Description
…………………………………………..
$ 1.13 $ 1.88
আব্দুল্লাহ জামিল পেশায় একজন হৃদরোগ চিকিৎসক। ১৯৬১ সালের ২৬ জুলাই নরসিংদী জেলার রায়পুরার নোয়াবাদ গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহন করেন শ্রাবন মাসের এক তুমুল বর্ষার দিনে। ছোটবেলায় গ্রামে কাটিয়েছেন কিছুদিন যার স্মৃতি আজো তাঁর কবিতায় দেখা যায়। তিনি SSC (১৯৭৯) ও HSC (১৯৮১) পাস করেন ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে। ১৯৮৮ সালে শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়, বরিশাল থেকে গইইঝ পাস করেন। তারপর FCPS (Internal Medicine) ও MD (Cardiology) ডিগ্রী অর্জন করেন যথাক্রমে ১৯৯৭ ও ২০০১ সালে। বর্তমানে Consultant –Interventional Cardiology হিসেবে একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত আছেন।
ছাত্র জীবন থেকে লেখালেখি শুরু। পেশাগত প্রতিষ্ঠা অর্জন করতে গিয়ে লেখালেখি থেকে বহু বছর দূরে ছিলেন। গত চার বছরের কিছু বেশি সময় ধরে নিয়মিত লেখালেখি করেছেন। এটা উনার সপ্তম কাব্যগ্রন্থ।
প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থ:
কাব্যনাট্য:
পুনরাবৃত্তি (ই-বই, অক্টবর, ২০১২)
কাব্যগ্রন্থ:
অরণ্যে যাবো গৌরী (একুশে বইমেলা, ২০১৩)
স্বপ্নের ফানুশ পুড়ে (একুশে বইমেলা, ২০১৪)
চলো অসম্ভবে যাই (একুশে বইমেলা, ২০১৫)
কোলাজ কার্টুন (একুশে বইমেলা, ২০১৫)
আড়মোড়া ভাঙে ঘুমন্ত শহর (একুশে বইমেলা, ২০১৬)
অতল মন (জুন, ২০১৬)
…………………………..
…………………………………………..
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
লেখক পরিচিতি :
শঙ্করী দাস। জন্ম: ৮ই মে, ১৯৫৮ সনে নিজ জেলা জামালপুরে। কবি প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোÑ গল্প: ‘প্রতিবিম্ব ও অন্যান্য গল্প’ ‘জলমাটির গল্প’ ও ‘রাহুর চন্দ্রগ্রাস’। কবিতাÑ ‘ঘাসবোনা গ্রাম তাঁতবোনা গ্রাম’। স্মৃতিচারণমূলকÑ ‘গণমানুষের স্মৃতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ’। গল্পের জন্যে পেয়েছেন পাক্ষিক ঐকতান (বর্ধমান) পত্রিকা পদক। শিশু কবি রকি সাহিত্য পুরস্কার ও নক্ষত্র সাহিত্য পুরস্কার।
বিহান বেলার ঈশ্বর
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
আবু সাঈদ আহমেদের জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫। অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নের সময়েই জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সন্দ্বীপে প্রতিবেদন লেখার মাধ্যমে লেখক জীবনে প্রবেশ। কলেজ জীবন হতে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন। কিন্তু লেখাকে কখনোই গুরুত্বের সাথে নেন নাই। তিনিই বাংলা ব্লগের অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার ‘হরবোলা’। অনলাইনে নির্মোহ রাজনৈতিক প্রবন্ধ, তীক্ষ্ম স্যাটায়ার, কবিতা আর অণুগল্প তাকে এনে দিয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। আমমানুষের পক্ষের একজন লেখক ও এক্টিভিস্ট হিসেবে একাধিকবার শারীরিক হামলার স্বীকার হয়েছেন, কিন্তু নীরব হন নাই।
লংকা কিন্তু জ্বলছে না
কবিতার মিথকে অগ্রাহ্য না করেও, পরম্পরাকে কবিতায় সন্দেহ না করেও কবি চঞ্চল নাঈম কবিতার অন্তঃস্থলের নিরূপিত একরৈখিক ভাবনাকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে চলেছেন। দুর্বোধ্যতার অর্থ ওঁর কবিতায় দূরবোধ্যতা। সুদূরের বোধ ওঁর কবিতায় নতুন ভাষার জন্ম দিয়েছে। আমরা সাধারণভাবে বাংলা কবিতার যে আবহমান ভাষার সঙ্গে অতি পরিচিত, সেই ভাষাকে ছাড়িয়ে যায় কবি চঞ্চল নাঈমের কবিতা। এই গ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় যেন রয়েছে এক ভাষা বিদ্রোহ। ‘চুপ’ থাকার বিষয়টিকে ওই বিদ্রোহের জন্যই হয়তো কবি সম্মান করছেন ক্ষণিক অবসরে। কবির অবসর আর পাঁচটা মানুষের অবসরের সঙ্গে তুলনীয় হয় না কখনোই। কারণ ভাষার ভিতরে লুকিয়ে থাকা অন্য ভাষা, বিষয়ের ভিতরে লুকিয়ে থাকা অন্য বিষয় সন্ধান করেন কবি। চঞ্চল নাঈমের ‘নুন আর মশলার ঘ্রাণ’ কবিতাগ্রন্থটি দুটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশের নাম ‘ধু ধু মুহূর্ত’ আর দ্বিতীয় অংশ ‘উৎস পাঠ’। ’নুন আর মশলার ঘ্রাণ’ নামকরণে কবিতাটি এই গ্রন্থের সামগ্রিক চিহ্নকে ধারণ করে আছে। বাংলা কবিতার আধুনিক প্রবাহ এবং একই সঙ্গে অতীত ঐতিহ্যের প্রতি প্রবল টান চঞ্চল নাঈমের এই গ্রন্থের সকল কবিতাকে বিশেষায়িত করছে। দুই তিন চার পাঁচ পংক্তির কবিতায় তীক্ষ্মতা, একেবারে গদ্যের চলনে মনের সংকেতগুলোকে প্রকাশ আর আধুনিক স্মার্টনেস এইসব কবিতাকে স্বাতন্ত্র্যে চিহ্নিত করে।
অলোক বিশ্বাস
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
নুন ও মশলার ঘ্রাণ - Nun AAR Moshlar Graan
আমার এই গল্পে বাংলাদেশকে চেনার সুযোগ থাকবে পাঠকের। পরিজন ছাড়া যেমন পরিবার হয় না। অধিবাসী ছাড়া তেমন দেশ হয় না। আমার ছোটগল্পগুলো জীবনকে বোঝার গল্প। সমগ্র জীবন আমরা ছুটে বেড়াই প্রাপ্তির আশায়। ভাঙাগড়ার এই খেলায় মানুষ সবসময়ই হারে। এই হারার অনুভূতি কখনো মানব-মানবীর কাছে হার হয়ে ধরা দেয়, কখনো জয় হয়ে। বইটির নাম দিতে চেয়েছিলাম সমগ্র বাংলা। পরে ভাবলাম বইটি পড়ে পাঠকই বুঝে নিক এই গল্পের নামের সার্থকতা।
—রিয়াদুল হক
দার্জিলিং কনফেশন
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
‘বারুদ মিশ্রিত মৃত্তিকা’ দ্বিতীয় দশকের কবি বিষাদ আব্দুল্লাহ’র প্রথম কবিতাবই। চর্চার শুরু থেকেই নিভৃতচারি হিসেবে চলতি দশকের শেষ সময়ে এসে তাঁর বই প্রকাশ হলো। প্রচারের মোহে ভেসে যায় নি বিষাদ বরং হৃদয়ে বারুদ মেখে বুক ঘষে ঘষে নিজেকে তৈরি করেছেন। এই সময়ে সমাজ, রাষ্ট্র, দর্শন আর রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে উঠতে পারা এত সহজ না। করপোরেট পৃথিবী যেখানে নিয়ত রঙিন হাতছানি দিয়ে ডাকছে, সেই রঙিন পৃথিবী থেকে নিজেকে নিভৃত করাও কঠিন। যে সময়ে প্রেমিকা কবিতা লেখার কারণে টেলিভিশনে দেখে না বলে অভিযোগ করে, পত্রিকার পাতায় বড়-বড় ছবি দেখে না বলে কবিকে নিয়ে হেয়ালি করে, সেই সময়ে নিজেকে এসব দেখানোর বারোবাজি থেকে দূরে রাখা অত্যন্ত দুরূহ। অন্তত প্রেমিকার দাবি মেটাতে গেলেও। বিশেষ করে প্রেমিকার আবদার, সমাজকে দেখানোর বিষয় থেকে বিষাদ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। যার কারণে তথাকথিত দ্বিতীয় দশকের সংকলনগুলোতেও তার কবিতা নেই। কবিতা লেখা সহজ কোন বিষয় নয়, জীবনের দর্শনকে ধারণ করে চিন্তার জগত তৈরি করাও অত মসৃণ নয়। জগতের সবচে কঠিন কাজের একটি। সেই কর্মের দায়ভাগ শুধু কবিতা চর্চাকারী তরুণের একার নয়, দেশেরও। সেই দায়িত্ব দেশকেও নিতে হবে, সুকুমার সৌন্দর্য লালন করতে হবে। শিল্পের জন্য শিল্প, না মানুষের জন্য শিল্প এই বুজরুকি প্রতারণাও শেষ করে দিতে হবে। মানুষের জন্য শিল্পই হোক শিল্পীর অভিস্পা। সেই শিল্প করেও কবিতাকে শিল্পের শর্তে নির্মাণ করা যায়। সুতরাং মানবিক দায় এড়াতে যারা শিল্পের জন্য শিল্প বলে জগতকে ধোঁকা দিতে চায় তাদের কথা আমরা বলবো না। লড়াই দরকার, বিপ্লব প্রয়োজন। ‘বারুদ মিশ্রিত মৃত্তিকা’ হোক সেই বিপ্লবের মন্ত্র। মধ্যবিত্ত তারুণ্যকে আঘাত করে এ লড়াই চলবে…
বারুদ মিশ্রিত মৃত্তিকা
জমা রাখি নির্যাতিত নক্ষত্রের অভিধান কাব্যে উদয় শংকর দুর্জয় একটি বৃহৎ ক্যানভাসে প্রাচ্য
ও প্রতীচ্যের প্রকৃতি ও সমাজ থেকে আহৃত উপচারে কল্পনার অংশুজাল ছড়ালেও জন্মভূমিকে
প্রাধান্য দিয়েছেন। ইয়েটস যেমন এনার্কি ও রক্তপ্রবাহের চিত্র আঁকেন তেমনি উদয় সামাজিক
নিগ্রহ, ধর্ষণ ও সংহারের নিখুঁত পটচিত্র উন্মোচন করেন। শ্রীময়ী চূর্ণিত, পদদলিত হবার পর
বুনো অন্ধকারে যেভাবে পরিপার্শ্ব আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, অথবা
ইয়াসমিন-পূর্ণিমা-রোজিনা-রোমানা-হেনা-নির্ভায়া-নাদিয়া-চাঁদনী-তনু-পূজা হিংস্র নখরে
রক্তাক্ত কিংবা সংহৃত হবার পর তাদের আর্তনাদ যেভাবে বায়ুস্তরে স্বনিত হতে থাকে
তার নির্ভুল দলিল এ কাব্যের রূপকল্পরাজিতে বাঙ্মময় হয়ে উঠেছে। ‘জীবনের মেঘময় প্রচ্ছদ’
জুড়ে যে ‘নিভৃত ক্রন্দন’ পরিব্যাপ্ত তার সমাজতাত্ত্বিক বীক্ষণ এ কাব্যের মূল সুর হলেও
স্বদেশপ্রেম, নিসর্গপ্রীতি ও আশাবাদের ব্যঞ্জনা পাঠককে স্পর্শ করে। ‘মধুখালির জোছনাফোটা
চাঁদের আলো’ কিংবা ‘ লক্ষ্মীবিলাস ধানের ওমে’, সুরভিত বাতাস কবির কাছে প্রিয়তর।
টেড হিউজের ‘Treed with iron’ ইমেজের সাথে উদয়ের ‘অরণ্যের পাঁজরজুড়ে ইস্পাতের
কারুকাজ’ তুলনীয়। উদয় শ্যামল বৃক্ষ, উদার মাঠ ও মীনবহুল নদীর কাছে ফিরে যেতে
চান। ‘চিকচিকে সূর্যের পারাবারে’ তিনি সমস্ত অন্ধকারের দলিল সরিয়ে লিখে
যেতে চান ‘শাশ্বত আলোর বর্ণমালা’।
গৌরাঙ্গ মোহান্ত
কবি ও গবেষক
জমা রাখি নির্যাতিত ঙ্কখত্রের অভিধান - Joma Rakhi Nirzatito Nakkhatrer Ovidhan
পেপারের প্রথম পেজে ছাপা হয়েছে-
বায়ান্ন টুকরো লাশের ছবি, খবরের বাকি অংশ
খুঁজতে হবে দ্বিতীয় আর শেষ পাতায়
তৃতীয়তে পাবেন পাত্র-পাত্রীর খোঁজ,
তারপরেই হারোনো বিজ্ঞপ্তি।
রাজনীতি থেকে নাক চেপে কোনোমতে অর্থনীতি,
ক্রীড়াঙ্গনে গেলেই- কোমর ভাঙা সাপের খেলা
আর একটু এগোলেই ব্যাপক বিনোদন-
নায়িকাদের কে কবে কার বিছানায় গেছে-
শুধু এটুকু জানতেই-
ছয় টাকায় পেপার কিনে বাড়ি বয়ে আনি
শরীরেও হারমোনিয়াম থাকে
মনে করো আমরা আছি আগের সময়েই !
তুমি আমি অবাস্তব ভালোবাসায়
একবার এক পলক দেখার আশায়
মৃত্যু ও জীবনের মাঝে হেঁটে যাওয়া সুন্দর সময়ে ।
Prithibite Sundar Bole Ar Kichui Robe Na by Shaheed Lotus
মহাকালের বুক চিড়ে বেরিয়ে আসা
এক কণ্ঠস্বর আমি
আমি নরের কন্ঠ
নারীর কন্ঠ,
শিশুর কন্ঠ
বৃদ্ধের কন্ঠ,
আমার কোন লিঙ্গ নেই
কোন শরীর নেই
আছে শুধু এক
দুর্বিনীত কন্ঠস্বর
যা মানুষের কথা বলে অবিরত।
আমার ক্ষয় আছে
মৃত্যু আছে
কিন্তু বিনাশ নেই।
এক অবিনাশী কন্ঠস্বর আমি।
Mohakaler Rudro Dhoni by Nusrat Sultana
শহীদ ইকবাল। প্রাবন্ধিক ও উপন্যাসিক। জন্ম ১৩ আগস্ট, ১৯৭০ রংপুর জেলার পীরগঞ্জে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর এবং এখানেই শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন। প্রকাশিত অসংখ্য গ্রন্থ রয়েছেÑ কথাশিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, মুখশ্রীর পটে, কবিতা: মনন ও মনীষা প্রভৃতি। লিটলম্যাগ ‘চিহ্ন’ এর সম্পাদক।
হয়নাকো দেখা
তুরস্ক আধ্যাত্মিক সাধকদের দেশ, মওলানা জালাল উদ্দিন রুমির দেশ। লেখক তুরস্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন সেই আধ্যাত্মিক জগতের ডাকে সাড়া দিতে।
ইস্তাম্বুলে বসফরাস প্রণালী বা সাধারণ কবরস্থান যেন প্রশ্ন এবং উত্তর একইসাথে খুঁজে পাওয়া।
কাপাদোকিয়ার ভূগর্ভস্থ জগৎ আর মেলেন্দিস নদী একটাই সুর ফুটিয়ে তোলে ভাবের জগতের আদান-প্রদানে।
আনতালইয়ার প্রাচীন স্থাপনা বা ভূ-মধ্যসাগরের অভিজ্ঞতা যেন মওলানার পংক্তি ধরে ধরে সেই ধুলোকণা আর নোনা সাগরে উড়াল দেয়া।
যার জন্য পথচলা, উদাস থাকা, যাযাবর জীবন বেছে নেয়া সেই মওলানার পায়ের কাছে লেখক উৎসর্গ করেন নিজের জগৎ।
অনন্য সাধারণ অভিজ্ঞতায় মোড়া ফেথিয়ে শহরে হৃদয়ের অজানা কুঠুরি খুলে যায় তখন, যখন দেখা হয় নিজেরই প্রতিবিম্বের।
দেবী আর্টেমিসের এফেসাস নগরী ফিসফিস করে ফিরে ফিরে এসে গল্প শোনার জন্য। আর সকল ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু ট্রয় নগর থেকে অজানা ভালোবাসা কুড়িয়ে বেড়ানোর আশায় লেখক উড়ে বেড়ান রাজধানী অবধি, দেখা হয় গানের নাইটিঙ্গেলের সাথে।
তবুও শেষ হয় না পথচলা। শেষ গন্তব্যে তাই বুঝি প্রশ্ন করেন এক আচেনা আত্মা–
‘মানুষ যা খুঁজে ফেরে জীবনভর তা কি পায়?’
উত্তর মওলানা জালাল উদ্দিন রুমি দিয়ে গিয়েছেন।
Mawlana Jalaluddin Rumi'r Khoje Turoske by Fatima Jahan
হাসান রোমান্টিক বিপ্লবী। ৮০ এর দশকের স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় অংশিদার। বিপ্লবের স্বপ্নভঙ্গের বেদনা বুকে নিয়ে সে পালিয়ে যেতে চায়।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হাসান কে পথ করে দেয় ইউরোপে পাড়ি দেবার। কিন্তু এই পথ কোনো সহজ পথ নয়—পথের প্রতিটি বাঁকে ওৎ পেত আছে মৃত্যু। লোমহর্ষক যাত্রার শেষে জার্মানের মাটিতে পা দেয় হাসান। অথচ জার্মান নয়, নিয়তি হাসান কে টেনে নিয়ে যায় রোমে।
একদিকে মাফিয়াদের সাথে মিশে একের পর এক বিপদে জড়িয়ে পড়ে, অন্য দিকে ভ্যালেন্তিনার ভালোবাসায় ভেসে যেতে চায়; তাকে নিয়ে নিয়তির এই নিষ্ঠুর নাটকীয়তায় বিপর্যস্ত হাসান কী করবে? জীবনের এই রোমাঞ্চকর যাত্রার শেষ কোথায়?
হৃদয়ের দারুণ দোলাচলে দগ্ধ হাসান, নিঃসঙ্গ হাসান হাঁটতে থাকে জীবনের এক ভয়ানক পথে, কিন্তু এই পথ হাসান কে কোথায় নিয়ে যাবে?
Tobuo Valentina - Tahmid Hassan
বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।
Pure Mossgreen - Abdullah Al Baky
তখন আমি ক্লাস সেভেনে। একটি ছেলের সাথে আমার গাঢ় বন্ধুত্ব। টিফিনের টাকায় খাবার কিনে দুজনেই খাই। সেও আমাকে খাওয়ায়। একদিন সে প্রস্তাব করল, ‘আমাদের বাড়ি চলো।’ আমি সানন্দে রাজি হলাম। প্রথমত, নতুন নতুন বাড়ি যাওয়া আমার শখ। দ্বিতীয়ত, খাওয়ার লোভ। বন্ধুর বাড়ি যাচ্ছি না খাইয়ে ছাড়বে না। সে আমাকে তাদের বসার ঘরে এনে বসালো। আমি সপ্রতিভ হয়ে বসলাম। সে ভেতরে চলে গেল। নিশ্চিত খানিক বাদেই প্লেট ভর্তি খাবার এনে আমার সামনে হাজির হবে। কিন্তু অল্প পরেই বন্ধু খালি হাতে ফিরে এলো। বিষণ্ন মুখে বলল, ‘মা বাড়িতে নেই। তোমাকে কিছু খাওয়াতে পারলাম না।’ এই বলেই সে আবার গেল ভেতরে। ফিরে এলো একটি বই হাতে। বইটি আমাকে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘এটা নিয়ে যাও।’ যেন আমাকে খাওয়াতে না পারার দুঃখ ভোলানোর চেষ্টা করছে সে। গল্পের বই হাতে আমিও বিষণ্ন মনে বাড়ি ফিরি। সেদিনই প্রথম গল্প পড়া শুরু। পড়তে পড়তে আমি অভিভূত আর অবাক। গল্প এতো মজার হয়! বন্ধুর বাড়িতে খেতে না পারার দুঃখ ভুলে গেলাম। ঠিক করলাম একদিন আমিও বড় হয়ে গল্প লিখব। আজ আমি হাতে পায়ে বড় হয়েছি, কিন্তু শিশু-কিশোরদের বই পড়া আজও ছেড়ে উঠতে পারিনি। ভবিষ্যতেও পারব না। এই বইটিতে আমার লেখা ভূতের গল্পগুলো তোমাদের ভালো লাগুক। এই প্রত্যাশা।
– লেখক
Borsha Eley Vutta Ase - Jewel Ashraf
“বৃত্তের মাঝে ” গল্পগ্রন্থে নাম গল্প ” বৃত্তের মাঝে ” সহ মোট সাতটি ভিন্ন স্বাদের গল্প আছে। সব কটি গল্পই গড়ে উঠেছে আমাদের চারপাশের রক্তে মাংসের গড়া মানুষ , তাদের প্রাত্যহিক জীবন,তাদের হাসি- কান্না ,সুখ- দুঃখ,চাওয়া- পাওয়া, ভাল লাগা – মন্দ লাগা ইত্যাদিকে ঘিরে। প্রত্যেকটি গল্পে আছে নানা রকমের সম্পর্কের জটিলতা , মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। তবে প্রতিটি মানুষের জীবনই একটা নির্দিষ্ট গণ্ডি বা বৃত্তের মাঝেই আবর্তিত হয়। বৃত্তের বাইরে যাওয়ার স্বপ্ন হয়তো মানুষ দেখে কিন্তু কতটুকু সফল হতে পারে বা তার বাস্তব রূপায়ণ কতটুকু ঘটাতে পারে এই গল্পগ্রন্থে তারি ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
Britter Majhe - Baby Naz Karim
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.






















There are no reviews yet.