Description
ভূমিকা :
কবি সম্ভবত কবিতার নামকরণে তেমন বিশ্বাসী নন। কাব্যগ্রন্থের নাম দিলেও সংখ্যা চিহ্নিত করতে ভালোবেসেছেন। হয়তো, তিনি মানেন, একজন কবি সারাজীবন একটিই কবিতা লেখেনÑ নানাভাবে, নানা ভঙ্গিতে। এই গ্রন্থটির সূচনা কাব্যে তাই কবি হাসিকে একটি মুখোশ এবং শেষের কাব্যে তা যে নিজেরই আরেকটি রূপ তা দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন, কবিমনের নিগূঢ় বাসনা, বেদনা ও প্রেম। বেশ কিছু উজ্জল পঙ্কক্তি রচনায় যথেস্ট দক্ষতাও দেখিয়েছেন যা পড়লে মনে হতেই পারে এসবই আমার একজীবনের আলেখ্য।































বর্তমান বাংলাদেশে কবিতার ছদ্মবেশে যারা নির্মাণ করে যাচ্ছেন চিন্তা আর বিমূর্ত বোধের সুনিপুণ ভাস্কর্য, এমরান হাসান তাদের একজন। শিল্পিত বোধ-যাপনের ভেতর দিয়ে এমরান হাসান সৃষ্টি করেন এক অনার্য ঘরানার সাহসী ওঙ্কার। তার চিন্তানির্মাণকৌশল আপোষহীন, প্রথাবিরোধী। নিজস্ব ভাবনাগুলোকে অতিক্রম করে নতুন সত্যের জন্ম দেয় তার নির্মিত চিন্তা। জাগতিক মোহ, তৃষ্ণা আর প্রেমময় তন্দ্রাচ্ছন্নতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাঁর কবিতা। অনশ্বর বোধের সুনিবিড় তৈলচিত্রের গভীর আহ্বান ও রূপকচৈতন্যের বিমূর্ত আলোর মননশীলতা সময়ের পাঠচিন্তাকে পৌঁছে দেয় সুপ্রাচীন এক স্বচ্ছ সরোবরে।




There are no reviews yet.