Description
আফরোজা পারভীন, কথাসাহিত্যিক, গবেষক, শিশুসাহিত্যিক, নাট্যকার, কলাম লেখক। “রক্তবীজ” নামে একটি ওয়েব পোর্টাল-এর প্রকাশক ও সম্পাদক।
প্রকাশিত গ্রন্থ: ১২৭টি।
জন্ম ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭ সাল, নড়াইল শহরের ‘সাঈফ ভীলা’ নামের পৈতৃক বাড়িতে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ও এলএলবি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “জহির রায়হানের চলচ্চিত্রে মানুষের অধিকার সচেতনতা ও বাংলাদেশের মুক্তিয়ুদ্ধ: একটি সমীক্ষা”, শীর্ষক পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব।
তিনি রাষ্ট্রীয় বেগম রোকেয়া পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার, ইনস্পাইরিং উইমেন এওয়ার্ড, আসাদুজ্জামান সাহিত্য পুরস্কার, নির্ণয় শিল্পীগোষ্ঠী সাহিত্য পুরস্কার, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক সম্মাননা স্মারক, এম নুরুল কাদের শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ দেশ-বিদেশের তিরিশটির অধিক পুরস্কার পেয়েছেন।
শখ: বইপড়া, মঞ্চনাটক ও বড় পর্দায় সিনেমা দেখা, দেশভ্রমণ।
স্বপ্ন: সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করা।






































পিয়াইনে রাত্রি নেমে এলে মারিয়া আসে, কিন্তু মেনজপ কেন মারিয়াকে ছুঁতে পারে না? শুধু যাত্রাশিল্পী হওয়ায় ফিরোজা সুন্দরীর সাথে সুখুর মিলন হয় না। তবু ফিরোজা রঙেই কেন সুখু আটকে থাকে? কেন হঠাৎ মেলা বন্ধ হয়ে যায়? অনেক চেষ্টার পর যখন পারুলী বহুদিন আগে লুকিয়ে রাখা আতপ চাল খুঁজে পায়। আলুর দম মাংসের মতো খেতে যেন হয় ভেবে দারুচিনি চেয়ে আনে। পুতুল চেটেপুটে খেতে খেতে আরও ঝোল চায়, তখন পারুলীর সব উল্টে কেন আসতে চায়! একটা টোনা মাছের ভাজি কেন ঝিল্লিকে বস্তি থেকে বঙ্গোপসাগরের বালুকায় টেনে নিয়ে যায়! হরহরের বউয়ের বাচ্চা কেন ধূপের গন্ধে কাঁদে! এক টুকরা মাছ কেন বিধবার লুকিয়ে খেতে হবে! উঠান জুড়ে পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়েটির পরনে হিরামনের মতোই বেনারশী। অথচ সেই শাড়িটি পরিমলের বোনা নয়! আষাঢ়ের পয়লা বৃষ্টিতে আনন্দীর অমন কান্না পায় কেন? পয়ত্রিশ বছর পর মহব্বত ফাতিমাকে কি বলতে চায়? শিউলিফোটা রাতে শ্রী দাস লেনে ভুবন চিনু কী নিয়ে এত কথা বলে? জীবনানন্দ চলে যাওয়ার আগেই কেন দুখী ছাই নিয়ে গলিতে আসে না! গাজায় রক্তমাখা শিশুরা ঈদে কী করল, কী করল না- তা নিয়ে রাইসু কেন কাঁদে? চারদিকে এত খিদে, এত কান্না- তার মধ্যেও ঈশ্বরের ভাতঘুম কেন ভাঙে না! এমন সব অমীমাংসিত জিজ্ঞাসা নিয়ে গল্পকার জয়শ্রী সরকার লিখেছেন ‘ঈশ^রকে বল দুখী ডাকছে’।
There are no reviews yet.