Description
লতিফ জোয়ার্দার (কবি ও কথাসাহিত্যিক)
জন্ম : ১ মার্চ ১৯৭০ খ্রি.
পিতা : মৃত ইয়াকুব আলী জোয়ার্দার।
মাতা : মফেজান বেওয়া।
ভাইবোন : ছয় ভাই, ছয় বোন।
জন্মস্থান : গ্রাম-ফরিদপুর, পোস্ট-মুলাডুলি
উপজেলা- ঈশ্বরদী, জেলা-পাবনা।
লেখাপড়া : প্রাথমিক- মুলাডুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুলাডুলি এবং রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজাপুর, বড়াইগ্রাম। উচ্চ বিদ্যালয়- সাড়া মাড়োয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়, ঈশ্বরদী এবং রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বড়াইগ্রাম, নাটোর। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়- এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা।
লেখালেখি শুরু : পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াকালীন ১৯৮০ সালে। প্রথম প্রকাশিত কবিতা- ১৯৮৩ সাপ্তাহিক জংশন। জাতীয় পত্রিকা- দৈনিক বার্তা ১৯৮৬ সাপ্তাহিক ছুটি ১৯৮৭।
সম্পাদনা শুরু-ত্রৈমাসিক কমলা-১৯৮৬, সেতু-১৯৮৮।
প্রকাশিত গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ: এক সুন্দরের অপমৃত্যু, ছুঁয়ে দিবো জলের শরীর, আহত আঁধার, যে শহরে তুমি নেই সে শহর অন্ধ বধির, মন এক বেদনার কারখানা, এক রাজসিক কীর্তির কথা মনে পড়ে, নির্বাচিত ১০০ কবিতা, নিষিদ্ধ প্রিয়ার চুম্বন, পোয়াতি ধানের ব্যাকরণ, সুখগুলো সাদা শার্টের বুক পকেটে রাখি, তাপসী পাহান।
ছোটোগল্প : তীব্র আলোর শহর, কিছু কিছু সুখ অথবা অসুখ, ভাত ও ভাতারের গল্প, প্যারিস রোড, সুবর্ণ কঙ্কন পরা ফর্সা রমণীরা, ইঞ্জিন চালিত মানুষ।
উপন্যাস : নো মিসকল, আজ বৃষ্টির মন ভালো নেই, যে কথা হয়নি বলা, কান পেতে রই, প্রথম প্রেম দ্বিতীয় বিরহ, ফতোয়ানামা, সোনাপাখি, নন্দিত অসুখ, যাও পাখি বলো তারে, বাউন্ডুলে মন, সুগন্ধি রুমাল।
শিশুতোষ : ভূত বড় অদ্ভুত, ড্রাগন এলো দেশে।
সম্পাদনা : শূন্যের গল্প।
সম্পাদিত ছোটোকাগজ: সবুজস্বর্গ, চৌকাঠ, গল্প ২১।
E-mail : shabujshargo@gmail.com


























‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’
There are no reviews yet.