Description
মিলি রায়-
কবি ও লেখক মিলি রায়, জন্ম সিলেটের মৌলভীবাজার ১৫ই জানুয়ারি। বেড়ে উঠা ফেনী জেলা শহরে। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন।
প্রকৌশলী বাবা শান্তি রায় ও শিক্ষিকা মা শেফালী বৈদ্যের অনুপ্রেরণায় সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে তার পদচারণা ছোটবেলা থেকেই।
স্কুল জীবনেই ছোট ছোট গল্প দিয়ে তার লেখালেখির শুরু। তবে ভীষণ অন্তর্মুখিনতার জন্য ডায়েরির পাতাতেই সীমাবদ্ধ ছিল সেগুলো।
সংসার ও কবিতার পাশাপাশি আবৃত্তি, গান আর সুই সুতোয় নকশা ফুটিয়ে তুলতে ভীষণ ভালোবাসেন তিনি। এছাড়া বই পড়ার নেশা তার ছোটবেলা থেকেই। দীর্ঘদিনের বিরতি শেষে হঠাৎ-ই তার কবিতার
জগতে আসা। গত দুই বছর ধরে দেশ বিদেশের বিভিন্ন দৈনিকপত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা, প্রথম সারির লিটল ম্যাগাজিন ও অ্যান্থোলজিতে তার কবিতা নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবনে লেখিকা ইঞ্জিনিয়ারিং এ অধ্যয়নরত দুই সন্তানের জননী ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট পদে কর্মরত প্রকৌশলী বিকাশ মল্লিকের সহধর্মিণী।



















আহসান সাহেব অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে এক দুপুরে আক্ষরিক অর্থে ভাঙতে শুরু করেন। তার শরীর থেকে খসে খসে পড়তে থাকে অসংখ্য ইটের টুকরো। তিনি কেন ভাঙছেন? অথবা বজরা খালের বাঁশের সাঁকোর ওপর কেন সন্ধ্যাবেলায় উঠে বসে থাকে ফজল আলীর কনিষ্ঠ সন্তান? জলে কোঁচ ফেলার শব্দ শুনে কেন অজ্ঞাত দুঃখে তার কান্না পায়?










তন্ময় ও সুস্ময় নামের দুই জমজ ভাইয়ের কার্যকলাপ নিয়েই “আলোকিত মানুষ ” গল্পটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এই দুভাই পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী কিন্তু তাদের শিক্ষক পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন। এক ঈদে তিনি তার শিক্ষার্থী দের প্রত্যেককে এমন এক একটা ভালো কাজ করতে বলেন, যে কাজের উজ্জ্বলতার রেশে তাদের চারপাশ আলোকিত হবে এবং তারা আলোকিত মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবে।



There are no reviews yet.