তামান্না চৌধুরী

তামান্না চৌধুরী অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয় থেকে এস. এস.সি। বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ থেকে এইচ. এস. সি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।

তিনি পেশায় শিক্ষিকা, ম্যাপল লীফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ধানমণ্ডি, ঢাকাতে কর্মরত। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে সুদীর্ঘ কাল চাকরি করার সুবাদে সব মজার মজার অভিজ্ঞতা তিনি প্রায়ই শেয়ার করেন। লেখিকা বাচ্চাদের চাইল্ড সাইকোলজি বেশ ভালো ভাবেই বুঝেন। গল্প লিখতে গেলে তিনি একজন শিশুর চোখেই পুরো বিষয়টা দেখার চেষ্টা করেন।

তবে স্কুল জীবন একবারে শিশুকাল থেকেই তার লেখালেখি শুরু। স্কুলে তার মনটা পড়ে থাকতো ক্লাসের বাইরে। মন মোটেই বসতো না ক্লাসে।তার ভালো লাগতো মানুষকে পর্যবেক্ষন করতে। তাদের মুখ , চোখের ভাষা কিংবা বিভিন্ন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের মুখের রং, আচরনের পরিবর্তন দেখতে! মাঝে মাঝে ভেবে অবাক হতেন; কি করে একটি ভয়ঙ্কর পোকা থেকে এতো সুন্দর প্রজাপতি হয়!তার চোখ প্রায়ই জানালা গলিয়ে, মাঠ পেরিয়ে চলে যেতো দূরের গাছে; যেই গাছে ডাকতো সবুজ, হলদে, সাদা আর কালো পাখিরা।

মাঝখানে তার লেখার অনেকটা বিরতি ছিল। তবে এখন কিছুটা নিয়মিত লেখার চেষ্টা করেন। গল্প লিখতে তার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে।তার আরো ভালো লাগে বই পড়া, ঘুরতে যাওয়া।গল্প,কবিতা লেখা,পছন্দের গান শোনা। অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া তার পছন্দ নয়। অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করেন।

তিনি লিখতে প্রচন্ড ভালোবাসেন এবং তার লেখাকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।তার লেখা বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকী ও ঈদ সংখ্যাতে প্রকাশিত হয়েছে।বাংলাদেশ বেতারে বিভিন্ন সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠানে লেখিকা নিজের লেখা উপস্থাপন করে থাকেন।বর্তমানে বিভিন্ন অনলাইন পেইজেও নিয়মিত লিখে থাকেন।বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ আয়োজিত মাসিক সাহিত্য সভার তিনি নিয়মিত গল্পকার।

তামান্না চৌধুরী

Showing the single result

Show:

বিড়াল ছানা স্ন্যাফার

Highlights:

একটা বিড়াল ছানা

কিভাবে সবার মন জয় করে একটা পরিবারের সদস্য হিসাবে নিজেকে মানিয়ে নেয় তাই প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এই গল্পে।

ক্লাস সিক্স পড়ুয়া নীলার বাবা  বাদামী রংয়ের ঠোঙায় করে কদম ফুলের মত একমুঠ পরিমান বিড়ালছানা নিয়ে এলেন। সেই  সুন্দর বিড়ালছানার মজার মজার সব কান্ডকারখানা এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। বিড়ালের নামকরণ বিশ্লেষণ, মেহমান মুদ্রাদোষ বশতঃ পা নাড়লেই পাক্কা শিকারীর মত বিড়ালছানার সেই পা জাপটে  ধরা, বিড়ালের উলের বল নিয়ে খেলা, ক্যালকুলেটর টিপে ভিতরের সংখ্যাগুলোর নড়াচড়া অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখা ইত্যাদি  খুটিনাটি কিছুই বাদ পড়ে নি লেখিকার চোখ থেকে। একজন শিশুর চোখেই তিনি পুরো বিষয়টা দেখেছেন।

ইংরেজি  মাধ্যম  স্কুলে সুদীর্ঘ কাল  চাকরি  করার সুবাদে মজার মজার অভিজ্ঞতা তিনি প্রায়ই শেয়ার করেন। লেখিকা বাচ্চাদের চাইল্ড সাইকোলজি  বেশ ভালো ভাবেই বুঝেন। গল্প লিখতে গেলে একজন শিশুর চোখেই বিষয়টা দেখার চেষ্টা করেন।

বিড়াল ছানা স্ন্যাফার

$ 1.76 25% Off
Scroll To Top
Close
Close
Shop
Sidebar
0 Wishlist
1 Cart
Close

My Cart