Additional information
| Weight | 0.115 kg |
|---|---|
| Published Year |



$ 1.59 $ 2.12
ভূমিকা-
আমার ৪টি কবিতার বই বিভিন্ন সময়ে কলকাতা এবং আগরতলা থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশের পাঠক বইগুলো হাতে পাননি বলেই সেখান থেকে ১০০টি কবিতা বাছাই করে এই প্রকাশনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুপ্রাণন প্রকাশনের প্রাণপুরুষ শ্রদ্ধাভাজন আবু এম ইউসুফ ভাইয়ের সহৃদয় সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ।
অনুজপ্রতিম তুহিন ভূঁইয়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
রূপনগর আবাসিক এলাকা
মিরপুর, ঢাকা।
| Weight | 0.115 kg |
|---|---|
| Published Year |
কিরণ আকরামুল হক এর “অহেতুক মানুষ” বইয়ের কবিতাগুলি আমাকে পড়তে হয়েছে নানকারণে। প্রথম বই প্রকাশের পর দু’বছর বিরতি দিয়ে কবি নিজেকে প্রস্তুত করেছেন। কবিতার ভেতরের শিল্পকে বুঝতে চেষ্টা করেছেন। রূপক, উপমার সেলাই শিখেছেন। সাথে প্রগতিশীলতার চর্চা থাকায়, ‘অহেতুক মানুষ’ গ্রন্থের প্রায় প্রতিটি কবিতাই কবিতা হয়ে উঠেছে। সমকালীন চিন্তা, বিষয় ভাবনা, আর পরিমিত নির্বাচিত শব্দ-প্রয়োগে অহেতুক মানুষ গ্রন্থের কবিতাগুলিকে কবি কিরণ আকরামুল হক এর ভাবনার পরিণত বুনন বলা যায়। গ্রন্থখানার দারুণ পাঠকপ্রিয়তা আশা করছি।
-ফিরোজ আহমেদ
অহেতুক মানুষ
ভূমিকা
‘সীমান্তিনী’ আমার লেখা দীর্ঘ কবিতার মধ্যে অন্যতম। বারোটি কবিতা নিয়ে এই বইটি। কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে প্রেমের পাশাপাশি পাহাড়ি সৌন্দর্য, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী গারো, হাজং প্রভৃতি আদিবাসীদের সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও তাদের জীবনধারা। পাহাড়ি নারীর সৌন্দর্য, বালুকণা, সমুদ্র, আঁকাবাঁকা-উঁচুনিচু পথের দৃশ্যও এই বইতে চিত্রিত হয়েছে। প্রতিটি কবিতার পাতা রাঙানো হয়েছে ভালোবাসার রঙে।
কিসিঞ্জার ভূঁইয়া
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সীমান্তিনী
সরদার ফারুক। জন্ম ১৯৬২ সালের ৯ নভম্বের, কপোতাক্ষ নদের তীরে খালিশপুরে। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের কাশীপুর। পেশায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ছাত্রজীবন থেকেই প্রগতিশীল ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন। বরিশালে ঘাট শ্রমিকদের ?আন্দোলন, ডেমরায় শ্রমিক কর্মচারি ঐক্য পরিষদের সংগ্রাম ও বাজিতপুরের জেলেদের লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
নব্বইয়ের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তিনি সরকারী চাকরি ছেড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৮৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনও করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লিখছেন। ১৯৮০ সালে বরিশালের অধুনালুপ্ত ‘সাপ্তাহিক লোকবাণী’ পত্রিকায় প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে শামসুর রাহমান সম্পাদিত সাপ্তাহিক বিচিত্রা, দৈনিক দেশ, সংবাদসহ দেশ-বিদেশের নানা পত্র-পত্রিকা, সাহিত্য সাময়িকীতে তার লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
নোনা শহর
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
বিলাল হোসেন-
জন্ম: ১ জানুয়ারি, ১৯৭৪।
জন্মস্থান- মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার রাজারচর কাজিকান্দি গ্রামে।
প্রকাশিত বই-
১. কাব্যগ্রন্থ- বিরুপা’র শূঁড়িবাড়ি(২০১৪)
২. অণুগল্প সংকলন- পঞ্চাশ(২০১৫)
৩. মহাপ্রভু ও অন্যান্য অণুগল্প(২০১৬)
৪. কাব্যগ্রন্থ- একজ্বলাপঙক্তি(২০১৬)
স¤পাদিত বইসমূহ-
সেরা ১০০ অণুগল্প(২০১৫) (প্রিন্ট ভার্সন)
ই-বুক স¤পাদনা-
দেখবে এসো তিলের বাগান
ঝুমকি
কত পথ পার হলাম ঝুমকি;
তবু মানুষ চেনা হলো না!
বারো প্যাচের নারী, চোখে জড়িচুমকির খেল্ দেখালো
অমলেশ সেই দেখে দেখে শেষে উন্মাদের খাতায় নাম লেখালো
পত্রিকার শেষ পাতায় ওকে নিয়ে কতো ফিচার হলো
তবুও অমলেশকে কেউ ভালোবাসলো না।
ঝুমকি পৃথীবির সবচে’ হিংস্র প্রাণী মানুষের
গায়ে বিপদের গন্ধ লেগে আছে;
ফাঁক পেলেই নষ্টামি করতে লেগে যায়
কেউ কেউ বলে সত্যিকারের ভালোবাসা নেই
বড় র্দূভাগা ওরা!
সত্যিকারের ভালোবাসাই দেখেনি চোখে; পাবে কোত্থেকে
প্রেমালিঙ্গম
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
লেখক পরিচিতি :
সুলতানা শাহরিয়া পিউ। জন্ম: ২রা অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সঙ্গীতচর্চা তার শখ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পর্ষদ এর সদস্য, বর্তমানে দীপ্ত টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের সাথে কথা’। অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ: ‘নিমগ্ন জলধারা’। স্ক্রিপ্ট সঙ্কলন: ‘আমরা করব জয়’। গীতিকবিতার অনুবাদ: ‘অচিন’। গল্প সংকলন: ‘মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প’।
আমার দিনগুলো রইলো অসম্পূর্ণ
আবু সাঈদ আহমেদের জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫। অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নের সময়েই জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সন্দ্বীপে প্রতিবেদন লেখার মাধ্যমে লেখক জীবনে প্রবেশ। কলেজ জীবন হতে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন। কিন্তু লেখাকে কখনোই গুরুত্বের সাথে নেন নাই। তিনিই বাংলা ব্লগের অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার ‘হরবোলা’। অনলাইনে নির্মোহ রাজনৈতিক প্রবন্ধ, তীক্ষ্ম স্যাটায়ার, কবিতা আর অণুগল্প তাকে এনে দিয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। আমমানুষের পক্ষের একজন লেখক ও এক্টিভিস্ট হিসেবে একাধিকবার শারীরিক হামলার স্বীকার হয়েছেন, কিন্তু নীরব হন নাই।
লংকা কিন্তু জ্বলছে না
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
‘অশেষ আলোর উপলক্ষ’ বইয়ের সব কবিতাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা। কবিতাগুলোতে আমাদের ত্যাগ, আবেগ ও আক্ষেপ; দেশপ্রেম বলিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সেই সাথে রাজনৈতিক সুবিধাবাদীদের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার, স্বাধীন দ্যোতনায় উদ্দীপ্ত ও উত্থিত। প্রতিটি কবিতায় রয়েছে স্বতন্ত্র সৌরভ। কবিতাগুলো সব বয়সি পাঠকের উপযোগী এবং সহজ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা আমার জন্য সহজ ছিল না। তাকে কোনোদিন দেখিনি। তার মুখের কথা শুনিনি। মুক্তিযুদ্ধ করিনি। টুঙ্গিপাড়া দেখা হয়নি। তার সমাধিসৌধ দেখিনি। সেই মধুমতির জল স্পর্শ করিনি। শুধু উপলব্ধির আলোয় লেখা এই কবিতায় অনুরক্ত হয়ে প্রকাশের আগ্রহ ও সাহস দেখিয়েছেন অনুপ্রাণন প্রকাশনের প্রকাশক আবু মোহাম্মদ ইউসুফ। তার প্রতি রইল অশেষ ভালোবাসা।
আমার সমস্ত কবিতার বনফুল আমার ঘরের ডাক্তার রিতি আক্তার। সে সবকিছু সামলে না রাখলে আমি এতটা অসামাজিক হতে পারতাম না। এই উদ্ভট জীবন উপভোগে আমি তার কাছে ঋণী।
আলী ইব্রাহিম
অশেষ আলোর উপলক্ষ - Asesh Alor Upolokkho
জন্ম ১৯৮৭, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফটোগ্রাফির সাথে যুক্ত। প্রকৃতি আর মানুষ এই দুই নিয়েই তার পথচলা। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রয়েছে
প্রেম হলো প্রেমের মতো
ভূমিকা-
আমার ৪টি কবিতার বই বিভিন্ন সময়ে কলকাতা এবং আগরতলা থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশের পাঠক বইগুলো হাতে পাননি বলেই সেখান থেকে ১০০টি কবিতা বাছাই করে এই প্রকাশনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুপ্রাণন প্রকাশনের প্রাণপুরুষ শ্রদ্ধাভাজন আবু এম ইউসুফ ভাইয়ের সহৃদয় সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ।
অনুজপ্রতিম তুহিন ভূঁইয়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
রূপনগর আবাসিক এলাকা
মিরপুর, ঢাকা।
সরদার ফারুকের ১০০ কবিতা
মানুষ নিজেকে শ্রেষ্ঠ বলার মতো একটামাত্র হৃদয়ৈশ্বর্য আছে- তা হলো প্রেম। প্রেম জীবনকে করেছে মহিমান্বিত, সৃষ্টিকে করেছে সুন্দর। প্রেমহীন সবকিছু নিরর্থক, মিছে। কিন্তু পৃথিবীতে প্রেম বড়োই দুর্লভ। কখন চুপিসারে আসে, আবার চকিতে মিলিয়ে যায়। অনুভব করার আগেই জীবন জুড়ে জেগে ওঠে বিশাল শূন্যতা। রাজীবের জীবনেও প্রেম এসেছিল। রুবীকে ভালোবেসেছিল মনপ্রাণ দিয়ে। কিন্তু প্রেমহীনতার মরুপথে তার ধারাটি শুকিয়ে যায়। তারপর শূন্য জীবন সে বয়ে চলছিল এক রকম। রুবীর সাথে পুনরার দেখা হওয়ায় সেখানেও বেজে ওঠে ভাঙনের গান। অতঃপর দুজনের দুর্বার জীবন কেমন করে কাটবে!
শিরোনামের এই গল্পটির আখ্যান বাদে অন্য গল্পগুলোতেও প্রেমহীন সমাজচিত্রের ছবি চিত্রিত হয়েছে। মহার্ঘ্য যা কিছু তা হৃদয়ে লালন করতে হয়, অনুশীলন করতে হয়। কিন্তু আমাদের সমাজ-রাষ্ট্রে কোথাও প্রেম-ভালোবাসার চর্চা নেই। তাই মানুষ অপ্রেমেই জীবন কাটায়। সেখানে যদি গল্প-পাঠকের অন্তর প্রেমে ঋদ্ধ হয়ে ওঠে তবেই সার্থকতা।
Prem Esechilo by Santosh Kumar Shill
মধুপুরে ওরা গিদিমা রেমাদের মাগাস্তিনগর গ্রামে যাওয়ার পথে এক জায়গায় গাড়ি থামায়। ক্যামেরা, ল্যাপটপ, ব্যাগ সব নিয়ে রওনা হয়। ওখানে সিরিন নকরেক ওদের জন্য অপেক্ষা করছিল। বন বিভাগের সৌজন্যে বনের ভেতরে রাস্তা তৈরি হয়েছে। সিরিন বলে, এই সব বন, সারি সারি শাল-সেগুন গাছ সব এক সময় আমাদের ছিল। আমরা তো বনেরই সন্তান।কিন্তু এ বন আমাদের হাতছাড়া হয়ে গেছে।
রাকিব বলে, আগে যখন রাষ্ট্র ছিল না। একেক জাতি নানা গোত্রে গোষ্ঠিবদ্ধ হয়ে থাকতো তখন খাবার, পানি, ভূমির জন্য অন্য গোত্রের মানুষের সাথে দ্বন্দ্ব ফ্যাসাদে লিপ্ত থাকতো। এখন আধুনিক রাষ্ট্র হয়েছে কিন্তু সেই কামড়া-কামড়ি রয়ে গেছে। এটা হয়তো চিরন্তন, চলতেই থাকবে। তবে মান্দিরা নিজের দেশে, নিজের ভূমিতেও নিজেদের অধিকার নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না। এই আধুনিক রাষ্ট্রযন্ত্র বনের উপর ওদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু ওরা তো বনের সাথে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে বসবাস করে, কোনো ক্ষতি করে না। আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা দেশটাকে শুধু নিজেদের সম্পত্তি ভাবতে শুরু করেছি। এখানে যে অন্য জাতি-ভাষার মানুষ আছে তা যেন গ্রাহ্যই করতে চাই না।
Paroshpor by Novera Hossain
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.












There are no reviews yet.