Additional information
| Weight | 0.175 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.32 $ 1.76
আয়নায় বিধ্বস্ত মুখ
গতরাতে যে স্বপ্ন তুমি এঁকে দিলে স্বরন্দ্র চোখের ভেতর
তারপর থেকে আমি বুঝে গেছি, ভালোবাসা কোনো ভেড়ার
পাল নয়
যখন যেদিকে খুশি তাকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।
যারা এসেছিল জীবনে, হাতে নিয়ে আলোকবর্তিকা
হয়তোবা আমি-ই করেছি তাদের বিতাড়িত
আর পাহাড়ের ঝরনার মত বয়ে যাওয়া কতগুলো
ব্যথা বহন করেছি নিজেই, তাঁরা তা টেরও পায়নি
কখনো-
এখনো কোনো কোনো দিন আয়নায় তাদের বিধ্বস্ত মুখগুলো
ভেসে ওঠে নিকষ অন্ধকারে, যতটা না আমি চাই
ভাবি, বুকের ভেতর অতীত বহন করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার।
| Weight | 0.175 kg |
|---|---|
| Published Year |
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
নাহিয়ান ফাহিম। জন্ম: ২৩শে মার্চ, ১৯৮৪। ময়মনসিংহ জেলা। ঢাকাতে বেড়ে ওঠা। মূলতঃ পাঠক, ফলতঃ লেখক। সাহিত্য পত্রিকা ‘জলমাঝি’র সম্পাদক। মার্কেংটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভিনদুপুরের নোটবই’।
মধ্যবিত্ত কবিতা
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
লেখক পরিচিতি :
সুলতানা শাহরিয়া পিউ। জন্ম: ২রা অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সঙ্গীতচর্চা তার শখ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পর্ষদ এর সদস্য, বর্তমানে দীপ্ত টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের সাথে কথা’। অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ: ‘নিমগ্ন জলধারা’। স্ক্রিপ্ট সঙ্কলন: ‘আমরা করব জয়’। গীতিকবিতার অনুবাদ: ‘অচিন’। গল্প সংকলন: ‘মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প’।
আমার দিনগুলো রইলো অসম্পূর্ণ
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
তোমার ভূগোলে আসার পর
ভেবে দেখ
কীরূপ ছিল আমার জয়োল্লাস
আজ ভূগোলের গোলে
থামিয়ে রেখেছি গান
ফেরার পথে নিয়ে যাব
তোমার না-দেখানো
বৃষ্টির সোনালি আগুন
যার জন্য অনেক আগেই আমি
হয়েছিলাম খুন
Brishti : Monomugdhokor Khuni - Emran Kabir
নির্মোহ পৃথিবীর কথা, নামের মধ্যে একধরনের সত্যের অহংকার এবং সাহসের স্বচ্ছরূপ দেখতে পাওয়া যায়। নামকরণ কবির একটি গ্রন্থের তাৎপর্যপূর্ণ সংযুক্তি। হঠাৎ কখনো নামকরণের সঙ্গে বইয়ের বিষয়ের কোনো মিল থাকে না। তবে নামকরণ যে লেখকের সুচিন্তিত একটি অধ্যায়, তা লেখকমাত্র জানেন। আব্দুল্লাহ জামিল একজন স্থিরমগ্ন কবি। তিনি চিকিৎসা পেশার ব্যস্ততার কারণে, খুব বেশি লিখতে পারেন না। তবে, খুব যে কম লেখেন তাও নয়। বর্তমান ‘নির্মোহ পৃথিবীর কথা’ কাব্যগ্রন্থে তিনি কখনো নস্টালজিক, কখনো প্রকৃতিপ্রেমিক, কখনো প্রতিবাদী, কখনো কোমল। তবে তার প্রতিটি উচ্চারণই অকপট, সরল ও সাবলীল। এটি কবিতার একটি অনমনীয় গুণ। ছন্দসচেতনতা তার কবিতাকে আভিজাত্য এনে দিয়েছে। প্রাজ্ঞতা দিয়েছে। তিনি কথা বলার ঢঙে কবিতা লিখে চলেন, তবে তার লেখা বলার চেয়ে অলংকৃৃত। বইয়ের কবিতাগুলোতে কোথাও কোনো ঝুলে পড়া বা মেদস্বর্বস্ব অতিকথন নেই। টানটান সাবলীলতায় তিনি একবার প্রেম আর একবার বিষাদের সংগীত শোনান। তবে তার কবিতার সময় ও মৃত্যুচেতনার বিষয়টি গভীর তাৎপর্য বহন করে। প্রিয়জনের কাছ থেকে অবহেলা, প্রত্যাখানের মতো অনাকাক্সিক্ষত বিষাদও তার কবিতার অন্যতম সমাপ্তি। কবির নির্বাচিত শব্দ আর আর অলংকৃত বিন্যাস, তাকে পরিণতি দিয়েছে। শব্দ ও বাক্যের পরিমিতি বোধ ও আবেগের নিয়ন্ত্রণ তার কবিতার নিটোল চারিত্র।
-ওবায়েদ আকাশ
কবি ও সাংবাদিক
Nirmoho Prithibir Katha - Abdullah Jamil
দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী রমণীদের বসবাস এখানে। ওই সুন্দরীদের রূপের সাথে পাল্লা দেয় যৌবন আর যৌবনের সাথে পাল্লা দেয় রূপ কিন্তু সেটা এক রক্ত নহর বহা একনগরী… স্ত্রীর জন্য ৭ পুরের (গ্রামের) জল ও মাটি সংগ্রহ করে পুব্যা এক যুবক। তবে শর্ত ছিল পথিমধ্যে কারো সাথে কথা-টথা বলতে পারবে না সে। যুবকটি কেন বলছে, হায় নারী! হায় স্ত্রী আমার! তুমি আমার অর্ধেক নও, তুমি আমার পুরো পৃথিবী… এরকম অসংখ্য মজাদার কথামালায় রচিত এই দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা উপন্যাসটি। শরীফ শামিলের লেখনী শক্তি ও কল্পনা শক্তি প্রশংসার দাবি রাখে। তাঁর প্রথম উপন্যাস দীর্ঘ রাত্রির বিরুদ্ধে জেগে থাকা এর ব্যাপারে লিখেছিলাম, ওটি বাংলা উপন্যাসে এক নতুন সংযোজন। আর এ ‘দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা’ উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসে আরেক (সম্পূর্ণ) নতুন সংযোজন।
আবু এম ইউসুফ
প্রকাশক
দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা
আঁকাআঁকি
তুমি যখন আঁকবে শেয়াল
এই কথাটা রাখবে খেয়াল
শেয়াল থেকে মুরগিটাকে একটু দূরে এঁকো-
নইলে শেয়াল মুরগিটাকে করবে হজম দেখো।
আকাশ এঁকে পায়রা এঁকো
কী সুন্দর লাগবে দেখো!
সেই আকাশে শকুন বা চিল এঁকো না ভুল করে-
আঁকো যদি ছোঁ মারবেই পায়রা যাবে মরে।
রাখাল ছেলের বাঁশি এঁকো
কাস্তে হাতে চাষি এঁকো
ভুল করেও এঁকোনা ফের শড়কি লাঠিয়াল-
আঁকো যদি শূন্য হবে চাষির ভাতের থাল।
নৌকা বাউল কবি এঁকো
মুক্তিসেনার ছবি এঁকো
লাল-সবুজের পতাকাটা ধরিয়ে দিও হাতে-
দেখবে পুরো দেশটা কথা বলছে তোমার সাথে।
srl.ul.999@gmail.com
Choragache Ful Futeche by Sarwar-ul-islam
মিলু শামসের নির্ভার গদ্যভাষার সঙ্গে পাঠককে নতুন করে পরিচয় করানোর কিছু নেই। বিষয়ের যুক্তিগ্রাহ্য বিশ্লেষনের সঙ্গে প্রকাশ ভঙ্গির সাবলীলতাকে তিনি এমনভাবে মিশিয়ে দেন যা পাঠককে এক নিশ্বাসে শেষ লাইন পর্যন্ত পড়ে যেতে বাধ্য করে। জীবন ও জগতকে দেখার তাঁর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির কারণে প্রতিটি লেখা হয়ে ওঠে স্বতন্ত্র। প্রখর ব্যক্তিত্বময় দৃঢ় একটি স্বর অণুরনিত হয় পাঠক মননে।
দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত তাঁর নিয়মিত কলামের নির্বাচিত কিছু কলাম নিয়ে সাজানো হয়েছে এই বইয়ের লেখাগুলো।
Sangbadiker Kalam By Milu Shams
পরিচিত
লতিফ জোয়ার্দার (কবি ও কথাসাহিত্যিক)
জন্ম: ১মার্চ ১৯৭০ খ্রিঃ
পিতা: মৃত ইয়াকুব আলী জোয়ার্দার
মাতা: মফেজান বেওয়া
জন্মস্থান: মুলাডুলি, ঈশ্বরদী,পাবনা।
লেখাপড়া: এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা।
প্রকাশিত গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ: এক সুন্দরের অপমৃত্যু,ছুঁয়ে দিবো জলের শরীর,আহত আঁধার, যে শহরে তুমি নেই সে শহর অন্ধ বধির, মন এক বেদনার কারখানা, এক রাজসিক কীর্তির কথা মনে পড়ে, নির্বাচিত ১০০ কবিতা, পোয়াতি ধানের ব্যাকরণ
ছোটগল্প: তীব্র আলোর শহর, কিছু কিছু সুখ অথবা অসুখ,ভাত ও ভাতারের গল্প, প্যারিস রোড,সুবর্ণ কঙ্কন পরা ফর্সা রমণীরা, ইঞ্জিন চালিত মানুষ
উপন্যাস: নো মিসকল, আজ বৃষ্টির মন ভালো নেই, যে কথা হয়নি বলা, কান পেতে রই, প্রথম প্রেম দ্বিতীয় বিরহ, ফতোয়ানামা, সোনাপাখি, নন্দিত অসুখ, যাও পাখি বলো তারে, বাউণ্ডুলে মন, সুগন্ধি রুমাল
শিশুতোষ: ভূত বড় অদ্ভুত, ড্রাগন এলো দেশে
সম্পাদনা: শূন্যের গল্প
সম্পাদিত ছোটকাগজ: সবুজস্বগর্, চৌকাঠ,গল্প২১
সুখগুলো সাদা শার্টের বুকপকেটে রাখি
“বেলা অবেলার গল্প” নামের এই বইটিতে যে গল্পগুলো আছে তা আসলে আমাদেরই গল্প। আমাদের সমাজ, সমাজের মানুষ, এই জনপদ, পরিবেশ, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর নিত্যদিনের গল্প। চরিত্রগুলোও বহুল পরিচিত আমাদের চারপাশের রক্তে, মাংসে গড়া মানুষের মাঝেই সীমাবদ্ধ। এতে মোট বারটি গল্প আছে। তবে প্রতিটি গল্পেই যেমন আছে বিষয় ভিন্নতা তেমনি বৈচিত্র্যময়। অর্থাৎ প্রতিটি গল্পের স্বাদ, গন্ধ আলাদা আলাদা। আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া নিত্যদিনের ঘটনা প্রবাহ, মান অভিমান, প্রেম ভালবাসা, হতাশা পূর্ণতা, বিরহ মিলন, এক কথায় আমাদের জীবনের গল্পগুলোই এখানে রসময় হয়ে স্থান করে নিয়েছে।
Bela Obelar Golpo - Baby Naz Karim
মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।
মুহাম্মদ ফরিদ হাসান বহু বিষয়ে আগ্রহী। সাহিত্যের ছাত্র হয়েও চিত্রকলা বিষয়ে এমন মনোগ্রাহী গ্রন্থ রচনার জন্য তার সাধুবাদ প্রাপ্য। বিশ্বাস করি তার এই বইটি বহু পাঠকের মনে চিত্রকলার বিপুল সমারোহ বিষয়ে উৎসাহী করে তুলবে।
স্বাতী ঘোষ
লেখক ও গবেষক
শান্তিনিকেতন
Citrokolar Jogot by Muhammad Farid Hasan
বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই মিন্তি কলকাতা টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের ডরমিটোরি ‘প্রেমাশ্রয়া’র ২০২ নম্বর স্যুইটের ফ্রিজের তলা থেকে দেখে আসছে মানুষেরা কীভাবে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে; কখনো জয়ী হয়, কখনো হেরে যায়। সবার জন্যই তার ভীষণ মায়া। তবে ঝুমা নামের তরুণীটির জন্য তার মায়াটা বড্ড বেশি। কারণ?
ঝুমা আপু এই স্যুইটে থেকে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে। তার মনটা ভীষণ নরম, সবার জন্য তার খুব মায়া; সবাইকে সে খুব ভালোবাসে। ঝুমা আপু যেন শুধু ভালোবাসার জন্যই পৃথিবীতে এসেছে। মিন্তিও তাই তাকে খুব ভালোবাসে। সে সারাক্ষণ প্রার্থনা করে, ঝুমা আপু যেন সেরে ওঠে।
কিন্তু ঝুমা কি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে জিতবে? নাকি হেরে যাবে? মিন্তিই-বা কেন একদিন নিজের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়বে? যা সে চায় তা কি পাবে?
ব্যাধির বিরুদ্ধে মানুষের প্রাণান্তকর লড়াই। কখনো জয়, কখনো পরাজয়। তার মাঝে সুখ-দুঃখ, মায়া-মমতা-ভালোবাসায় ভরা চিরায়ত জীবনের এক অসাধারণ কাহিনি মৌরী তানিয়ার তিয়াস। একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না হওয়া পর্যন্ত থামা যায় না।
Tiash - Mouri Tania
‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’। ‘পাতা নড়ে’ এর স্পন্দনটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেত তাহলে কোনো কথাই ছিল না। আসলে তো ঝরেপড়া জলবিন্দু পাতার সাথে আমাদের অন্তরাত্মাকে নাড়াতে নাড়াতে নিয়ে যায় সমুদ্র থেকে মহাসমুদ্রে। অণুগল্প সে-রকমই কিছু।
রুখসানা কাজলের অণুগল্প
সময়ের কঙ্কালগুহা পেরিয়ে যে পথ ধুলো জমে নিথর হয়ে আছে, সেই পথে একদিন শব্দ জাগবে, নীরবতা কেঁপে উঠবে, ফিরবে মানুষ—ফিরে আসবে তারা, যাদের চোখে হারিয়ে যাওয়ার অতল রেখা আঁকা ছিল। ‘একদিন ফেরার পথ জেগে উঠবে’—এই পাণ্ডুলিপি কেবল কবিতার সংকলন নয়, এটি প্রতিটি অনুচ্ছেদে হারিয়ে যাওয়া শৈশব, ঝরে পড়া প্রেম, ভাঙা স্বপ্ন আর তীব্র আশার এক অস্পষ্ট মানচিত্র।
এখানে প্রতিটি শব্দ যেন কুয়াশায় লেখা চিঠি, পাঠকের হৃদয়ে এসে খুলে যায়। একাকিত্ব, যুদ্ধ, প্রতিবাদ, অপেক্ষা আর অদৃশ্য ফেরার টান—সব মিলিয়ে কবি বুনেছেন এক গভীর মানবিক আবেগের জাল, যা ছিঁড়ে ফেলাও যায় না, ফেলে রাখাও যায় না।
এই কবিতাগুলো শুধু পড়ার জন্য নয়, থমকে দাঁড়াবার জন্য। মনে রাখার জন্য। এবং শেষে একবার হলেও বলার জন্য—হ্যাঁ, আমিও সেই ফেরার পথের যাত্রী। ‘একদিন ফেরার পথ জেগে উঠবে’— জেগে উঠবে আমাদের ভেতরের নিভে যাওয়া আলো, যেখানে অপেক্ষা করে আছে ফেরা, পরিশুদ্ধ হয়ে।
Ekdin Ferer Path Jage Uthbey - Abu Maksud
বাউল শিরোমণি লালন শাহ্
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.






















There are no reviews yet.