Description
মো. আইনাল হক
১৯৮৬ সালের ১৩ অক্টোবর পড়ন্ত বিকেলের লাল আভায় ঢাকা সবুজশ্যামলে ঘেরা নির্জন গ্রাম নূরুল্যাবাদ নিখিড়া পাড়ার একটি সংগ্রামশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- মো. আইয়ুব আলী, মাতা- শেফালী বেগম। রাজশাহী কলেজ থেকে (প্রাণিবিদ্যা) স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কলেজজীবনেই কবিতা লেখার হাতেখড়ি। চোখের সামনে ঘটে যাওয়া সমসাময়িক ঘটনা তার লেখার মূল উপজীব্য। মানুষের জীবন দর্শন, প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর রূপ, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানবীয় বৈশিষ্ট্যের ধরন তার চিত্তকে বিমোহিত করে।
বর্তমানে তিনি মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ধনী বিবি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক এবং অনলাইন গ্রুপে তার লেখা গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ নিয়মিত প্রকাশিত হয়। ক্রিকেট খেলা এবং সাহিত্য চর্চা তার শখ। ভালোবাসেন সাধ্যমতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। কবি স্বপ্ন দেখেন, সুষম বণ্টন এবং সমঅধিকার নিশ্চিতকরণ ও আসন্ন সংকট নিরসন হবে বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাসে।












নাগরিক বিগ্রহে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ ‘সোনালী রোদ ও কুয়াশা দিন’, যার ডালে বাসা বেঁধেছে ৫৬ টি রংবেরঙের পাখি। বিদগ্ধ সময়, সামাজিক অসঙ্গতি, দ্রোহ ও ভালোবাসা এর সমন্বয়ে হৃদয় ছুঁয়ে যাবার এক অনন্য অনুভূতি। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব ক্রমশ যখন প্রজন্মকে বিপথগামীর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তখন প্রতিরোধের পোস্টার হোক ভালো বই। ব্যস্ততম জীবনের মূল্যবান অবসর প্রাণবন্ত করতে বইয়ের বিকল্প কোথায়?




















নিলীয়মান পৃথিবীর শরীর থেকে রাতের আঁচল খসে গেলে তার জন্ম মুহূর্তের শুরু। সেই সাথে শুরু অনন্তদিনের গোলকধাঁধাময় যাত্রা। যাত্রাপথের অলিগলি ঘুরে শেষ অবধি ঘরের চৌকাঠে পৌঁছাতে পারা তাই সহজ কিছু নয়। ফেরার পথে কতো অগুনতি গল্পের হাওয়া মনের শরীর ছুঁয়ে যায়! সেই হাওয়াগুলো কখনো হয় কেবল পকেট বন্দি, আবার কখনো তারা বেমালুম ফসকে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনার মতো দু:সাধ্য কিছু নেই। যদিও বা ফেরে, তখন হয়ত বদলে যায় তাদের অবয়ব। কখনো স্বেচ্ছায় মুঠোবন্দি হলে তাদের নাম দেয়া যায় ‘প্রজা কাহিনি’।



There are no reviews yet.