Description
আশরাফ উদ্দীন আহ্মেদ
কবি-কথাশিল্পী-প্রাবন্ধিক।
পিতা- আফতাব উদ্দীন আহমেদ,
আম্মা- বেগম সালেহা আহমেদ।
শিক্ষা- স্নাতকোত্তর(বাংলা ভাষা ও সাহিত্য) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
লেখালেখি কৈশোরেই, অবশ্যই ছড়া দিয়েই হাতেখড়ি, মূলত কবিতা-ছোটগল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ লেখা। বাংলা একাডেমী পরিচালিত ১৯৯৬ এর ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ র তৃতীয় কোর্সে অংশ নেন এবং প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ সীমান্তরেখা ’ ১৯৯৭ সালে প্রকাশ, দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘ চতুর্ভূজ’ (যৌথ) ২০০২ সালে প্রকাশ বইমেলায়, তৃতীয় গল্পগ্রন্থ‘ ভালোবাসা ও এসব নিছক গল্প’ ২০০৬ সালের বইমেলায় প্রকাশ, চতুর্থ গল্পহ্রন্থ ‘পদ্মাপাড়ের গল্প (যৌর্থ) ২০০৭ সালে প্রকাশ বইমেলায় এবং পঞ্চম প্রকাশ,একমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ ‘কথাকার ও কথাসাহিত্য’ ২০১৬ সালে বইমেলায়।
পৈত্রিক আদিনিবাস পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরে, সীমান্ত-সীমান্তের এপার-ওপারের প্রকৃতি ও মানুষ এবং তাদের জীবন ও জীবিকার পিচ্ছিল বিড়ম্বনা গল্পের মূল বিষয়-আশয়।
কবি-গাল্পিক বা কথাশিল্পীর পরিচয় বেশ লাগে, সাহিত্যিক অগ্রজ বন্ধুদের পরামর্শে এবং লিটল ম্যাগাজিন বা দৈনিক সাহিত্য সম্পাদক সাহেবদের অনুরোধে প্রবন্ধ লেখা শুরু, সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধের প্রতি পত্রিকাওয়ালাদের অনেক ঝোঁক, হয়তো সে’ কারণে প্রবন্ধ লেখা। তবে যা লিখি না কেনো, পড়তে ভালো লাগে সময়ে-অসময়ে, নেশা বলতে ওই পড়া, ইতিহাস-সাহিত্য-নৃতত্ত¡-দর্শন প্রভৃতি। পেশা, বেসরকারী চাকুরী, জীবনধারণের জন্য যতোটুকু আবশ্যক, তার বাইরে সাহিত্যই জীবনের অবলম্বন বা দিশা।




























নিলীয়মান পৃথিবীর শরীর থেকে রাতের আঁচল খসে গেলে তার জন্ম মুহূর্তের শুরু। সেই সাথে শুরু অনন্তদিনের গোলকধাঁধাময় যাত্রা। যাত্রাপথের অলিগলি ঘুরে শেষ অবধি ঘরের চৌকাঠে পৌঁছাতে পারা তাই সহজ কিছু নয়। ফেরার পথে কতো অগুনতি গল্পের হাওয়া মনের শরীর ছুঁয়ে যায়! সেই হাওয়াগুলো কখনো হয় কেবল পকেট বন্দি, আবার কখনো তারা বেমালুম ফসকে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনার মতো দু:সাধ্য কিছু নেই। যদিও বা ফেরে, তখন হয়ত বদলে যায় তাদের অবয়ব। কখনো স্বেচ্ছায় মুঠোবন্দি হলে তাদের নাম দেয়া যায় ‘প্রজা কাহিনি’।






There are no reviews yet.