Description
ফরিদুল ইসলাম নির্জন। জন্ম ১০ই অক্টোবর ১৯৮৭, সিরাজগঞ্জ জেলায় উল্লাপাড়াতে। সরকারি বাঙলা কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেন। বর্তমানে আইসিএমএবি তে সিএমএ কোর্সে অধ্যয়নরত।
শৈশব থেকেই পড়ার প্রতি তুমুল আগ্রহ, সেই আগ্রহ থেকেই নিয়মিত লিখতে থাকেন। জাতীয় দৈনিকের পাশাপাশি দেশে-বিদেশে অনলাইনেও নিয়মিত লিখছেন। লেখালেখির হাতে খড়ি কবিতা হলেও বর্তমানে কথাসাহিত্য নিয়েই এগিয়ে চলেছেন। বর্তমানে দৈনিক সমকাল এর পাঠক সংগঠন ‘সমকাল সুহৃদ সমাবেশ’ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। বগুড়া সমকাল সুহৃদ সমাবেশ থেকে প্রকাশিত সাহিত্য বিষয়ক কাগজ ‘সুহৃদ বন্ধন ‘ সম্পাদনা করেছেন।
প্রকাশিত হয়েছে ছয়টি গ্রন্থ শিশু-কিশোর গল্পগন্থ ‘স্কুল মাঠে ভূতের মেলা’, রম্য গল্পের বই ‘প্রেমের নাম হাসপাতাল’ ও উপন্যাস ‘আজো খুঁজি তারে’, ‘আশ্রয়’ ,’আপনজন’ এবং জীবনবিলাস। এছাড়াও দৈনিক মানবকণ্ঠ ঈদসংখ্যা ২০২৪ তে ‘পরীতমা’ উপন্যাস প্রকাশিত হয়।
দৈনিক সমকাল এর পাঠক সংগঠন সমকাল সুহৃদ সমাবেশ বগুড়া জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক থাকা অবস্থায় দেশের সেরা সংগঠন পুরস্কার-২০১১, সমকাল সুহৃদ সমাবেশ থেকে দেশের সেরা সুহৃদ একাদশ (সৃজনে) পঞ্চম স্থান, আত্মবিকাশ পাঠচক্র রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান, বাংলা একাডেমিতে সমকাল সুহৃদ সমাবেশ আয়োজিত ‘তারুণ্যে রুখবে সহিংসতা’ রচনা প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান, বাংলাদেশ নারী লেখক সোসাইটি থেকে গ্রন্থ সম্মাননা হিসেবে শুভেচ্ছা স্মারক-২০২২, বাসপ সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ অর্জন করেন।


















মানবজনম যেনো গল্পের মোড়কে আবদ্ধ। প্রতিটি জীবনে কিছু গল্প থাকে। কিছু গল্প প্রকাশ করা যায়, আবার কিছু গল্প হৃদয়ের গহীনে অপ্রকাশিত হয়ে জমা থাকে। যা বলা যায় না। জীবনপাঠে এই অধ্যায়ের বলা বা না বলা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘সে শুধু আড়ালে থাকে’। প্রতিটি গল্প জীবনের সাথে মিলে যাবে। মনে হবে এতো আমার জীবনের গল্প, আমার হৃদয়ের আড়ালে থাকা অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। গল্পগুলো অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। প্রিয়জনকে পাবার অপেক্ষা, না পাবার বেদনা, বিচ্ছেদের সারসংক্ষেপ, বেঁচে থাকার আকুতি, জীবনপাঠে বাস্তবতার মুখোমুখি, আবেগ আর অনুভূতির সংমিশ্রন, নিঃসঙ্গতার সাথে বনিবনা, সুখের বেড়াজাল, বেদনায় কাতরতা অসংখ্য বিষয়বস্তুকে নিয়ে সাজানো হয়েছে গল্পগুলো। বারোটি গল্প, ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।














কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।





দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…


There are no reviews yet.