Description
মহাকালের ক্যালেন্ডারে আমরা আমাদের গ্রহ আর আশপাশের বাকি সব নিতান্তই যেন নগণ্য। মহাকালের অনন্তে যেটুকু উপস্থিতি আমাদের তা নিয়ে ভাবনার জন্য প্রথম দিককার কবিতাগুলো। পরের গুচ্ছে যেসব কবিতা সেগুলো প্রবল নস্টালজিয়া আর চিরন্তন ভালোবাসায় জড়ানো। দেশ চেতনা আর প্রতিবাদের কিছু কবিতা সঙ্কলিত হয়েছে এরপর। বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ে ভাবনার কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে তার পরপরই। শেষমেশ এলোমেলো কিছু অনুভূতির কবিতা। সব কবিতাই খুব সহজ ভঙ্গিতে লেখা হলেও ভেতরটা আসলে মোটেও তা নয়। প্রতিটা কবিতাই বহু মাত্রার।





















কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।



There are no reviews yet.