Description
ভূমিকা :
গোলাপ পবিত্রতা, স্নিগ্ধতা এবং প্রেমের প্রতীক। মোগল সম্রাটদের মিনিয়েচার বা তৈলচিত্রে হাতে গোলাপ দেখা যায়। গোলাপ বা পুষ্প নিয়ে, বাগান নিয়ে রচিত প্রায় সবই বিখ্যাত। গুলিস্তাঁ (শেখ সাদী) থেকে ‘কেয়ার কাঁটা’ (বেগম সুফিয়া কামাল) তার উদাহরণ। আবদুশ শাকুর মৃত্যুর পূর্বে ‘গোলাপ বিষয়ক বই’ লিখে বিখ্যাত হন। নাট্যকার মমতাজ উদ্দীন আহমেদের সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাম ছিলো ‘ফুলের নামে নাম’। স্থানের নামের আগে, মাজারের নামে বা প্রতিষ্ঠানের নামে গোলাপ পাওয়া যায়। কবি সেই গোলাপকে অত্র গ্রন্থে দেখেছেন অবাধ্য রূপে।


















মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।









তন্ময় ও সুস্ময় নামের দুই জমজ ভাইয়ের কার্যকলাপ নিয়েই “আলোকিত মানুষ ” গল্পটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এই দুভাই পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী কিন্তু তাদের শিক্ষক পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন। এক ঈদে তিনি তার শিক্ষার্থী দের প্রত্যেককে এমন এক একটা ভালো কাজ করতে বলেন, যে কাজের উজ্জ্বলতার রেশে তাদের চারপাশ আলোকিত হবে এবং তারা আলোকিত মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবে।
There are no reviews yet.