Description
টিপু সুলতান
জন্ম : ১২ অক্টোবর ১৯৮৬
কেশবপুর, যশোর।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
গৃহ কারাগার, কবিতা ২০১৮
বাইসাইকেল, কবিতা ২০২৩
tipu04.bd@gmail






$ 2.12 $ 2.82
মুখ থেকে শেষ কথাটি কেড়ে নিয়ে যে পাখি রেলিঙের ডানায় আজও বসে রয়েছে। তার যাপনযোগ্য স্পর্শ আর আলগোছ চোখ-
সেসব আমার পুরানো দিনের অবশিষ্ট পরমায়ু ও কবিতা।
টিপু সুলতান
কেশবপুর। যশোর
টিপু সুলতান
জন্ম : ১২ অক্টোবর ১৯৮৬
কেশবপুর, যশোর।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
গৃহ কারাগার, কবিতা ২০১৮
বাইসাইকেল, কবিতা ২০২৩
tipu04.bd@gmail
| Weight | 0.220 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
কামাল মুহম্মদ সত্যসন্ধানী কবি। ‘বধিরের পাঠশালা’ কবির ষষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। তার কবিতায় চিত্রকল্প কল্পনা ও প্রতীকে মূর্ত হয়ে জীবন ও জগতের ইমেজ তৈরি করে। তার বাস্তবতা আর্তের ধ্বনি হয়ে চিৎকার করে এবং শেষতক শিল্পের রূপ-দুয়ার খুলে দর্শনে গিয়ে থামে। তখন কবিতায় দার্শনিকতা যেমন ফুটে ওঠে তেমনই কবিতা হয়ে ওঠে শিল্পমণ্ডিত। কবি আগে সমষ্টিকে ধারণ করেন নিজের ভেতরে। তারপর সামষ্টিক ধারণার অভিব্যক্তিকে শিল্পরূপ দেন কবিতায়। যেমন- ‘ডানার বাইরে যেতে পারে না পাখি’ অথবা ‘আমিকে ভাঙতে ভাঙতে গড়ি/জন্মাই আমি, নাম ধরে ডাকি হেই কামাল? কোথায়?’-এ এক দার্শনিক জিজ্ঞাসা। নিজেকে চেনার-জানার এবং জগৎকে বোঝার। এভাবেই বুনন হয় কবির কবিতা-দর্শন। যে দর্শন মানবিকতা, কল্যাণ, নৈতিকতা ও সৌন্দর্যকে নিয়ে হাঁটে। তিনি যখন বলেন, ‘দাঁড়কাক হই, ডালে বসে ডাকি দুপুরে-ভাত দে, রুটি দে/মদ দে…’ সত্যি সত্যিই আমরা তখন এমন এক জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াই যেখানে আর্তমানবতার হাহাকার ছাড়া কিছুই ভাবা যায় না। এমতাবস্থায় কবিতাকে তিনি যে সত্যের মুখোমুখি নিয়ে যান তাতে একুশ শতকের পোশাক পরা সভ্যতার মুখোশ উন্মোচিত হয়ে পড়ে। গ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় তার এই বোধ বিস্ময়ের উদ্রেক করে। তখন পরিশুদ্ধ এক বাস্তবতা কল্পনা করা ছাড়া পাঠকের আর উপায় থাকে না। গ্রন্থটি পাঠকপ্রিয় হোক।
কবি সরকার আজিজ
Bodhirer Pathshala - Kamal Muhommod
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.








There are no reviews yet.