Description
আবদুল মান্নান সরকার, পিতা- এমদাদ আলী সরকার ছিলেন শিক্ষক, মাতা- নূরজাহান বেগম গৃহিণী। তিন বোন, চার ভাইয়ের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। জন্ম ১৯৫২ সালে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার বৃ-শালিখা গ্রামে মাতুলালয়ে। পেশা- অধ্যাপনা। স্ত্রী- হোসনে আরা বেগম, উপ-পরিচালক হিসেবে অবসর নেন পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন থেকে। বাল্য ও কৈশোর কেটেছে পদ্মা, বড়াল বিধৌত পাথারের উদার প্রকৃতি ও মানুষের মাঝে। সেই কৈশোর থেকেই ছিল পাথারের বাথানগুলোতে আসা-যাওয়া, সময় কেটেছে বাথানের মইষাল-রাখালদের সাথে, আর নদী-খাল-বিলে মাছ ধরে। তারপর তরুণ বয়সে রাজনীতির কর্মী হিসেবে সাধারণ মানুষের সাথে জানাশোনা। ১৯৯৫ থেকে লেখালেখি শুরু।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
উপন্যাস- ‘পাথার’, ‘যাত্রাকাল’, ‘কৃষ্ণপক্ষ’, ‘নয়াবসত’, ‘জনক’ (১ম খণ্ড), ‘জনক’ (২য় খণ্ড), ‘আরশি নগর’, ‘আনন্দ’,
গল্পগ্রন্থ- ‘দুই দিগন্তের যাত্রী’, ‘নিরাকের কাল’, ‘নীল পাথরের বিষ’,
কাব্য- ‘তোমার পায়ের ধুলো হবে’, ‘এলোকেশীর সাতকাহন’, ‘নীরবতার গান’,
পুরস্কার ও সম্মাননা : ‘কথা সাহিত্যে জীবনান্দ পুরস্কার- ২০১৮ সাল, সম্মাননা বাংলা বিভাগ (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), সম্মাননা বাংলা বিভাগ (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া), ‘স্মারক বক্তৃতা- বাংলা বিভাগ (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)





















































আহসান সাহেব অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে এক দুপুরে আক্ষরিক অর্থে ভাঙতে শুরু করেন। তার শরীর থেকে খসে খসে পড়তে থাকে অসংখ্য ইটের টুকরো। তিনি কেন ভাঙছেন? অথবা বজরা খালের বাঁশের সাঁকোর ওপর কেন সন্ধ্যাবেলায় উঠে বসে থাকে ফজল আলীর কনিষ্ঠ সন্তান? জলে কোঁচ ফেলার শব্দ শুনে কেন অজ্ঞাত দুঃখে তার কান্না পায়?
There are no reviews yet.