Additional information
| Weight | 0.250 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.99 $ 2.65
‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’। ‘পাতা নড়ে’ এর স্পন্দনটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেত তাহলে কোনো কথাই ছিল না। আসলে তো ঝরেপড়া জলবিন্দু পাতার সাথে আমাদের অন্তরাত্মাকে নাড়াতে নাড়াতে নিয়ে যায় সমুদ্র থেকে মহাসমুদ্রে। অণুগল্প সে-রকমই কিছু।
| Weight | 0.250 kg |
|---|---|
| Published Year |
আমি কী আর জন্মেছিলাম মানুষ হিশেবে?
জন্মেছিল আবু তাহের, এই লোকটা কে?
মুখ চিনি না তবু মুখের আদল ধরে হাঁটি
শরীর খুলে বাইরে এসে ছায়ায় পরিপাটি।
আমি হয়তো ছায়ার মানুষ, শরীর আরেকজন
তার শরীরেই আড়াল হয়ে বাঁচার আয়োজন।
কার সে জীবন আমার কাঁধে, আমি-ই যে হায় কার
একই সাথে খাচ্ছি-দাচ্ছি ঘুমোচ্ছি আবার।
আমার যে, সে কোথায় থাকে? কোথায় বাড়িঘর?
তার সাথে কী বদলেছে এই আমার টিনের ঘর?
গোধূলির জাদুকর
সোলায়মান সুমনÑ জন্ম ১মে ১৯৭৯, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। তরুণ বয়সে লেখালেখি শুরু। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস। পেশায় শিক্ষক। ত্রৈমাসিক অনুপ্রাণন প্রকাশনের সাথে যুক্ত। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ: মুই তোরে কোচ পাং (২০০৯), সম্পাদনাÑ পঞ্চায়ুথ। সম্পাদিত পত্রিকাÑ রুদ্র, গল্প।
বাংলা সাহিত্যের সেরা গল্প
সুলতানা শাহরিয়া পিউ, জন্ম ২ অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সংগীত চর্চা করেন। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। শিক্ষকতা করেন। তার প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থ- মেঘের সাথে কথা (কাব্যগ্রন্থ), ইংরেজী কাব্যগ্রন্থ ‘ট্রান্সকুইল সেরেনেইড এর অনুবাদ ‘নিমগ্র জলধারা’। বাংলা গীতিকবিতার অনুবাদ ‘অচিন’ দঁহশহড়হি’.
এ্যালবাম- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলপ্রাপ্ত ংড়হম ড়ভভবৎরহমং থেকে আবৃত্তি ‘ভয়েজ টু দ্যা ইটারনাল হোম’ পঞ্চকবির গানের সমবেত কণ্ঠে ‘পঞ্চপ্রভা’।
মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প
হাসান মাহবুব। জন্ম ১৯৮১ সালের ৭ নভেম্বর, ঢাকায়। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সময় তিনি বুঝেছিলেন এ জায়গা তার জন্য নয়। চলে আসেন
আনন্দভ্রম
সাঈদা মিমি। জন্ম ২৯ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৮। বরিশালে। পেশাগত দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের সাহিত্য সম্পাদক। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পাঁচটি। শ্রাবন প্রকাশনী থেকে ২০০৮ এ প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতার বই ‘সব নিয়ে গ্যাছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস।’ দীর্ঘ বিরতির পর আগুনমুখা থেকে ‘ফারাও কুমারী’ Ñ২০১৪ সালে। বাংলার ই-বুক থেকে ই-বই ‘কীর্তনখোলা।’ -২০১৫ সালে। ২০১৬ তে অনুপ্রাণন থেকে কাব্যগ্রন্থ ‘একজন মৃতের ডায়েরী’ এবং কালজয়ী প্রকাশ থেকে ‘শুশুনিয়া পাহাড়’।
ঔরঙ্গজেবের নীল ঘোড়া
শাশ্বত নিপ্পন। জন্ম: মেহেরপুর, মে ১৮, ১৯৭০। পেশা: শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা। এবং সংস্কৃতিকর্মী ও নাট্যকর্মী। তার আরো দুটি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছেÑ অনতিক্রম (২০১৩), পুনরুত্থান (২০১৪)।
অশনির ছন্দ
জুলিয়ান সিদ্দিকী। জন্মÑ ১৯৬৮, পাকশী, পাবনা। বর্তমান আবাসস্থলÑ সৌদি আরব, পেশাÑ চাকুরী। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ লেখেন। প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থÑ উত্তাপ কিংবা উষ্ণতা, কম্পেন্ডার, ছায়াম্লান দিন, ভালবাসার যাতনা যত প্রভৃতি। বাংলা লাইভ ডট কম সেরা গল্প পুরস্কার পেয়েছেন।
বিশ্বাসের দহন ও অন্যান্য গল্প
ভাস্কর চৌধুরী মূলত গল্প ও উপন্যাস লেখক। কবি হিসেবেও তার সমান খ্যাতি। লেখার মূল বিষয়বস্তু বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি ও মানুষ। জন্ম- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। শিক্ষাজীবন কেটেছে রাজশাহী শহরে। কর্মজীবনে চলে আসেন ঢাকায়। আশির দশক থেকে তার লেখা প্রকাশিত হতে থাকে। মাঝে দশ বছর দীর্ঘবিরতির পর আবার লেখালেখিতে ফিসে আসেন। রক্তপাতের ব্যাকরণ তার প্রথম গল্পগ্রন্থ। এ পর্যন্ত বিশটিরও অধিক বই লিখেছেন। এর মধ্যে উপন্যাস ধনসা মাতি ও তার জীবনবৃক্ষ, গল্পÑ কৃষ্ণপুরাণ, গন্তব্যহীন যাত্রা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
গল্পের বনসাই
অনিন্দ্য আসিফ। জন্ম- ২৩ মে, ১৯৮১। কতিয়াচর, কিশোরগঞ্জ। পিতা- মোঃ আব্দুল হাই, মা- হাওয়া আক্তার।
শাদা অথবা শূন্য
বিলাল হোসেন। জন্ম ১লা জানুয়ারি ১৯৭৪। মাদারিপুর জেলার রাজারচর কাজীকান্দি গ্রামে। প্রথম প্রকাশিত বই বিরুপা’র শুঁড়িবাড়ি, সেরা ১০০ অণুগল্প। গল্প সংকলনÑ পঞ্চাশ। অণুগল্পের বিষয়-বৈচিত্র্যের অনুসন্ধান। ‘কালজয়ী পঙক্তিমালা’ নামক অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক।
মহাপ্রভু ও অন্যান্য অণুগল্প
সোলায়মান সুমনÑ জন্ম ১মে ১৯৭৯, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। তরুণ বয়সে লেখালেখি শুরু। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস। পেশায় শিক্ষক। ত্রৈমাসিক অনুপ্রাণন প্রকাশনের সাথে যুক্ত।
ছায়াগুলো জেগে থাকে
হাসান অরিন্দম। বাংলাদেশের একজন প্রাবন্ধিক ও গল্পকাররূপে পরিচিত। কথাসাহিত্যই তার সৃষ্টি ও আগ্রহের প্রধান ক্ষেত্র। জন্ম ২৭ এপ্রিল ১৯৭২। শিক্ষাজীবনÑ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বাংলার লোকজীবন ও আবু ইসহাকের কথাসাহিত্য বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
পেশায় অধ্যাপক। ‘একজন মানুষের সম্ভাবনা’, ‘বিদ্যাছায়াবিদ্যা ও অন্যান্য গল্প’, ‘দুরবিনে দেখা কতিপয় দৃশ্য’সহ আরো অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে।
আমাদের দৃষ্টিসীমায় কোন বাতিঘর ছিলো না
‘সহজ কথা যায় না বলা সহজে- রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন। সহজ কথা আসলে বুদ্ধিবৃত্তিক আর সংবেদনার ভাষা, দর্শনের একরকম উন্মোচনই তো!
লীনা ফেরদৌস কবি এবং তার এই কবিতাগুলোর ভেতর শৈশবস্মৃতি, একাকীত্ব, নৈঃসঙ্গ্য-স্বরূপ আর দেশ-ভাবনা ডুব-সাঁতারের মতোই পাঠকের কাছে ধরা দেয়।
‘নদী আসলে নরম নয়-অভিমানের স্রোতে সব ভাসায়।‘
কিংবা-
‘নারীরাই হয়তো নীল আকাশ, প্রতিটি মেঘে লুকিয়ে আছে একটি অপেক্ষমান জন্ম।’
দুটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে লীনার এর আগে, এটি তৃতীয় বই-সম্ভাবনার একরাশ পাপড়ি ছড়ানো লীনার কবিতা। বইটির পাঠক-মনোযোগ আকৃষ্ট হোক প্রভূত পরিমাণে-এই প্রত্যাশা করাই যায় অনায়াসে।
Ataler Padmapuran - Lina Ferdows
দুঃশাসনে পিষ্ঠ জনজীবন ও সাম্প্রতিক অস্থির সময়ের চেহারা জীবন্ত হয়ে উঠেছে এ গ্রন্থের ছোটো ও বড়ো আটটি গল্পে। ক্ষুদে কৃষকের ‘গৃহপালিত গরুটার গতিপথ’ ও শিক্ষার্থী সন্তানের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, ‘কুড়ানি বুড়ি ভাদুর মা’য়ের প্রকৃতি-নির্ভর জীবন-সংগ্রাম, প্রেমিক-প্রেমিকার মিলনতৃষ্ণার মাঝেও ‘দাঁত ভাঙা হাসি’র মতো দুর্ঘটনার শঙ্কা কিংবা ‘কবর’ শাসিত উন্নয়নের পটভূমিতে রচিত গল্পে যে স্বাদ-বৈচিত্র্য, তা যেন সাম্প্রতিক দেশকালের আয়নার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় পাঠককে। ‘জনৈক পেশাদার প্রতিবাদী’র মধ্যেও রাষ্ট্র-ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং স্বৈরাচারী রাষ্ট্রক্ষমতা উৎখাতে গণ-আন্দোলনের প্রকৃত স্বরূপ উন্মোচনে ‘লুণ্ঠিত সিংহাসন’, ‘শখের বাগানে সাপ’ ও একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নিনাদ’-এর মতো গল্প রচনা করে সত্যসন্ধ দায়বদ্ধ শিল্পীর ভূমিকা পালন করেছেন লেখক। প্রথম সাড়াজাগানো গল্পগ্রন্থ ‘অবিনাশী আয়োজন’-এর ধারাবাহিকতায় শক্তিমান এ কথাশিল্পীর চতুর্দশতম গল্পগ্রন্থটিও সাধারণ মানুষের মুক্তিসংগ্রাম ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের শৈল্পিক দলিল হয়ে টিকে থাকবে।
Shokher Bagane Shap - Manju Sarkar
মানুষের জীবন এবং সংসারে প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে নানান ঘটনা। এসব ঘটনা কখনও দুঃখের, কষ্টের, হাসির অথবা সুখের। মানুষের জীবনপট যেন একটা পুরো আকাশ। ক্ষণে ক্ষণে বদলাচ্ছে তার রূপ-সৌন্দর্য এবং প্রেক্ষাপট। মানুষের জীবন যেন আকাশের প্রতিচ্ছবি; এই রোদ এই বৃষ্টি। বয়ে চলা মানব জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত নিয়েই এই উপন্যাস।
কীভাবে বদলে যাচ্ছে চিরচেনা মানুগুলো ও তাদের জীবন। সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে সমাজের ধরণ-ধারা ও কাঠামো। এই উপন্যাসের সময়কাল গত শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত বিস্তৃত। ঐ সময়কার সমাজ, জীবনধারা, ধর্মীয় গতিধারায় মানুষের পদচারণা, মানুষের জীবন ধারার গতিময়তা, প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসা, কেমন ছিল সেই সময়কার দুরন্ত শৈশব সবই ছুঁয়েছে এই উপন্যাস।
বহুদিনকার চেনা-জানা মানুষগুলো মুহূর্তেই কীভাবে বদলে যায়। আবার কেউ কেউ ভালোবাসার সূতোয় বেঁধে সবাইকে আগলে রাখে। একজন মা শত প্রতিকূল পরিবেশেও কীভাবে সত্যিকারের মা হয়ে ওঠেন, রয়েছে তার অপূর্ব-বাস্তব উপস্থাপন। একজন মা অসীম প্রতিকূলতার মাঝেও কীভাবে সন্তান জন্ম দেন, লালন করেন এবং বুকের ভেতর আগলে রাখেন। মায়ের সান্নিধ্যে, অনুশাসনে, ভালোবাসায় বেড়ে ওঠা জীবন সবই প্রস্ফুটিত এই উপন্যাসে। গত শতাব্দীতে ফেলে আসা আমাদের প্রবাহমান জীবনের প্রতিচ্ছবি এই উপন্যাস। দুরন্ত শৈশবকালের ফেলে আসা ঘুড়ির নাটাই বলে দেবে কেমন ছিলাম আর এখন কেমন আছি। কেমন সমাজ ছিল, অনুভূতি ছিল, ছিল ভালোলাগা সবই আছে এই উপন্যাসের বাঁকে বাঁকে।
Bahata Jiboner Bake by Parthasarathi
নুরুন্নাহার মুন্নির কবিতা আমার ভালো লাগে, এমনকি তার সাহিত্যিক তৎপরতাও আমার পছন্দের। কারণ কবি হওয়ার জন্য একজন মানুষের যতটা নিমজ্জন, পরিশুদ্ধতা দরকার- তার মধ্যে সেটা আছে। সামাজিক মাধ্যমেও আমি তাকে অনুসরণ করি, তার কবিতা পড়ি এবং সাহিত্যিক-সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড লক্ষ করি। এবার তার ‘ভ্রূণফুল’ কাব্যগ্রন্থের পাণ্ডুলিপি পড়তে গিয়ে এ ধারণা আরও প্রগাঢ় হলো। সত্যি সত্যি এই বইয়ের কবিতাগুলো আমায় মুগ্ধ করল। সচারচর অনেকে কবিতা লেখার ক্ষেত্রে পরিবেশ স্থানিকতা ভাষা এবং লৈঙ্গিক উপস্থিতি সঠিকমাত্রায় উপলব্ধি করতে পারে না; এতে কবিতায় কৃত্রিমতা ভর করে। কিন্তু মুন্নির ক্ষেত্রে তা ঘটেনি, তার কবিতার বিষয়, ভাষাশৈলী বেশ জীবন্ত এবং ভাবের উদ্রেককারী। একটি গার্হস্থ্য জীবন, সমকালীন রাজনৈতিক জীবন, মানবচরিত্রের কপটতা- তিনি শব্দ, উপমা, উৎপ্রেক্ষার দ্বারা তুলে ধরেন; তাই বলে তিনি ভুলে যান না প্রাণ-প্রকৃতি, প্রেম-রিরংসা, মানবচৈতন্যের রূপবৈচিত্র্য। মুন্নির কবিতার মধ্যে, বাক্যবন্ধের মধ্যে, শিরোনাম ও ভাষাশৈলীর মধ্যে এক সপ্রাণতা রয়েছে- যা কাব্যপাঠককে সহজে উজ্জীবিত করতে পারে, ভাবের ঘরে নিয়ে যেতে পারে। যেমন তার দুএকটি কবিতার কথা উল্লেখ করা যায়- আঙুলের মদ গিলে কামনার খইফুল, গ্রাফিতি জীবন, রক্ত ফোটে গাছে গাছে, মুখোশ পরা দিন, আমার খেয়ালে ছেঁড়া মানচিত্র, কাটা মাদুলীর নিহত স্বর, ঠোঁট ও উদ্ভ্রান্ত বিকেল, জংলি ফুল, বউ হবো, চেনা মুখ অপরিচিত ছায়া। আমার বিশ্বাস কাব্যপাঠক নুরুন্নাহার মুন্নির কবিতার নান্দনিক উপলব্ধি থেকে বঞ্চিত হবেন না।
-মজিদ মাহমুদ
কবি ও প্রাবন্ধিক
Vrunful - Nurunnahar Munni
Joler Grafiti - জলের গ্রাফিতি
আবু সাঈদ আহমেদের জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫। অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নের সময়েই জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সন্দ্বীপে প্রতিবেদন লেখার মাধ্যমে লেখক জীবনে প্রবেশ। কলেজ জীবন হতে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন। কিন্তু লেখাকে কখনোই গুরুত্বের সাথে নেন নাই। তিনিই বাংলা ব্লগের অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার ‘হরবোলা’। অনলাইনে নির্মোহ রাজনৈতিক প্রবন্ধ, তীক্ষ্ম স্যাটায়ার, কবিতা আর অণুগল্প তাকে এনে দিয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। আমমানুষের পক্ষের একজন লেখক ও এক্টিভিস্ট হিসেবে একাধিকবার শারীরিক হামলার স্বীকার হয়েছেন, কিন্তু নীরব হন নাই।
লংকা কিন্তু জ্বলছে না
শিশু-কিশোরদের গল্প পাঠের নির্মল আনন্দ হাস্যরস প্রদান লেখকের মূল উদ্দেশ্য। গল্পের ধারাবাহিকতায় কখনো কখনো গৌণ বিষয়ে হিসেবে এসেছে সমাজের নানা অসঙ্গতির প্রতি তীর্যক বিদ্রুপ, হাস্যরস, মানবিকতা ও শিক্ষণীয় কিছু উপাদান। যাদের উদ্দেশ্যে গল্পগুলো লেখা হয়েছে আমার বিশ্বাস গল্পের নানা কর্মকান্ডে শিশু কিশোরদের মুখে হাসি ফোটাবে, তেমনি ভালো মন্দের মতো কিছু মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করাবে ‘অর্ক নিখোঁজ’ বইটি। বড়রাও পড়ে হাস্যরসের নির্মল আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন না। হয়তোবা ফিরেও পাবেন কৈশোরের কোনো খন্ডিত স্মৃতি। বইয়ের গল্পগুলো ইতিপূর্বে ধানশালিকের দেশ, কিশোর বাংলা ও বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের শিশুকিশোর পাতায় প্রকাশিত।
Arko Nikhoj by Serajuddin Ahmed
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.














There are no reviews yet.