।











































মৃত্যু কি বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে পিতা আর সন্তানের মাঝে?

বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।
There are no reviews yet.