Description
পুরো নাম সৈয়দ ইলিয়াস আখতার ফারুকী। কিন্তু লেখালেখি করেন ইলিয়াস ফারুকী নামে। চাঁদপুর সদরের পুরান বাজারের পিতৃগৃহে ১৯/০১/৫৯ ইং সালে জন্ম । ১৯৭২ইং সাল থেকে ছড়া লেখা দিয়ে লেখািেখর শুরু। তার লেখার বিষয়বস্তু ছড়া,কবিতা, ছোট গল্প, প্রবন্ধ, গান। এই পর্যন্ত সাতটি ছোট গল্প, তিনটি কবিতার বই এবং একটি গানের সিডি প্রকাশ হয়েছে। তিনি “জিগীষা” নামে একটি ছোট কাগজ সম্পাদনা করতেন যা ১৯৭৭ ইং সালে চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত হতো। “উঠোন” নামেও একটি ছোট কাগজ প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করেন যা ১৯৭৬ইং সালে চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত এবং জনাব হারুন অর রশিদ সম্পাদিত।
তিনি ব্রিলিয়ান্ট সোসাইটি কর্তৃক, ছোট গল্পের জন্য ” নজরুল সম্মাননা” পেয়েছেন ২০১৮ইং। এবং সাহিত্য মঞ্চ চাঁদপুর কর্তৃক সাহিত্য সংগঠক হিসেবে ‘মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ সম্মাননা প্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি জিগীষা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি হিসাবে দায়িত্বরত।


































বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।





There are no reviews yet.