Description
কামরুল হাছান। ডাকনাম- মাসুক। জন্ম ১০ ফ্রেবুয়ারী ১৯৮৯। পিতা- হাজী সার্জেন্ট আবুল কালাম, মাতা- সাবিকুন্নাহার। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত কসবা থানার খেওড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে। অনার্স মাষ্টার্স শেষ করে তিনি বিকেএমই থেকে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। পড়াশোনা করছেন আইসিএমএবিতে।
ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন। সাংবাদিকতা থেকে লেখালেখির হাতেখড়ি। ২০১০ সালে শিশু কবি রকি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১৬ সালে সৃজনশীল ব্লগিং প্রতিযোগীতায় সেরা লেখক নির্বাচিত হন। ডেইলী স্টার ও আবুল মনসুর আহমদ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা ২০২০ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া হুজরাখানা উপন্যাসের জন্য প্রিয় বাংলা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২২ লাভ করেন।
হুজরাখানা উপন্যাসই লেখকের একক গ্রন্থ। যৌথ সংকলনে লেখকের অনেকগুলি বই বের হয়েছে। ২০১৩ সালের বই মেলায় দুটি গল্পগ্রন্থে দুটি গল্প: সাই ফাই কালেকশন-আদি প্রকাশনী ( গল্পের নাম স্পাইকাস) এবং জলছবি বাতায়ন- জলছবি প্রকাশনী ( গল্পের নাম- ফাঁসি) প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৪ সালে বই মেলায় দুটি সম্মিলিত বই: স্টেশন-বাংলাদেশ রাইটার গিল্ড প্রকাশনী (গল্পের নাম শিকল) এবং তুমি আমার প্রথম কবিতা- সাহিত্যকাল প্রকাশনী (কবিতার নাম: আমার যখন ইচ্ছে হবে) প্রকাশিত হয়। ২০২০ সালের বইমেলায় অনার্য পাবলিকেশন থেকে অনার্য গল্প লেখা প্রতিযোগিতা ২০২০ এ করোনা যুদ্ধের গল্প- ‘আমরা যেমন ছিলাম’ প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৩ সালের বই মেলায় যৌথকাব্য সংকলন পালকিতে ৩ টি কবিতা এবং বাংলাদেশের ইসলামী ছড়া গ্রন্থে কয়েকটি কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। সর্বশেষ রক্তাক্ত নারী উপন্যাসের জন্য রৌদ্রছায়া পাণ্ডুলিপি পুরষ্কার-২০২৩ লাভ করেন। রক্তাক্ত নারী হচ্ছে লেখকের দ্বিতীয় একক গ্রন্থ। এ ছাড়াও তিনি অসংখ্যা পুরস্কারে ভূষিত হন। উনার লেখা জাতীয় দৈনিকগুলোতে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
তিনি ছাত্রজীবন শেষ করে বিআইডব্লিউটিসিতে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি সোনালী ব্যাংকে চাতলপাড় বাজার শাখার ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি একাধারে লেখক, গবেষক এবং দক্ষ একজন ব্যাংকার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কলেজ পাড়ায় থাকেন। অমর একুশে বই মেলার অনেক স্বনামধন্য প্রকাশনীতে উনার বিভিন্ন লেখা প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশনীগুলো হল, প্রিয় বাংলা, রৌদ্রছায়া, আদি প্রকাশনী, জলছবি বাতায়ন প্রকাশনী, সাহিত্যকাল, শব্দপ্রকাশ, বাংলাদেশ রাইটার গিল্ড প্রকাশনী সহ অনেক প্রকাশনীতে উনার একক, যৌথ কাব্যগ্রন্থ, গল্পপ্রন্থ এবং উপন্যাস রয়েছে।
নতুন উদীয়মান লেখকদের মধ্যে উনার নাম বর্তমানে আলোচিত।
লেখকের ই-মেইল আইডি : kamrul_4528@yahoo.com
ফেসবুক আইডি: kamrulhasanmasuk1












মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।

















দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…
There are no reviews yet.