Description
অবিডোস ছোট্ট একচিলতে গ্রাম। গ্রাম না বলে শহরতলী বলা বরং ভালো।
একটা একরৈখিক গলি। তার দু’পাশে ছোট ছোট দোকান। দোকানের সামনে দোকানীরা পসরা সাজিয়ে বসে আছে। হাটবার যেনো। সন্ধ্যা হয়ে গেছে বলে সবাই দোকান গুটিয়ে ফেলার তোরজোরে ব্যস্ত।
আমরা চারজন সারাদিন ভ্রমণের ক্লান্তি দূরে ঠেলে অবিডোসে হেঁটে বেড়াই। আমার ভালো লেগে যায় এই একচিলতে অবিডোস-কে।
হাঁটতে হাঁটতে দেখি একটা ছোট্ট দোকানের সামনে অতিকায় জার। একটা চকলেট গেলাশ। সেই গেলাশ আদতেই আপাদমস্তক চকলেট। দোকানী পর্তুগালের ঐতিহ্যবাহী মদ ঢেলে দেয় চকলেট গ্লাসে। আমি মদটুকু বাদ দিয়ে চকলেট গ্লাসটুকু সাবাড় করে ফেলি। ভিটা, ফ্রান্সিসকা আর মিশু আমার অবাক জলপান দেখে হেসে ওঠে।
এইসব হাসি, আনন্দ, ঘুরে বেড়ানো সিনত্রা, শান্ত দুর্গ, টোমারের বহুমাত্রিক সৌন্দর্য সব মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় আমার অন্তরে। পর্তুগাল যখন ছেড়ে আসছি মিশ্র অনুভূতি হয়। নিজস্ব ঠিকানায় ফেরার তাগাদা একদিকে। অন্যদিকে পর্তুগালের জন্য ভালোবাসা। এই এক সপ্তাহে পর্তুগালের সাথে আমার সখ্য গড়ে উঠেছিল বেশ।
পথ-এর সাথে পথিকের যেভাবে জোড়া লাগে। ক্লান্তির সাথে ঘুমের সখ্যতা যেভাবে একাকার হয়।
যেভাবে সখ্যতা গড়ে ওঠে ভাবনার সাথে কলমের। কলমের সাথে খাতার।
রুল টানা খাতার।






















ইশা সেই ভেজা চোখেই রাতুলের দিকে কিছু সময় তাকিয়ে থেকে মুখে একটু হাসি ঝুলিয়ে বললো “এবার কার জন্য মন খারাপ করছে? ইহানের জন্য নাকি ইহানের আম্মুর জন্য??”
There are no reviews yet.