Description
……………………………………….
$ 0.85 $ 1.41
……………………………………….
……………………………………….
| Weight | 0.205 kg |
|---|---|
| Published Year |
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
দীর্ঘ বালুময় পথ অতিক্রম করে আচানক নীরসতা ভেদ করে মায়া ছড়িয়ে ফুটে থাকে বুনোফুল। অথবা জনারণ্যে কোনো শিশু ফুটপাতে বসে মেলাতে চেষ্টা করে জীবনের কূল। সারি সারি বৈদ্যুতিক তারের ভীড়ে নীড় ছেড়ে একা বসে সূর্যাস্ত দেখে একটি ফিঙে। বৈশাখী সন্ধ্যায় হাওয়া ওঠে, পথে পড়ে থাকা বেনামী কাগজ উড়ে যেতে চায় হাওয়ার সঙ্গে। কত মুখ আর মুখোশের খেলা, লেনদেনের পশরা নানা রঙে ও ঢঙে। বেদনা ও সুখের উদযাপন হয় এই মাটি দেহে মৃদঙ্গে। অসুখ, অসময়, মহাজনের মিথ্যা প্ররোচনায় দেশটাও বুড়িয়ে যায়। ইতিহাসের ইতিটুকু বাদ দিয়ে যেটুকু রয়ে যায়, কাঙালি ভোজের মতো সেটুকুও ফুরিয়ে যায়। ভালোবাসা চাঁদের কসম খেয়ে জোয়ার-ভাটায় ডুবে মরে মেঘনায়, ফের পলিমাটির চরে লখীন্দরের সাথে সাক্ষাৎ করে বেহুলায়। শুরু থেকে শেষ কিংবা জীবনের উধ্বর্চাপ-নিম্নচাপ-লঘুচাপ এছাড়াও পাপ-নিষ্পাপ যা কিছু কিছু ঘটে অবচেতন ও চেতনায় তার নিযার্সটুকু নিংড়ে অক্ষর-শব্দ-ভাবনার মিলনের কথা লিখে রাখা হয় কবিতার কাবিননামায়।
Sitagdha by Sanjida Siddiqua
মুখর জীবনগদ্য
বিষয়বস্তু : নগরজীবনের আক্ষেপ, হতাশা, অবসাদ শহুরে মানুষের কর্মব্যস্ততার মাঝে প্রায়ই আড়াল হয়ে রয়। ব্যর্থ পরিকল্পনা, পূরণ না হওয়া আকাঙ্ক্ষার ভিড়ে হীনম্মন্যতা গ্রাস করে সহসাই। অসম বিভেদ, অবসন্ন অবকাশ, যান্ত্রিকতায় পরিপূর্ণ জীবন ছেড়ে নাগরিক অলক্ষিতভাবে খোঁজে স্বস্তির আশ্বাস, অন্তত সাময়িক সময়ের জন্য হলেও। খোঁজে সে প্রেয়সীর সঙ্গ, একঘেয়েমি আবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়ে শ্যামল প্রকৃতির নিবিড় সংসর্গ।
নগরজীবনের এইসব আকাঙ্ক্ষা, অপ্রাপ্তি, হীনম্মন্যতা, অবসাদ, পরিকল্পনা, বিচ্ছিন্নতাবোধ, আত্মকেন্দ্রিকতার সন্নিবেশ নিয়েই এই নগরবন্দি। নগরজীবনের উপেক্ষিত অংশের প্রতিফলন নিয়ে এই বিশেষ নিবেদন।
Nagarbandi - M. Touhidul Islam
পূর্বের কর্মস্থলে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে আমি একটা কাহিনী শুনেছি। হৃদয়বিদারক! ওই প্রত্যন্ত গ্রামে আমি গিয়েছি। ওই বাড়িতেও গিয়েছি কিন্তু বাড়িতে ওরা কেউ থাকে না। মূল মালিকসহ তার স্ত্রী চাঁদপুর শহরেই বাস করেন। বিষয়টি আমার জানার খুব ইচ্ছে। যার জীবনে এই ঘটনা ঘটেছে তার মুখ থেকে আমার শোনার ইচ্ছা। একজন সমাজসেবক অফিসার হিসেবে এগুলো আমার জানা দরকারও। শেষ পর্যন্ত আমার ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়। আমি সদরে বদলি হই। মিসেস শেফালীকে (ছদ্ধনাম) আমি খুঁজে বের করি। বিষয়টি অনেক পূর্বের। তবুও আমার ইচ্ছে তার মুখ থেকে শুনে একটা বই করবো।
শহরে তারা যে এলাকায় থাকেন আমি সেখানে যাই। ওই এলাকার সমাজসেবার কাজের জন্য আমি কিছু নারী পুরুষকে নির্বাচিত করি। মিসেস শেফালী ও তার স্বামী এগিয়ে আসেন। আমাকে সহযোগিতা করেন। আমি ধীরে ধীরে তাদের ঘনিষ্ট হই। ক্রমান্বয়ে আমার প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। নানা খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা হয়। পারিবারিক বিষয়েও। অতঃপর আমি মুল ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করি। মিসেস শেফালীর মুখ থেকেই। প্রথমে তিনি সম্মত হননি। ক্রমাগত আমার অনুরোধে এক পর্যায়ে তিনি ঘটে যাওয়া ঘটনা বলতে সম্মত হন। অতঃপর তার স্বামীর উপস্থিতিতে তিনি মর্মান্তিক ঘটনা আমাকে অবহিত করেন। এ কাজে পরপর দুইদিন আমি তার বাসাতে গিয়েছি। আসুন, তার মুখ থেকেই শুনি।
মেঘনা পারের শেফালী
আলতো ঠোঁটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয়া পাখিদের কলকাকলি, ঝরনার সুরেলা সংগীত, বৃষ্টির বেহালা বাজানো বা নূপুর নৃত্য, নদীর স্রোত বা ডায়মন্ডের মালা গাঁথা ঢেউ তাঁকে হাতছানি দিত, অহরহ। তখন ঘরে বসে থাকতে পারতেন না তিনি- ডাকে সাড়া দিতেন আগ্রহ চিত্তে, দিনে, রাতবিরেতে। এসবের সঙ্গ পান করতেন, বিমুগ্ধ নয়নে। একে অপরকে বুঝতেন। কথা বলতেন অফুরান।
চাঁদের বুড়ি তো নাতী সম্বোধন করে প্রায়ই টেনে নিয়ে যেতেন পড়ার টেবিল থেকে। আদরে-আপ্যায়নে ভরে দিতেন নৈঃশব্দের উঠোন, ঘরের ছাদ, পথঘাট কিংবা জলস্থলের বেশির ভাগ এলাকা। হাসি মাখা গল্প বাড়িয়ে দিতেন সুগোল বাটিতে। কখনো শহরের পাশ ঘেঁষে এঁকেবেঁকে যাওয়া ব্রহ্মপুত্রের কাছে টেনে নিয়ে যেতেন একাকী। আবার কখনো সদলবলে। ঢেউয়ে ঢেউয়ে নাচ তুলতেন। হেসে কুটিকুটি হতেন। এমন উপভোগে ভাগ বসাতে কার না মন চায়! জনৈক ভাবুক তো বটেই সাধারণ সৌন্দর্য-পিপাসুও পিপাসা নিবারণ করতে একশো ভাগ।
শহরের ব্যস্ততম জীবন, আর গ্রামের কিছুটা হালকা আমেজের মধ্যিখানেই তাঁর কেটে যাওয়া সময়ের সিংহভাগ। ফলে, তিনি এক হাতে গ্রহণ করছেন গ্রামীণ সারল্য, আর অন্য হাতে শহরে ব্যস্ততার সুলভ ও দুর্লভ দৃষ্টান্ত। তাঁর কবিতা পাঠে এ সবের মুখরিত ধ্বনি টের পায় পাঠক।
ইদানীং এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিদেশ-বিভুঁয়ের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাও। তাই বলা যায়, বহুমাত্রিক স্বাদে তাঁর লেখার উপাদান।
কালে বেড়ে ওঠা
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.








There are no reviews yet.