Description
তিতিদের ঘরের পেছনে শিউলি গাছ। শিউলি ফুলের সুবাসে বাড়ির আঙিনা ভরে থাকে। সারারাত টুপ টুপ করে ফুল ঝরে। ফুলের সুবাস পেতে রোজ রাতে জানালা খোলা রাখে তিতি। আজ রাতেও জানালা খুলে রেখেছিল। শরতের স্নিগ্ধ বাতাস আর শিউলি ফুলের মিষ্টি সুবাসে খুশি মনে গুনগুনিয়ে গান গাইছিল তিতি। হঠাৎ একটা লোমশ হাত জানালা দিয়ে তিতির দিকে এগিয়ে আসে। ভয়ে কুঁকড়ে যায় তিতি। তিতির ভয় পাওয়া দেখে জানালার ওপার থেকে হিঁ হিঁ হিঁ শব্দে হেসে ওঠে। তিতি কাউকে না দেখতে পায় না। যেই জানালা বন্ধ করতে যাবে, ওমনি জানালার পাল্লা উধাও। জানালার ওপাশ থেকে আবার সেই হিঁ হিঁ হিঁ শব্দ…




























দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…



There are no reviews yet.