Description
এই গল্পগুলো পড়ে পাঠক যেন চাইলেও সহজে ভুলতে পারবেন না। গল্পকার ও নাট্যকার রুমা মোদকের কাহিনির আধেয় যেমন সমৃদ্ধ, তার বুননও ততোধিক সূক্ষ্ম। তাঁর বিষয়বস্তুর বিস্তার বাংলাদেশের সামাজিক সম্বন্ধ ও পরিবেশের দুর্গমতম অঞ্চলে। যে অঞ্চলের অন্ধকার অবিচার আমাদের চোখের সামনেই বর্তমান, কিন্তু যা কিনা রয়ে যায় আমাদের চেতনার আড়ালে। এই বইয়ের প্রতিটি গল্প পাঠকদের উদ্দেশ্যে এক একটি চ্যালেঞ্জ যেখানে কোনো বাক্যই অবান্তর নয়, যেখানে প্রতিটি প্যারায় এক ধরনের অবোধ্য রহস্যের জন্ম হয় যে রহস্যের জট ছাড়াতে পাঠককে লেখকের বোধের সাথে সম্পৃক্ত হতে হয়, শেষ লাইনটি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। গল্পটিকে হয়তো পাঠককে আবার পড়তে হয়, সেই পুনঃপাঠ গল্পটিকে আবার নতুন আলোয় উন্মোচন করে। সেই প্রয়াসে পাঠক হয়ে ওঠেন গল্পকারের কারুকাজের একজন আগ্রহী ও সার্থক অংশগ্রাহী। পাঠক হয়তো বিস্ময়ে বলবেন, ‘কি চমৎকার আবিষ্কার!’ এই স্টাইলটি রুমা মোদকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ভাষায় এই ধরনের উপস্থাপনা খুবই ব্যতিক্রমী। সেই ব্যতিক্রমী গল্পের উত্তাল সমুদ্রের অভিযানে নাবিক হতে পাঠককে আহ্বান জানাচ্ছি।
-দীপেন ভট্টাচার্য, বিজ্ঞানী ও গল্পকার।


















কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.