Description
কামরুন নাহার। জন্ম ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ সালে ঢাকায়। বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা ঢাকায়। শৈশব কেটেছে বগুড়া এবং গাজীপুর সেনানিবাসে।
বাবা মরহুম মো. জহিরুল ইসলাম সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ‘ডেপুটি কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল’ পদে কর্মরত ছিলেন। মা তাহেরা বেগম একজন আদর্শ হোমমেকার। দুই বোন তারা। ভাই নেই। তার বড়ো বোন নূরুন নাহার বর্তমানে সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারি পদে কর্মরত আছেন।
লেখিকার স্বামী মোহাম্মদ জিয়াউল হক বর্তমানে সরকারের যুগ্মসচিব পদে কর্মরত আছেন। তার এক সন্তান। নাম জারিফ।
রসায়ন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। পেশাগত জীবন শুরু করেন শিক্ষকতা দিয়ে। এরপর কেমিস্ট হিসাবে কিছুদিন একটি ওষুধ ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন। ২০০৬ সালে বিসিএসআইআর-এ ‘রিসার্চ ফেলো’ হিসাবে যোগদান করেন। তিন বছরের কিছু বেশি সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন। এসময় ড. মু. কুদরাত-এ-খুদা প্রবর্তিত ‘বিজ্ঞানের জয়যাত্রা’ পত্রিকায় বিজ্ঞান-বিষয়ক লেখালেখি করেন।
২০২১ সালের একুশে বইমেলায় তার প্রথম বই ক্যানসার জয়ের গল্প ‘বাঁচার কী যে আনন্দ’ প্রকাশিত হয় এবং আত্মজৈবনিক শাখায় ‘ত্রৈমাসিক সাহিত্য দিগন্ত লেখক পুরস্কার- ২০২৩’ অর্জন করেন।
২০২৩ সালের একুশে বইমেলায় তার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘প্রেমপত্র’ প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাকারে প্রকাশের আগে পাণ্ডুলিপিটি ‘চলন্তিকা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার- ২০২২’-এ রম্য শাখায় বিজয়ী হয়।
‘শব্দহীন’ তার তৃৃতীয় উপন্যাস।
ইমেইল : piyakm19@gmail.com

























মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।




কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.