Description
ভূমিকা :
কবি সম্ভবত কবিতার নামকরণে তেমন বিশ্বাসী নন। কাব্যগ্রন্থের নাম দিলেও সংখ্যা চিহ্নিত করতে ভালোবেসেছেন। হয়তো, তিনি মানেন, একজন কবি সারাজীবন একটিই কবিতা লেখেনÑ নানাভাবে, নানা ভঙ্গিতে। এই গ্রন্থটির সূচনা কাব্যে তাই কবি হাসিকে একটি মুখোশ এবং শেষের কাব্যে তা যে নিজেরই আরেকটি রূপ তা দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন, কবিমনের নিগূঢ় বাসনা, বেদনা ও প্রেম। বেশ কিছু উজ্জল পঙ্কক্তি রচনায় যথেস্ট দক্ষতাও দেখিয়েছেন যা পড়লে মনে হতেই পারে এসবই আমার একজীবনের আলেখ্য।



















মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।









তন্ময় ও সুস্ময় নামের দুই জমজ ভাইয়ের কার্যকলাপ নিয়েই “আলোকিত মানুষ ” গল্পটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এই দুভাই পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী কিন্তু তাদের শিক্ষক পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন। এক ঈদে তিনি তার শিক্ষার্থী দের প্রত্যেককে এমন এক একটা ভালো কাজ করতে বলেন, যে কাজের উজ্জ্বলতার রেশে তাদের চারপাশ আলোকিত হবে এবং তারা আলোকিত মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবে।
There are no reviews yet.