Description
কবিতার আঙ্গিক রচনায় শব্দাড়ম্বর ও চটুলতা না রেখে অলংকার প্রয়োগে নৈপুণ্যের ছোঁয়া থাকলে শিল্পতরু জায়মান হয়। আর তা যদি হয় বস্তুগত স্বরূপের উপর গুরুত্ব না দিয়ে অভ্যন্তরীণ উপলব্দির রেখাপাত তাহলে তাকে বলা যেতেই পারে মুন্সয়ানার ঘটক! এমনি কবি সিদ্দিক প্রামানিক মানবমনের চরমতম অনুভূতিকে রঙে পর্যবাসিত করেছেন দক্ষতায়। যা পড়লেই অন্তরসত্যের প্রকাশ কতটা জরুরি এবং তা যে শিল্প বিমূর্ততার প্রতীক বোঝা যায়। এছাড়া পরিচ্ছন্ন বিশ্বাসভূমি নেই বলে সুন্দরের প্রত্যাখানে পাপ ও দুঃখে বর্তমান সময় ধর্মের অপব্যাখ্যায় ‘সৃষ্টিকর্তা মানুষের সারথ্যে চলেছেন বিরাটের মধ্যে’ মানতে রাজি নন। অবশ্যই সময় এখন বাতাবরণ ছিন্ন করবার, চোখ মেলে দেখবার ও প্রতিবাদ করবার, রাষ্ট্রযন্ত্রের উদাসীনতায়। এমনি বইটির পাঠ শেষে মনে হয় রণ’কে বলছেন, সৃস্টির সমাপ্তিতে রেখেছি কল্লোল!





















মানবজনম যেনো গল্পের মোড়কে আবদ্ধ। প্রতিটি জীবনে কিছু গল্প থাকে। কিছু গল্প প্রকাশ করা যায়, আবার কিছু গল্প হৃদয়ের গহীনে অপ্রকাশিত হয়ে জমা থাকে। যা বলা যায় না। জীবনপাঠে এই অধ্যায়ের বলা বা না বলা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘সে শুধু আড়ালে থাকে’। প্রতিটি গল্প জীবনের সাথে মিলে যাবে। মনে হবে এতো আমার জীবনের গল্প, আমার হৃদয়ের আড়ালে থাকা অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। গল্পগুলো অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। প্রিয়জনকে পাবার অপেক্ষা, না পাবার বেদনা, বিচ্ছেদের সারসংক্ষেপ, বেঁচে থাকার আকুতি, জীবনপাঠে বাস্তবতার মুখোমুখি, আবেগ আর অনুভূতির সংমিশ্রন, নিঃসঙ্গতার সাথে বনিবনা, সুখের বেড়াজাল, বেদনায় কাতরতা অসংখ্য বিষয়বস্তুকে নিয়ে সাজানো হয়েছে গল্পগুলো। বারোটি গল্প, ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।

There are no reviews yet.