Description
অনন্য কামরুল
জন্ম জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে। বাবা মুহা. হাসান আলী, মা জাহানারা বেগম। শৈশবেই তাঁর মধ্যে কাব্যপ্রতিভার উন্মেষ ঘটে। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাহিত্যপত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। সনদী নাম মুহা. কামরুল হাসান রোকন হলেও এখন তিনি অনন্য কামরুল নামেই সাহিত্যাঙ্গনে পরিচিত একটি মুখ। কবিতা, ছড়া, ছড়ানাট্য, গান, গল্প, অণুগল্প ইত্যাদি মাধ্যমে তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ। একাধিক ভাষায় অনূদিত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন নামকরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকলনে তাঁর লেখা স্থান পেয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে বিএ (সম্মান) ও এমএ সম্পন্ন করে বর্তমানে অধ্যাপনা করছেন ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজে।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: মেঘমৌসুমের স্বরলিপি (কবিতা, ২০১৭), স্কুলপালানো চাঁদ (ছড়া, ২০১৭), পাখির নামে বাড়ি (ছড়া, ২০১৭), ইড়িং বিড়িং তিড়িং তিং (ছড়া, ২০১৯)






















তন্ময় ও সুস্ময় নামের দুই জমজ ভাইয়ের কার্যকলাপ নিয়েই “আলোকিত মানুষ ” গল্পটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এই দুভাই পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী কিন্তু তাদের শিক্ষক পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন। এক ঈদে তিনি তার শিক্ষার্থী দের প্রত্যেককে এমন এক একটা ভালো কাজ করতে বলেন, যে কাজের উজ্জ্বলতার রেশে তাদের চারপাশ আলোকিত হবে এবং তারা আলোকিত মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবে।




মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।

There are no reviews yet.