Description
সরকার হুমায়ুন
সরকার হুমায়ুন ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫
জন্ম গ্রহন করেন। ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার বিরাশী গ্রামে তাঁর স্থায়ী নিবাস। তাঁর পিতা শামাউন মল্লিক এবং মাতা ফিরোজা বেগম ।
সরকার হুমায়ুন পেশায় একজন প্রকৌশলী। বিজ্ঞান লেখক হিসেবে তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি সায়েন্স ফিকশন, বিজ্ঞানছড়া, অনুবাদ, শিশুতোষ গল্প ইত্যাদি বিষয়ে লেখালেখি করেন। তার প্রকাশিত সায়েন্স ফিকশন গ্রন্হসমূহের মধ্যে এলিয়েন ও এলিনা(কালান্তর),এলিসার মঙ্গল অভিযান (শিশু কানন), কিরকিসিয়ার যুদ্ধ (সরলরেখা), রোবটশিশুর পিতামাতা (অনুপ্রাণন) এবং রোবটদের গল্প (অনুপ্রাণন) উল্লেখযোগ্য ।এছাড়াও তাঁর সম্পাদনায় আরও একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে ।
স্ত্রী সাজ্জাত ই জান্নাত হালিমা, পুত্র শামাউন মল্লিক হিমেল এবং সামিউন মল্লিক পরশকে নিয়ে সরকার হুমায়ুন ঢাকায় বসবাস করেন ।



















‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’









নাগরিক বিগ্রহে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ ‘সোনালী রোদ ও কুয়াশা দিন’, যার ডালে বাসা বেঁধেছে ৫৬ টি রংবেরঙের পাখি। বিদগ্ধ সময়, সামাজিক অসঙ্গতি, দ্রোহ ও ভালোবাসা এর সমন্বয়ে হৃদয় ছুঁয়ে যাবার এক অনন্য অনুভূতি। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব ক্রমশ যখন প্রজন্মকে বিপথগামীর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তখন প্রতিরোধের পোস্টার হোক ভালো বই। ব্যস্ততম জীবনের মূল্যবান অবসর প্রাণবন্ত করতে বইয়ের বিকল্প কোথায়?

There are no reviews yet.