Additional information
| Weight | 0.215 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.76 $ 2.35
বুদ্ধদেব বলেছেন- জীবন দুঃখময়। কথাটা সর্বাংশে সত্য কিনা সংশয় রয়েছে মনে। তবে এটা সত্যি যে, বারে বারে দুঃখ আসে জীবনে। আসে বলতে মানুষ জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতে তার কামনা-বাসনার দ্বারা দুঃখকে ডেকে আনে। যদিও দুঃখকে কেউ চায় না। কিন্তু না চাইতেই মহাসমারোহে হানা দেয় জীবনে। কারণ, আলো-আঁধারের মত সুখ-দুঃখও হাত ধরাধরি করে চলে। তাই কোনমতেই দুঃখকে বাদ দিয়ে শুধু সুখ লাভ সম্ভব হয় না। কিন্তু মানুষ চায় সুখের বন্দরে নোঙ্গর গেড়ে জীবনটা কাটাতে। সেখানে পৌঁছতে গেলে দুঃখের পথ অতিক্রম করেই যেতে হয়। জীবনে দুঃখকে জয় করার মধ্যেই আছে পৌরুষ, আছে বীর্যবত্তা। তাই তাকে শক্তিধারণ করতে হয় দুঃখ জয় করার। “দুঃখ জয়ের গান” পাঠকের অন্তরে সেই প্রেরণা জোগাবে যাতে সে কর্ম-সাধনার মধ্য দিয়ে জীবনটাকে সঙ্গীতমুখর করে তুলতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।
পরিশেষে, বইটির পান্ডুলিপি পাঠ করে মূল্যবান মতামত দিয়েছেন বাংলা সাহিত্যের প্রভাষক নির্জন মজুমদার, কবি দেবী চিত্রলেখা মন্ডল, সাহিত্যিক অমল হালদার, কবি ড. অশোক মিস্ত্রী। তাদের সকলকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। সুস্মিতা ও শ্রেষ্ঠা আমার দুই মেয়ে নিরন্তর স্বপ্ন দেখে চলে কবে বাবার লেখা নতুন বই প্রকাশিত হবে। ওদের প্রেরণা আমার সব সময়ের পাথেয়। প্রথম উপন্যাস প্রকাশ-লগ্নে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। মুদ্রণজনিত ভুল-ত্রুটি পরিহারের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। তারপরও অজ্ঞাতসারে কিছু প্রমাদ থেকেই যেতে পারে। সেজন্যে পাঠকের কাছে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি প্রত্যাশা করছি।
সন্তোষ কুমার শীল
শ্রীরামকাঠী, পিরোজপুর।
| Weight | 0.215 kg |
|---|---|
| Published Year |
মফস্বলের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে বীথিকা রায় তথা বীথির জন্ম। যে শৈশবেই একাধিক উন্নত রাষ্ট্র ভ্রমণ এবং ধ্র”পদী গ্রন্থাদি পাঠ করে বাঙালি হিসেবে নিজের অবস্থান বুঝতে পারে। একইসঙ্গে স্বনামধন্য বাঙালিদের গৌরবময় কর্মকাণ্ডের ইতিহাসও পাঠ করে—কিন্তু তাঁদের প্রতি বর্তমান বাঙালি জাতির বিস্মরণ আর চারিত্রিক অধঃপতন দেখে বিচলিতবোধ করে। উন্নত বিশ্বে বাঙালির বৈষম্যের শিকার হওয়াও তাকে আঘাত করে। ফলে তার ভেতরে দেশোদ্ধারের জাতীয়তাবাদী চেতনার স্ফুরণ ঘটতে থাকে।
বীথিকা জাতিগঠনের পেছনে যে সংস্কারমুক্ত আধুনিক শিক্ষাই প্রধান নিয়ামক সেটা ভালো করেই বুঝতে পারে। আরও অনুধাবন করে, বহির্বিশ্বের জ্ঞানে ঋদ্ধ, অভিজ্ঞ, দেশাত্ববোধসম্পন্ন মেধাবী শিক্ষকরাই কেবল জাতি গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে—রাজনীতিবিদ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সেনাপ্রধান নয়।
ভবিষ্যতের সেই রকম একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রতিকৃতি ও সম্ভাবনা বীথি দেখতে পেয়েছিল কিশোর শংকরের মধ্যে। কিন্তু সামাজিক, মানসিক ও শারীরিকভাবে ছেলেটি ছিল খুবই বিভ্রান্ত এবং দুর্বল তথাপি, একরোখা—ঋজু বীথি হাল না ছেড়ে শংকরকে তার স্বপ্নের আরাধ্য আদর্শ শিক্ষকে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়। এর জন্য তাকে বিনিয়োগ করতে হয় যৌবনের মূল্যবান দীর্ঘ সতেরটি বসন্ত। কিন্তু হারানোর বেদনায় বীথি ব্যথিত নয়, বরং সে সফল, তৃপ্ত এই কারণে যে, দেশ ও জাতি একজন মহান শিক্ষককে পেয়েছে, যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ ও স্বদেশপ্রত্যাগত। তারই ইতিবৃত্ত এই উপন্যাস।
প্রবীর বিকাশ সরকার
অপরাহ্ণে বৃষ্টি
ভূমিকা
লেখালেখি আমার কোনো পেশা নয়, এমন কি নেশাও নয়। তাহলে লিখি কেন? আসলে এখনও পর্যন্ত আমি একজন জীবিত মানুষ। এই সমাজ-সংসারের আরও দশ জন মানুষের একজন। তাদের মতো আমারও ক্ষুধা-তৃষ্ণা আছে। সুখ-দুঃখ আছে। হাসি-কান্না আছে। তাদের মতো আমারও কিছু বলার আছে। তাই কিছু বলতে চাই আমি। যেহেতু আমার অদৃষ্ট আমাকে নির্ধারণ করে দিয়েছে যে, আমি একজন গল্প লিখিয়েই হবো, তাই আমার বলতে চাওয়া কথাগুলো হবে কিছুটা গল্পের মতো। কিন্তু এই গল্প কাকে বলবো? নিশ্চয়ই আমার চার পাশের আর দশ জনকেই বলতে হবে কথাগুলো। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমি কোনো নেতা নই, কোনো বক্তা নই। শব্দ যন্ত্রের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে গেলে আমার কথা কেউ শুনবে না। কারণ, আমি নিতান্তই নিরীহদের একজন। তাই কাগজ-কলমই আমার সম্বল। সুতরাং কোনো শব্দযন্ত্র ছাড়াই বলতে হবে নীরবে। কিন্তু তবু আমাকে বলতে হবে, যা আমি বলতে চাই। বলতে না পরলে হয়তো দম বন্ধ হয়ে আমি মারা যাবো। হয়তো কান দিয়ে শুনতে পাবেন না কথাগুলো, তবে চোখের আলোয় পড়তে পারবেন কাগজে মুদ্রিত কালো অক্ষরে।
জিয়াউল হক
গাইবান্ধা।
ধু-ধু বালুচর
হুমায়ুন কবির।
জন্ম ১৯৫৯ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার দেউটি গ্রামে। বাবা জালাল আহমেদ ও মা জফুরা বেগম। লেখালেখির শুরু ছাত্রাবস্থায়। মাঝে দীর্ঘ বিরতি। আবারও ফিরে এসেছেন লেখালেখিতে। কবিতা, উপন্যাস, গল্পগ্রন্হসহ তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আটটি। ইতোপূর্বে প্রকাশিত তার উপন্যাস ‘ কানফুল, আনছার আলীর গৃহত্যাগ এবং কবিতা অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য জিগীষা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ তাকে জিগীষা সাহিত্য সম্মাননা -২০১৯ প্রদান করেছে।
সাবেক সরকারি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বর্তমানে দৈনিক বাংলার সাহিত্য সম্পাদক। তিনি সালমা ফৌজিয়া সুমি, ডা. শারমিন ফৌজিয়া ও সাইফুল কবির সোয়েবের বাবা। স্ত্রী নাজমুন নাহার লক্ষ্মী গৃহিণী।
প্রকাশিত বই সমুহঃ-
কবিতা-
আমি তাকে ফিরছি খুঁজে
অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস
উপন্যাস-
দায়
কানফুল
মেঘনাপারের শেফালী
আনছার আলীর গৃহত্যাগ
গল্পগ্রন্থ-
শাহজাদী উপাখ্যান
আমিও ডিকশনারি দেখেছি কিন্তু পাইনি।
জ্বিনকন্যা নার্গিসের প্রেম
দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী রমণীদের বসবাস এখানে। ওই সুন্দরীদের রূপের সাথে পাল্লা দেয় যৌবন আর যৌবনের সাথে পাল্লা দেয় রূপ কিন্তু সেটা এক রক্ত নহর বহা একনগরী… স্ত্রীর জন্য ৭ পুরের (গ্রামের) জল ও মাটি সংগ্রহ করে পুব্যা এক যুবক। তবে শর্ত ছিল পথিমধ্যে কারো সাথে কথা-টথা বলতে পারবে না সে। যুবকটি কেন বলছে, হায় নারী! হায় স্ত্রী আমার! তুমি আমার অর্ধেক নও, তুমি আমার পুরো পৃথিবী… এরকম অসংখ্য মজাদার কথামালায় রচিত এই দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা উপন্যাসটি। শরীফ শামিলের লেখনী শক্তি ও কল্পনা শক্তি প্রশংসার দাবি রাখে। তাঁর প্রথম উপন্যাস দীর্ঘ রাত্রির বিরুদ্ধে জেগে থাকা এর ব্যাপারে লিখেছিলাম, ওটি বাংলা উপন্যাসে এক নতুন সংযোজন। আর এ ‘দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা’ উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসে আরেক (সম্পূর্ণ) নতুন সংযোজন।
আবু এম ইউসুফ
প্রকাশক
দুই প্রহরের প্রেম ও বিপরীত যাত্রা
জন্ম ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার সুরাশ্রম গ্রামে। পিতামহের প্রতিষ্ঠিত নিজ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া শুরু। তারপর নান্দাইল রোড হাই স্কুল, আঠাবাড়ি ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকল্যাণ ও রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন। এরপর চাকরিজীবনে বি.এড ও এম.এড ডিগ্রি লাভ করেন।
লেখালেখির শুরুটা খুব পরিকল্পিত না হলেও চাকরিজীবনের বেঁচে যাওয়া সময়ে কঠিন অধ্যবসায় ও অবিরাম লেখালেখির অভ্যাসটি জোরালেভাবেই তৈরি হয়েছে। বহুমাত্রিক এই লেখকের সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখাসহ একাডেমিক গ্রন্থ নিয়ে মোট ৯৫ গ্রন্থ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।
ঘূর্ণিবায়ূ ও ধূসর কাবিন
লেখক পরিচিতিঃ
নিজেকে ঘটা করে পরিচয় করিয়ে কি লাভ । আমার এই উপন্যাস পছন্দ হলে এতেই আমার স্বার্থকতা। সবাই ভালবাসুক এই গল্পটা।সবাই ধারণ করুক এই বইটা।
এই পর্যন্ত বইয়ের সংখ্যা ৯টি
১) আমার মা(ভোরের শিশির প্রকাশন
২) বার্লিনে বন্ধুত্ব(ভোরের শিশির প্রকাশন)
৩) ভুতের স্বর্নতাবিজ( বেহুলা বাংলা প্রকাশন)
৪) অল্প কথার গল্প (দ্যুপ্রকাশন)
৫) লাভার্স পয়েন্ট (বেহুলা বাংলা)
৬)তিন প্রজন্মের কাব্য (ছায়ানীড়)
৭) দার্জিলিং কনফেশন (ছোট গল্প) অনুপ্রাণন
৮) উইনিং সেলস এন্ড মার্কেটিং (বেহুলা বাংলা)
৯) পূর্বজদের গুহায় বুদ্ধের দর্শন।(অনুপ্রাণন)
পূর্বজদের গুহায় বুদ্ধের দর্শন
লেখকের কথা:
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী “রু” আমার প্রথম প্রকাশিত বই হলেও আমার লেখা প্রথম উপন্যাস ছিল এই “প্রজেক্ট পাই”, যেটা আমি লিখেছিলাম দুই হাজার পনেরো সালে, অর্থাৎ আজ থেকেও আরো প্রায় চার বছর আগে। কিন্তু নানা কারণে এই উপন্যাসটা আর প্রকাশ করা হয়ে ওঠেনি। তবে কোথাও প্রকাশ না করলেও উপন্যাসটার কথা আমার মাথায় সবসময়ই ছিল। এ-কারণে প্রায়ই “প্রজেক্ট পাই”-এর ফাইলটা বের করে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চোখ বুলাতাম। এ-রকম করতে করতেই একদিন হঠাৎ মাথায় চলে এলো “রু”-এর প্লট। লেখা শুরুও করে দিলাম আমার দ্বিতীয় উপন্যাস “রু”। মাঝখানে অনিবার্য কারণবশত নেয়া একটা লম্বা বিরতিসহ প্রায় দুই বছরের মতো সময় লাগলো “রু” লিখে শেষ করতে। লেখা শেষ হবার বেশ কয়েক মাস পর আমার লেখা দ্বিতীয় উপন্যাসটি অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হলো আমার প্রথম বই হিসেবে। বইটি অনুপ্রাণনের সে বছরের বেস্টসেলারও হলো। “রু”-এর পর এবার আমার মাথায় এলো আমার প্রথম সন্তান, অর্থাৎ আমার লেখা প্রথম উপন্যাস “প্রজেক্ট পাই”-এর কথা, যে কিনা গত চার বছর ধরে ঘরবন্দী হয়ে আছে। ভাবলাম, এবারে যে তাকেও মুক্তি দিতে হয়!
অবশেষে “প্রজেক্ট পাই”ও মুক্তি পেলো। প্রজেক্ট পাই সম্পর্কে আমি আমার পাঠকদের আগে থেকে তেমন কিছুই বলব না। শুধু এটুকুই বলব, “রু” যেমন আমার এবং আমাদের গল্প ছিল, “প্রজেক্ট পাই”ও ঠিক তেমনি আমার এবং আমাদের গল্প। এখান থেকে আমাকে এবং আমাদেরকে খুঁজে নেয়া এবং আমাদের মাঝখানে নিজেদেরকেও খুঁজে নেয়ার দায়িত্ব আমি আমার পাঠকদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি।
Ñতানভীর আহমেদ সৃজন
আগস্ট ২০১৯
প্রজেক্ট পাই
শহীদ ইকবাল। প্রাবন্ধিক ও উপন্যাসিক। জন্ম ১৩ আগস্ট, ১৯৭০ রংপুর জেলার পীরগঞ্জে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর এবং এখানেই শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন। প্রকাশিত অসংখ্য গ্রন্থ রয়েছেÑ কথাশিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, মুখশ্রীর পটে, কবিতা: মনন ও মনীষা প্রভৃতি। লিটলম্যাগ ‘চিহ্ন’ এর সম্পাদক।
হয়নাকো দেখা
শীতের সকালে হুট করেই সবচেয়ে নিকটের বন্ধু ও ছোট ভাই হাসানের নিকট কিম্ভূতকিমাকার পোষাকে উপস্থিত সুমন ভাই। তার ফোনালাপে সদ্য গড়ে উঠা প্রেমিকা মুমুর বিয়ে ভাঙতে যেতে হবে নোয়াখালী। যেই মেয়েকে কখনোও তিনি দেখেননি। কিন্তু নোয়াখালীতে পা রাখতে না রাখতেই শুরু হয় একের পর এক বিপত্তি ও হাস্য-রসাত্মক সব ঘটনা। কখনোও বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় তার প্রেমিকার বড় ভাই ও বড় ভাইর চ্যালা-প্যালারা, কখনোবা তিন বিটকেল কালাম, মাসুম ও জহির। এছাড়াও ঝামেলা পাঁকাতে সদা প্রস্তুত সুমন ভাইরই আপন মামাতো ভাই।
এই সকল নাটকীয়তার মাঝেই উপন্যাসের বাঁকে বাঁকে চলতে থাকে পাঁচ বন্ধুর বিচিত্র উদ্ভট সব কাণ্ডকারখানা। চলতে থাকে নির্মল ভালোবাসা-বাসি সুমন ভাই ও মুমুর মাঝে। শেষ পর্যন্ত কি ভালোবাসার বিজয় হয়? সুমন ভাই কি শেষ পর্যন্ত সফল হতে পেরেছিলেন? জানতে হলে পড়তে হবে “অপারেশন নোয়াখালী”।
অপারেশন নোয়াখালী
শৌখিন ফটোগ্রাফার শুভ্র। তার পৃথিবী মমতাহীন শূন্যতায় ভরা। একে একে কাছের মানুষদের প্রস্থান তার জীবনকে ক্যামেরার ক্লিকের সাথে বন্দি করে ফেলে। এক সময় তার নিঃসঙ্গ জীবনে আসে দুঃখ ভাগ করে নেওয়ায় আগ্রহী মানুষেরা। হয়তো তারা একই মানুষ। ভিন্ন তাদের নাম। তারা সেতু-ঋতু-রূপা অথবা স্বাতী। যারা শুভ্রর মনস্তাত্ত্বিক ভাবনা-যৌন বিশ্বাস-উড়ন্ত নেশা ও বিপন্ন ক্ষতের সাথে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় জড়িয়ে যায়। অথবা তারা কেউ না। শুধু শুভ্র। শুধু নিঃসঙ্গ একজন মানুষ। নিজস্বতায় নিমগ্ন। যে ক্রমশ ঢুকে যায় অচেনা এক জগতে! নিষিদ্ধ ভাষা ও চিঠির ভাঁজে…
গুহা
হামিম কামাল। জন্ম ১৯৮৭ সালের ৯ অগাস্ট, ঢাকায়। আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতক।প্রকাশিত গ্রন্থ- জঠর (২০১৬), কারখানার বাঁশি (২০১৮)।
জঠর
একাত্তরের কথকতা
আমাদের দেশের মেয়েরা নানা রকম প্রতিবন্ধকতা নিয়ে ছোটো থেকে বড়ো হয়। আমাদের সমাজ এমন, যেখানে বাবা-মা তাদের সেসব প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে ছোটো বয়স থেকে সচেতন করে না। ‘নিকুন্তিলা’ উপন্যাসে নিকুন্তিলা এমন এক চরিত্র যে ছোটো বয়স থেকে অনেক সচেতন। এই সচেতনার জন্ম দিয়েছে তার মা। খুব অল্প বয়সে সে পিরিয়ডের মতো বিষয় সম্পের্কে জানতে পারে। নিকুন্তিলাও তার মাকে নানা রকম প্রশ্ন করে অনেক বিষয় জেনে নেয়। ছোটো বয়সে অনেক বিষয় জেনে গেলেও নিকুন্তিলা নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছে। এখানেও তার মা তাকে সাহায্য করেছে। এমনকি মেয়েকে সচেতন করতে মা তার জীবনে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা একে একে বলতে থাকে। একটা সময় সে জানতে পারে বাবা ছাড়াও তার মায়ের জীবনে অন্য কোনো পুরুষ এসেছিল। সেই পুরুষ চরিত্র নিয়ে নিকুন্তিলার মনে জন্ম হয় নানা রকমের প্রশ্ন।
নিকুন্তিলা বিয়ের উপযুক্ত হয় এবং বিয়ে হয়। মূলত নিকুর বিয়ে মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক পাঠকের চিন্তাকে অন্য দিকে নিতে চেয়েছেন। যেখানে আমরা সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের নানা রকম জটিলতা দেখতে পাই। যেখানে স্বামী-স্ত্রীর একে অন্যের প্রতি নির্ভরশীলতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। আরও নানা রকমের ঘটনা, টানাপোড়ের থাকলেও উপন্যাসে মূলত আমাদের সমাজ-বাস্তবতায় একজন নারীর ছোট থেকে বেড়ে ওঠা এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে যেসব জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেসব বিষয়ই মুখ্য হয়ে উঠেছে।
Nikuntila by Nasreen Jahan
রকিবুল ইসলাম শক্তিমান তরুণ লেখক। দুহাতে লেখার প্রচণ্ড ক্ষমতা তার মধ্যে লক্ষণীয়। ছড়া ও কিশোর কবিতার পাশাপাশি ছোটোদের উপযোগী গল্পও লেখেন তিনি। তার ছড়ার সংখ্যা কম, তবে গুণগত মানে সেগুলো উত্তীর্ণ। শিশু-কিশোর মনের স্বপ্নগুলোকে অতি চমৎকারভাবে ছড়া-কবিতায় ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেন তিনি। আমাদের বেশিরভাগ শিশুসাহিত্যিক ছোটোদের জন্য লিখতে গিয়ে বুড়োদের লেখা লিখে ফেলেন। রকিবুল ইসলাম এক্ষেত্রে অনেকটা সচেতন। তার একটি ছড়া থেকে উদাহরণ দেওয়া যাক- ‘আমি ফুলের মতো ফুটি/আমার শুধুই ছোটাছুটি/আমি হাওয়ায় ভেসে মেঘের দেশে/মেঘ পাহাড়ে উঠি।/আমি জোছনা হয়ে হাসি/আমার স্বপ্ন রাশি রাশি/আমি রাত্রি শেষে ভোরের আলোয়/সূর্য হয়ে আসি।’
Bagher Baccata Vishon Valo by Rakibul Islam
রাহমান ওয়াহিদ
জন্ম, বেড়ে ওঠা ও সর্বশেষ অবস্থান: জন্ম বগুড়ার কাহালু থানার পাইকড় গ্রামে, ১৯৫৬ সালের ১৭ জানুয়ারি। শহরের কাটনার পাড়ার করনেশন হাইস্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর ১৯৬৩ সালে বাবার চাকরির সুবাদে পাবনার রেল জংশনের শহর ঈশ্বরদীতে যাওয়া। সেখানে বেড়ে ওঠা এবং স্কুল কলেজ পেরোনো। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর। ১৯৮১ সালে সরকারী চাকরিতে যোগদান। ২০১৫ সালে সরকারী কর্মকর্তা হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত। চাকরির প্রয়োজনে ঢাকাতেই কেটেছে দীর্ঘ ২৭টি বছর। বগুড়ায় মাঝেমধ্যে আসা যাওয়া হতো। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে বগুড়ার দক্ষিণ মালগ্রামে নিজ বাড়িতে আমৃত্যু অবস্থান চলছে। দুই কন্যার জনক। তারা সপরিবারে ঢাকায়।
লেখালেখি: ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির অভ্যেস। এখনও চলছে। মূলত কবি। কবিতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, মুক্তগদ্য ও শিশুতোষ গল্পও লিখছেন। দেশ-বিদেশের সাহিত্য পত্রিকাসহ স্থানীয় প্রধান প্রধান সব ক’টি জাতীয় দৈনিকে নিয়মিত লিখে চলেছেন।
Raahman Wahid
লেখক পরিচিতি :
চৌধুরী ফাহাদ। জন্ম: ৩০শে সেপ্টেম্বর, কক্সবাজার জেলায়। জীবনের প্রথম পাঠ এবং বেড়ে ওঠা সেই জল-পাহাড়ের বুকে। লেখালেখিতে নবীন হলেও পড়–য়া বাবার হাত ধরে সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ সেই ছোটবেলায়। কবিকে বাবাই প্রথম দেখিয়েছিলেন দৃশ্যমান জগতের বাইরে একটা জগত আছে এবং তারপর তার সাথেই পথচলা। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘চিলেঘুড়ি’।
কবি কোনো চরিত্রে নাই
নাফিস যেদিন তাকে প্রোপোজ করেছিলো সেদিন তার চোখে-মুখে দারুণ সুন্দর আশ্চর্য এক নরম-কোমল আলোর দীপ্তি ছিলো, যা এর আগে কখনও তুলি দেখেনি। কী আশ্চর্য সেই প্রেমময় মুখ, কী আবেগময় সে অবয়ব, কী বিপুল আকুতি সেই চোখে, তুলি সে মুখের আশ্চর্য কোমলতায়, সেই সুগভীর কালো চোখের চাহনি থেকে চোখ ফেরাতে পারছিলো না। নাফিসকে সে কখনও এই রূপে ভাবেনি। কখনও তাকে এভাবে দেখেনি। সে এক আশ্চর্য মোহময় প্রেমময় মুখ। যে রূপ এজীবনে তুলি কারো মুখে খুঁজে পায়নি। আচ্ছা প্রেমিক-পুরুষের মুখ বুঝি এমনই হয়? সব সময় রাগী মুখের শক্ত চেহারার মানুষের মুখের ওপরও রেখাগুলো কোমল আর নরম হয়ে সারা চোখে-মুখে কোমলতার প্রলেপ ছড়িয়ে দেয়! চোখের মায়ায় হৃদয় তরল করে দেয়। সেই মুখখানি মনে পড়লেই তুলির বুক কেমন যেন দুরুদুরু ভয়ে কাঁপতে থাকে। এক আশ্চর্য ভালোলাগায় তার দেহ-মন অবশ হয়ে আসে। মনে মনে তুলি ভাবেÑ নাফিস, তুমি আমায় এ কী বললে? একি নিষ্ঠুর খেলা তুমি আমায় নিয়ে শুরু করলে। আমি তো এ চাইনি। তবে কেন আমার পাথরের মতো শক্ত এ হৃদয়ে প্রেমের শীতল হিম করে দেওয়া বাতাসে কাঁপন ধরিয়ে দিলে?
তুলির সেদিনের কথা একে একে আবার ভাবতে বসলো। সেদিনের কথা ভাবতেও তার খুব ভালো লাগে। বারবার সে সেদিনের প্রতিটি ক্ষণের স্মৃতি মনে করে দারুণ এক প্রেমময় সুখের সাগরে ভাসতে লাগলো। আহা কী মধুর ছিলো সে সাক্ষাৎ! কী যেন ছিলো সেদিন নাফিসের চোখে-মুখে। তুলি বুঝতে পারে না। তবে সেটা যে একেবারে অন্যরকম একটা কিছু তা তুলি বোঝে। কী শান্ত, কোমল আর কমনীয় দেখাচ্ছিলো সেদিন নাফিসের মুখখানি! কী মায়াময়! তুলির গত পাঁচ-ছয় রাত শুধু সে মুখটাকেই মনে পড়েছে। মনে মনে সে মুখটাকে ভেবেই বহুক্ষণ নির্ঘুম কাটিয়েছে। তারপর এক সময় কখন ঘুমিয়ে গেছে সে জানে না। ঘুমের ঘোরেও সেই কোমল-সুন্দর প্রেমময় মুখখানি তার পিছু ছাড়ে না। আচ্ছা ছেলেদের প্রেমে পড়া চেহারা বুঝি এমনই হয়? এমনই মায়াময় আর প্রেমময়?
ShobdohIn by Kamrun Nahar
ভূমিকা-
কবিতার ভিতর দিয়ে বহুবিধ বহুকালের অমীমাংসিত জটিল সমীকরণের সমাধান খুঁজে চলা কবির নাম সালাহউদ্দিন সালমান, কবি যেন কলমের ডানায় আর খাতার বাতিঘরে লুকিয়ে রাখে বেঁচে থাকার মৌলতম রসদ, তার কবিতায় পাঠক খুঁজে পায় অনন্য স্থির নির্ভেজাল ধনাত্মক-ঋণাত্মক ডান বাম, ভালো মন্দ সুখ দুঃখ, অনুভূতি চিন্তা ভাবনা বোধের শৈল্পিক নিরপেক্ষতা। মানুষের সাধ্যাতীতের বিপরীতে কবি তার কবিতায় ফুটিয়ে তুলে নরম জীবনের কারুকাজ, কবি তার কবিতায় দ্রোহের রক্ত নিয়ে আলো খুঁজে অসম্ভব অনিশ্চয়তার নিঃসীম অন্ধকারে, তার একেকটি কবিতা মূর্তিমান জীবনের একেকটি দীর্ঘশ্বাস, সমাজ সংস্করণে এই জীবনমুখী কবির কবিতা যেন প্রয়োজনীয় বিদ্রোহের প্রতীক। কবির প্রেমময় কবিতাগুলো যেনও প্রেমিক প্রেমিকার বুকপকেটে ভরে রাখা কখনো কালো মেঘের আহাজারী, কখনো শূন্যতার নিঠুর মহামারী, আবার কখনো কখনো চালচুলোহীন স্বপ্নাতুর লালিত সঞ্চয়ের সমুদ্রখচিত বিশাল আকাশ। কবির একটি কবিতা পড়েছিলাম পোড়ামাটি নামক- শুইয়ে থাকা নীরব জ্যোৎস্না কে ছুঁতেই /নিজের ছায়া ছুটে চলে অন্ধকারের দিকে/ মেঘঘন আকাশের ফিকে বিছানায়/অগণিত জোনাকিদের সদ্য ঘুম মুখে/আঙুল রাখতেই খলবলিয়ে উঠে নিস্তরঙ্গ নদী/ ভাঙি দ্রোহ আর আকাক্সক্ষার জড়ানো ইমারত/ অনিবার্য পিপাসা ফুরায় অন্তর্গত অভিবাসী জলে/ অবাধ্য হাতের অকুতোভয় আঙুলগুলো বোটা ছুঁতেই/ অঝোর আষাঢ় আসে থই থই লুণ্ঠিত হয় ঘরবাড়ি/ ঘাম শুকায় ঘামে কাঁচা দেহ হয় পোড়ামাটি/ -সশরীরে দেখে মনেই হবে না সালাহউদ্দিন সালমান এমন অসংখ্য কবিতার কবি, কবির নিজের একটি উক্তি আছে কবিতাকে নিয়ে কবি প্রায় বলেন-কবিতা সত্য সুন্দর স্বপ্নিল জীবনের সাথে চলে আমরা কবিতার সাথে চলি। বিশ্বব্যাপী কবিতার মিছিলে কবি সালাহউদ্দিন সালমান এর উজ্জ্বল পদচারণ তারই দৃপ্ত প্রমাণ।
পকেট সেলাই করি ছেঁড়া জামার
কেমন ছিল আমাদের দুঃখ ভরা রাত কিংবা দিন
দূরে কোথাও মায়ের হৃদপিণ্ডে-জন্মান্ধ ঘোড়া
ছড়িয়ে দিল_ধর্মের দ্রোহী বিষ, ব্লু-ফিল্ম, নাগরিক কলহ
রাষ্ট্রের ঘাপটি মারা রাজনীতি- আড়ালে গণিকা পোষে।
ঘোড়া প্রতিনিয়ত দাপিয়ে ফেলে- উন্নয়ন স্বদেশে-
এ প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে।
জনগণ: দ্রব্যমূল্যের লাগাম ধরে খেয়ে যায় বিস্বাদী মুখে…
গলি পথে অচেনা পথিক
খুঁজে ফেরে হারানো দীর্ঘশ্বাস…
(জন্মান্ধ ঘোড়া)
জন্মান্ধ ঘোড়া- Jonmandho Ghora
কবির য়াহমদ-
জন্ম ৩০ ডিসেম্বর, চন্দনপুর, আলীনগর, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
বাবা- আজিজ উদ্দিন চৌধুরী, মা- ফখরুননেছা আজিজ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত।
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: রাত আর ঘুমের কৃষ্ণপাঠ, আমাদের ঈশ্বরের অ্যাপয়েন্টমেন্ট দরকার, নিরবচ্ছিন্ন পাখিসমূহ।
জাগরণের পূর্বাপর
গল্পটা প্রেমের৷ প্রেমের শুরু নব্বই দশকে। ঢাকা শহরে। তারপর দীর্ঘ বিচ্ছেদ।
আটাশ বছর পর….
বদলেছে সময়, বদলেছে মানুষ দুটো, বদলেছে তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা। কবি প্রকৃতির রহস্যময় ছেলেটি আজ বাস্তবতার ভারে পিষ্ট; স্বাধীনচেতা সদা উৎফুল্ল মেয়েটি আজ বিধবা, গাম্ভীর্য তার পরতে পরতে । ভাগ্যক্রমে আবার সেই একই শহরে দুইজন । যে শহরের নামটাই কেবল এক আছে, বদলেছে বাকি সব।
এ গল্পে একই সাথে দুটো ভিন্ন সময়ের ঢাকা শহরের অলিগলিতে হাঁটা হবে পাঠকের। একটি সময় তাদের যৌবনের তুমুল প্রেমের দিনগুলির, আরেকটি তাদের বর্তমান বার্ধক্যের।
কথায় আছে, ভালোবাসায় সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ । অতীতের সময়টা হয়তো তাদের ছিলনা, কিন্তু বর্তমানটা কি তাদের হবে? বাস্তবতার কাছে আবেগ আবারো কি হেরে যাবে, নাকি আটাশ বছর ধরে জমে থাকা প্রশ্নগুলির উত্তর এবার তারা খুঁজে পাবে?
Parabar by Joesha Ahmed
সালেহা চৌধুরী নানা সব কলাম লিখেছেন দীর্ঘদিন ধরে। কত সব ভাবনা জীবন গবাক্ষে কত কথা বলেছে। ‘সমকালের’ গোলাম সারওয়ার সালেহা চৌধুরীকে দিয়ে লিখিয়েছিলেন বাহাত্তরটি কলাম। বন্ধু মারা গেলে কিছুদিন পর সেখানে যতি। বই, জীবন, মানুষ, তাদের ভাবনা, শরীর স্বাস্থ্য, ভালোলাগা, মন্দলাগা এইসবই কলামের বিষয়। গোলাম সারওয়ার নাম দিয়েছিলেন ‘ইউরোপের চিঠি’। পোস্ট এডিটোরিয়াল কলামগুলো অনেকেরই প্রিয় ছিল। সেখানে থেকে বেছে চল্লিশটি কলাম দিয়ে রচনা করেছেন ‘কলাম কথা’। অনেক ভাবনার সমাহারে সুশোভিত। গল্প, উপন্যাস, কবিতার মতো কলামগুলোও পাঠককে নানা চিন্তার সারাৎসারে সমৃদ্ধ করবে। প্রবন্ধ লেখাতেও পিছিয়ে নেই সালেহা চৌধুরী। যাদুকরের মতো যখন-তখন বের করে আনেন শব্দাবলি।
KalamKatha by Saleha Chowdhury
ঢাকার রক্তরাঙ্গা গোধূলি আশি-নব্বইয়ের দশকের ঢাকার গল্প। গ্রামের ছেলে হেলাল ঢাকায় এসে ঘটনার পরম্পরায় প্রভাবশালী এক নেত্রীর খেয়ালি আদুরে দুলালীর সঙ্গে নিষিদ্ধ সম্পর্কে জড়িয়ে যায়, এরপর তার জীবনে নেমে আসে মহা দুর্যোগ… উপন্যাসের এই বয়ানের সঙ্গে যুক্ত হয় আরও অনেক চরিত্র। আদর্শবাদী নিমাই এমনই একটি চরিত্র। ভিন্ন ধর্ম ও চেতনার যুবক হওয়া সত্ত্বেও বন্ধুত্বের সূত্রে হেলালের পলায়নপর জীবনের আশ্রয় হয় সে।
দুটি ভিন্ন ধর্মের যুবকের প্রেম ও বন্ধুত্বের বিরল গল্প ঢাকার রক্তরাঙা গোধূলি।
Dhakar Roktoranga Godholi by Gazi Saiful Islam
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.



















There are no reviews yet.