Description
অন্তহীন সময়ের দিকে তাকিয়ে কবি কিষাণীর মতো অবিভূত তো বটেই, নিশ্চই বিমূঢ়ও। এক তন্ময়বোধ তাঁকে আক্রমন করে শিকারী পশুর উদ্যত নখদন্তে। যেখানে সময়ের বালি পাতালের কালি ঠেলে চলেছে অবিশ্রান্ত সেখানে কবির খণ্ডিত অস্তিত্বের অনুভব অনিবার্য ভাবেই টেনে এনেছেন চমৎকার উপমার উপঢৌকন। সুতরাং সমহীনতার কাছ থেকে কবি কখনও কখনও ছিনিয়ে নিয়েছেন সময়ের ক্ষণিক আলো।





















মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।
There are no reviews yet.