Description
মুহাম্মদ ফরিদ হাসান
জন্ম ১৯৯২। চাঁদপুরের সন্তান। নদী-জল-মাটির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠা। কবিতার সঙ্গে বিশেষ সখ্য। চিত্রকলার প্রতি আশৈশব ঝোঁক। গবেষণায় প্রবল আগ্রহী। জাতীয় দৈনিকে লিখছেন নিয়মিত। প্রকাশিত লেখা তিন শতাধিক। বইয়ের সংখ্যা ২৭টি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স থেকে একাধিক বই প্রকাশিত। ছোটোকাগজ বাঁক ও মৃত্তিকার সম্পাদক।
বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। এমএএস গবেষণা কোর্সে অধ্যয়নরত। কর্মজীবনে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী।
পেয়েছেন দেশজ জাতীয় পাণ্ডুলিপি পুরস্কার- ২০১৭, চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার-২০১৪, হাজীগঞ্জ ফোরাম সাহিত্য সম্মাননা-২০২৪, চাঁদপুর কণ্ঠ ত্রিশবছরপূর্তি লেখক সম্মাননা-২০২৪।
যোগাযোগ : মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, প্রফেসরপাড়া, চাঁদপুর।
E-mail : hasanforid3@gmail.com


















মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।






























তন্ময় ও সুস্ময় নামের দুই জমজ ভাইয়ের কার্যকলাপ নিয়েই “আলোকিত মানুষ ” গল্পটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এই দুভাই পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী কিন্তু তাদের শিক্ষক পড়ালেখার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন। এক ঈদে তিনি তার শিক্ষার্থী দের প্রত্যেককে এমন এক একটা ভালো কাজ করতে বলেন, যে কাজের উজ্জ্বলতার রেশে তাদের চারপাশ আলোকিত হবে এবং তারা আলোকিত মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবে।
There are no reviews yet.