Description
তামান্না চৌধুরী অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয় থেকে এস. এস.সি। বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ থেকে এইচ. এস. সি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
তিনি পেশায় শিক্ষিকা, ম্যাপল লীফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ধানমণ্ডি, ঢাকাতে কর্মরত। তার ইনট্যুশন মানে অন্তর দৃষ্টি বেশ প্রখর। মানুষ চিনতে তিনি সাধারনত ভুল করেন না। অশ্রু তাকে সহজেই প্রচন্ডভাবে প্রভাবিত করে। পরিচিতেরা দেবার চেয়ে নেয় বেশী। তিনি একই সাথে প্রচন্ড আবেগপ্রবন, উদার, ও আত্মবিশ্বাসী। তিনি মিশুক- খোলা মনের একজন মানুষ। সহজেই সবার সাথে মিশে যেতে পারেন। লক্ষ্য অর্জনের জন্য কষ্ট স্বীকারে তার কোন কুন্ঠা নেই। তিনি নির্ভীক, কারণ লেখক জানেন, জগতটা সাহসী মানুষের জন্য।
“সারভাইভেল অফ দা ফিটেস্ট” ডারউইনের সুত্রটা তিনি মানেন। তার জন্ম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মেয়ে হয়ে জন্মানোতে তার বাবা খুবই খূশি ছিলেন। তার প্রথম মেয়ের মহাধুমধামে আকীকা করে নাম রাখলেন তামান্না। যার অর্থ হলো “আশা” বা “ইচ্ছা।”





























মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।

আহসান সাহেব অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে এক দুপুরে আক্ষরিক অর্থে ভাঙতে শুরু করেন। তার শরীর থেকে খসে খসে পড়তে থাকে অসংখ্য ইটের টুকরো। তিনি কেন ভাঙছেন? অথবা বজরা খালের বাঁশের সাঁকোর ওপর কেন সন্ধ্যাবেলায় উঠে বসে থাকে ফজল আলীর কনিষ্ঠ সন্তান? জলে কোঁচ ফেলার শব্দ শুনে কেন অজ্ঞাত দুঃখে তার কান্না পায়?



There are no reviews yet.