Description
কবিতার আঙ্গিক রচনায় শব্দাড়ম্বর ও চটুলতা না রেখে অলংকার প্রয়োগে নৈপুণ্যের ছোঁয়া থাকলে শিল্পতরু জায়মান হয়। আর তা যদি হয় বস্তুগত স্বরূপের উপর গুরুত্ব না দিয়ে অভ্যন্তরীণ উপলব্দির রেখাপাত তাহলে তাকে বলা যেতেই পারে মুন্সয়ানার ঘটক! এমনি কবি সিদ্দিক প্রামানিক মানবমনের চরমতম অনুভূতিকে রঙে পর্যবাসিত করেছেন দক্ষতায়। যা পড়লেই অন্তরসত্যের প্রকাশ কতটা জরুরি এবং তা যে শিল্প বিমূর্ততার প্রতীক বোঝা যায়। এছাড়া পরিচ্ছন্ন বিশ্বাসভূমি নেই বলে সুন্দরের প্রত্যাখানে পাপ ও দুঃখে বর্তমান সময় ধর্মের অপব্যাখ্যায় ‘সৃষ্টিকর্তা মানুষের সারথ্যে চলেছেন বিরাটের মধ্যে’ মানতে রাজি নন। অবশ্যই সময় এখন বাতাবরণ ছিন্ন করবার, চোখ মেলে দেখবার ও প্রতিবাদ করবার, রাষ্ট্রযন্ত্রের উদাসীনতায়। এমনি বইটির পাঠ শেষে মনে হয় রণ’কে বলছেন, সৃস্টির সমাপ্তিতে রেখেছি কল্লোল!

















মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।

There are no reviews yet.